চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের তিস্তা থেকে কুড়িগ্রামের চিলমারী পর্যন্ত রেলপথের বিভিন্ন স্থানে পাথর উঠে গেছে। এ কারণে ঝুঁকি নিয়ে ট্রেন চলাচল করছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় লোকজন।
আজ শনিবার সরেজমিনে জানা গেছে, তিস্তা থেকে চিলমারী রেলপথে উলিপুর-চিলমারী রেললাইনে পুরোনো স্লিপার, স্লিপারের পিন ও লাইনের দুধারে প্রয়োজনীয় পাথর নেই। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কম গতিতে চিলমারী কমিউটার ট্রেনটি রংপুরের উদ্দেশ্যে চলছে। লাইনের ওপর দিয়ে ট্রেন চলার সময় তিন থেকে চার ইঞ্চি পরিমাপ দেবে যাচ্ছে স্লিপার।
থানাহাট পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরিফ হোসেন ও জাহিদ মিয়া বলে, আমাদেরকে রেল লাইনের পাশ দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। যখন হেলে-দুলে ট্রেন আসে তখন মনে হয় যেন গায়ের ওপরে পড়ছে। অনেক ভয়ে থাকতে হয়। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগ থেকে জানা গেছে, ১৯৬৭ সালে তিস্তা-চিলমারী রেলপথে রেল চলাচল শুরু হয়। এই অঞ্চলের প্রায় ৫৪ কিলোমিটার রেলপথ অনেক দিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। রেলের উন্নয়নে সম্প্রতি কুড়িগ্রাম থেকে উলিপুর পর্যন্ত রেলপথের কাজ শুরু হলেও উলিপুর থেকে চিলমারী রমনা স্টেশন পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। অথচ মাত্র ১০ কিলোমিটার বরাদ্দ দিলেই নদীবন্দর এলাকা পর্যন্ত রেলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হতো।
চিলমারীর গোলাম হাবীব মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মামুন অর রশিদ বলেন, ‘ট্রেনের গতি কমিয়ে চলাচলের নির্দেশনা দিয়েই দায় সারছে রেল কর্তৃপক্ষ। ট্রেন যে গতিতে চলে তাতে অনেকেই চলন্ত অবস্থায় যাত্রীরা নামছে-উঠছে। এতে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই রেলপথ দ্রুত সংস্কার করার দাবি জানাচ্ছি।’
রেল-নৌ, যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সভাপতি নাহিদ হাসান বলেন, ‘চিলমারী বন্দরের ওপর নির্ভরশীল বুড়িমারী ও সোনাহাট স্থলবন্দর। এই রেল লাইন সংস্কার ও আন্তনগর করা না হলে চিলমারীবাসীর প্রতি অবিচার করা হবে।’
এ বিষয়ে লালমনিরহাট ডিভিশনের সহকারী প্রকৌশলী মামুন উর রশিদ বলেন, ‘শিগগিরই চিলমারী অংশের কাজ হবে।’

লালমনিরহাটের তিস্তা থেকে কুড়িগ্রামের চিলমারী পর্যন্ত রেলপথের বিভিন্ন স্থানে পাথর উঠে গেছে। এ কারণে ঝুঁকি নিয়ে ট্রেন চলাচল করছে। এতে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় লোকজন।
আজ শনিবার সরেজমিনে জানা গেছে, তিস্তা থেকে চিলমারী রেলপথে উলিপুর-চিলমারী রেললাইনে পুরোনো স্লিপার, স্লিপারের পিন ও লাইনের দুধারে প্রয়োজনীয় পাথর নেই। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় কম গতিতে চিলমারী কমিউটার ট্রেনটি রংপুরের উদ্দেশ্যে চলছে। লাইনের ওপর দিয়ে ট্রেন চলার সময় তিন থেকে চার ইঞ্চি পরিমাপ দেবে যাচ্ছে স্লিপার।
থানাহাট পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আরিফ হোসেন ও জাহিদ মিয়া বলে, আমাদেরকে রেল লাইনের পাশ দিয়ে স্কুলে যাতায়াত করতে হয়। যখন হেলে-দুলে ট্রেন আসে তখন মনে হয় যেন গায়ের ওপরে পড়ছে। অনেক ভয়ে থাকতে হয়। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
লালমনিরহাট রেলওয়ে বিভাগ থেকে জানা গেছে, ১৯৬৭ সালে তিস্তা-চিলমারী রেলপথে রেল চলাচল শুরু হয়। এই অঞ্চলের প্রায় ৫৪ কিলোমিটার রেলপথ অনেক দিন ধরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে আছে। রেলের উন্নয়নে সম্প্রতি কুড়িগ্রাম থেকে উলিপুর পর্যন্ত রেলপথের কাজ শুরু হলেও উলিপুর থেকে চিলমারী রমনা স্টেশন পর্যন্ত বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। অথচ মাত্র ১০ কিলোমিটার বরাদ্দ দিলেই নদীবন্দর এলাকা পর্যন্ত রেলের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হতো।
চিলমারীর গোলাম হাবীব মহিলা ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মামুন অর রশিদ বলেন, ‘ট্রেনের গতি কমিয়ে চলাচলের নির্দেশনা দিয়েই দায় সারছে রেল কর্তৃপক্ষ। ট্রেন যে গতিতে চলে তাতে অনেকেই চলন্ত অবস্থায় যাত্রীরা নামছে-উঠছে। এতে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এই রেলপথ দ্রুত সংস্কার করার দাবি জানাচ্ছি।’
রেল-নৌ, যোগাযোগ ও পরিবেশ উন্নয়ন গণকমিটির কেন্দ্রীয় পরিষদের সাবেক সভাপতি নাহিদ হাসান বলেন, ‘চিলমারী বন্দরের ওপর নির্ভরশীল বুড়িমারী ও সোনাহাট স্থলবন্দর। এই রেল লাইন সংস্কার ও আন্তনগর করা না হলে চিলমারীবাসীর প্রতি অবিচার করা হবে।’
এ বিষয়ে লালমনিরহাট ডিভিশনের সহকারী প্রকৌশলী মামুন উর রশিদ বলেন, ‘শিগগিরই চিলমারী অংশের কাজ হবে।’

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৭ ঘণ্টা আগে