ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ইউসুফ আলী নামে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এতে ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে সরকারি স্থাপনা, বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ইউসুফ আলী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানা গেছে, ইউসুফ আলী পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ফুলকুমার নদ থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ওই ইউনিয়নের থানাঘাট বাজারের হাটশেড, বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে তীরের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ বারবার নিষেধ করার পরেও থামছে না বালু উত্তোলন।
স্থানীয়রা বালুখেকোদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। মলিদা বেগম নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘নদী থেকে এভাবে বালু তুলতে থাকলে একসময় আমাদের ঘরবাড়ি নদীতে চলে যাবে।’ রেজিয়া বেগম নামের আরেকজন বলেন, ‘নদী থেকে বালু তোলায় আমরা ভাঙনের আতঙ্কে আছি। বালু তুলতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু বালু তোলা বন্ধ হচ্ছে না।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ফুলকুমার নদ থেকে বালু তোলায় থানাঘাট বাজারের নতুন হাটশেড, বাড়িঘর ও ফসলি জমি ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে।
এদিকে ইউসুফ আলী প্রথমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাননি। পরে বালু উত্তোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নদীর দুই তীরে আমাদের জমি। তাই বালু তুলে বিক্রি করছি।’
পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর বলেন, ‘বালু তোলার বিষয়টি আমার জানা নেই।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম ফেরদৌস বলেন, ‘নদী থেকে বালু উত্তোলনের খবর পেয়েছি। দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ইউসুফ আলী নামে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অবৈধভাবে নদী থেকে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। এতে ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে সরকারি স্থাপনা, বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ইউসুফ আলী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক।
জানা গেছে, ইউসুফ আলী পাথরডুবি ইউনিয়নের থানাঘাট বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া ফুলকুমার নদ থেকে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছেন। এতে হুমকির মুখে পড়েছে ওই ইউনিয়নের থানাঘাট বাজারের হাটশেড, বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ভাঙন আতঙ্কে রয়েছে তীরের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ বারবার নিষেধ করার পরেও থামছে না বালু উত্তোলন।
স্থানীয়রা বালুখেকোদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। মলিদা বেগম নামের স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘নদী থেকে এভাবে বালু তুলতে থাকলে একসময় আমাদের ঘরবাড়ি নদীতে চলে যাবে।’ রেজিয়া বেগম নামের আরেকজন বলেন, ‘নদী থেকে বালু তোলায় আমরা ভাঙনের আতঙ্কে আছি। বালু তুলতে নিষেধ করা হয়েছে। কিন্তু বালু তোলা বন্ধ হচ্ছে না।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা আহ্বায়ক রোকনুজ্জামান রোকন বলেন, ফুলকুমার নদ থেকে বালু তোলায় থানাঘাট বাজারের নতুন হাটশেড, বাড়িঘর ও ফসলি জমি ভাঙনের হুমকিতে পড়েছে।
এদিকে ইউসুফ আলী প্রথমে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে চাননি। পরে বালু উত্তোলনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘নদীর দুই তীরে আমাদের জমি। তাই বালু তুলে বিক্রি করছি।’
পাথরডুবি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর বলেন, ‘বালু তোলার বিষয়টি আমার জানা নেই।’ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গোলাম ফেরদৌস বলেন, ‘নদী থেকে বালু উত্তোলনের খবর পেয়েছি। দ্রুতই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
২৫ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
২৮ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
৪০ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে