নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীতে নিখোঁজের পরদিন শাহরিয়ার সিহাব নামের ১২ বছরের এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দুজন আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে সদর থানায় তিনজন নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে গতকাল রোববার রাত ১২টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামের বাড়ির অদূরে ধানখেতের একটি সেচনালা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। সিহাব একই গ্রামের এরশাদুল হকের ছেলে এবং শহরের নীলফামারী ক্যাডেট একাডেমির পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।
শিশুটির স্বজনেরা জানান, গত শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে নিখোঁজ হয় সিহাব। এরপর রাতভর আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন পরিবারের সদস্যরা। এলাকায় মাইকিং করেও সন্ধান না পেয়ে গতকাল সন্ধ্যায় সদর থানায় জিডি করেন তার বাবা। পরদিন রোববার রাত নয়টার দিকে এলাকার কৃষক হাচিনূর রহমার (২২) বাড়ির প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে জমিতে সেচ দিতে গিয়ে নালায় তার লাশ দেখতে পান। হাচিনূরের চিৎকারে এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।
পরে খবর পেয়ে থানা-পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও সিআইডি ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল বিকেলে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে সেচনালায় গর্ত করে গলাকাটা অবস্থায় সিহাবকে কাদায় পুঁতে রাখা হয়। গতকাল রাত নয়টার দিকে প্রতিবেশী কৃষক হাচিনূর জমিতে সেচ দিতে গেলে ওই নালার মাঝখানে মাটি উঁচু থাকার কারণে পানি আটকা পড়ে। ওই মাটি সরাতে গেলে সিহাবের গলাকাটা লাশ দেখতে পায়। পরে তাঁর চিৎকারে এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে গিয়ে সিহাবের লাশ শনাক্ত করেন।
নিহত সিহাবের বাবা এরশাদুল হক শহরের একটি দোকানে কর্মচারী। মা শাহানাজ বেগম ইপিজেডের একটি কারখানার শ্রমিক। তাঁদের এক ছেলে এক মেয়ের মধ্যে সিহাব বড়।
নীলফামারী সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোক্তারুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। আজ দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা এরশাদুল হক বাদী হয়ে সন্দেহভাজন তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে একটি হত্যা মামলা করেছেন। আমরা রাতে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এনেছি। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে সদর থানা-পুলিশের সঙ্গে ডিবি পুলিশ ও সিআইডি কাজ করছে।’

নীলফামারীতে নিখোঁজের পরদিন শাহরিয়ার সিহাব নামের ১২ বছরের এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় দুজন আটক করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে সদর থানায় তিনজন নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
এর আগে গতকাল রোববার রাত ১২টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামের বাড়ির অদূরে ধানখেতের একটি সেচনালা থেকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। সিহাব একই গ্রামের এরশাদুল হকের ছেলে এবং শহরের নীলফামারী ক্যাডেট একাডেমির পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।
শিশুটির স্বজনেরা জানান, গত শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে নিখোঁজ হয় সিহাব। এরপর রাতভর আত্মীয়স্বজনসহ বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকেন পরিবারের সদস্যরা। এলাকায় মাইকিং করেও সন্ধান না পেয়ে গতকাল সন্ধ্যায় সদর থানায় জিডি করেন তার বাবা। পরদিন রোববার রাত নয়টার দিকে এলাকার কৃষক হাচিনূর রহমার (২২) বাড়ির প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে জমিতে সেচ দিতে গিয়ে নালায় তার লাশ দেখতে পান। হাচিনূরের চিৎকারে এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন।
পরে খবর পেয়ে থানা-পুলিশ, ডিবি পুলিশ ও সিআইডি ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। এরপর ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল বিকেলে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, বাড়ি থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরে সেচনালায় গর্ত করে গলাকাটা অবস্থায় সিহাবকে কাদায় পুঁতে রাখা হয়। গতকাল রাত নয়টার দিকে প্রতিবেশী কৃষক হাচিনূর জমিতে সেচ দিতে গেলে ওই নালার মাঝখানে মাটি উঁচু থাকার কারণে পানি আটকা পড়ে। ওই মাটি সরাতে গেলে সিহাবের গলাকাটা লাশ দেখতে পায়। পরে তাঁর চিৎকারে এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা এগিয়ে গিয়ে সিহাবের লাশ শনাক্ত করেন।
নিহত সিহাবের বাবা এরশাদুল হক শহরের একটি দোকানে কর্মচারী। মা শাহানাজ বেগম ইপিজেডের একটি কারখানার শ্রমিক। তাঁদের এক ছেলে এক মেয়ের মধ্যে সিহাব বড়।
নীলফামারী সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোক্তারুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়। আজ দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা এরশাদুল হক বাদী হয়ে সন্দেহভাজন তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে একটি হত্যা মামলা করেছেন। আমরা রাতে দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এনেছি। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনে সদর থানা-পুলিশের সঙ্গে ডিবি পুলিশ ও সিআইডি কাজ করছে।’

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১২ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
২৪ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে