কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের প্রচারণা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইমান আলী এবং তার কর্মীদের ওপর প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের সায়েদাবাদ এলাকার সাহিদার মোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ সময় এক নারী চা দোকানির দোকানঘর ভাঙচুর ও লুটের ঘটনাও ঘটে। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হামলার শিকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমান আলীর অভিযোগ, আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবুর রহমানের লোকজন হামলা চালিয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে মামুন জানান, ইমান আলী রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে টাকা বিতরণ করছিলেন। খবর পেয়ে তাঁরা কয়েকজন মোটরসাইকেলে চেপে সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ জানান। এতে ইমান আলীর লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালায়। মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল মামুন আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী (টেলিফোন প্রতীক) মজিবুর রহমান বঙ্গবাসীর ভাতিজি জামাই। তিনি যাদুরচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। আর ইমান আলী উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান এবং উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি। তিনি ব্যাটারি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
হামলার শিকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমান আলী বলেন, ‘সোমবার এশার নামাজ শেষে দুই-তিনজন কর্মীসহ সাহিদার মোড়ে সাহিদার চায়ের দোকানে চা খেতে যাই। দোকানে বসামাত্র যাদুরচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা পরিচয়দানকারী মামুন নামে এক যুবক কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের ঘেরাও করে। তাদের হাতে রড ছিল। তারা বলে আমরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছি। আমি বলি, আমরা যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করি তাহলে তোমরা কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দাও। আর আমরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে এভাবে এসে তোমরাও লঙ্ঘন করছো। এটা বলার পর তারা আমাদের ওপর হামলা করে। আমরা দোকানে আশ্রয় নিলে তারা দোকান ভাঙচুর করে। আমাকে রক্ষা করতে গিয়ে জাকির নামে আমার এক ভাতিজা আহত হয়েছে। হামলাকারীরা দোকানের মালপত্র তছনছ করেছে। ক্যাশে থাকা টাকা লুটে নিয়ে গেছে। আমি বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাই। তিনি সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমাদের উদ্ধার করেন।’
ইমান আলী আরও বলেন ‘হামলাকারীরা পরিচিত মুখ। তারা ছাত্রলীগ পরিচয়দানকারী এবং প্রতিপক্ষ মজিবুর রহমান বঙ্গবাসীর লোকজন। আমি এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিবো।’
রাতে টাকা বিতরণ করা নিয়ে প্রতিপক্ষের অভিযোগ প্রসঙ্গে ইমান আলী বলেন, ‘সেখানে আরও লোকজন ছিল। সবাই আসল ঘটনা জানে। আমি নিজেও আচরণবিধি সম্পর্কে ভালো জানি। তাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।’
ভুক্তভোগী চায়ের দোকানি সাহিদা বলেন, ‘ব্যাটারি মার্কা (ইমান আলী) আসছে। আসি কইতাছে চাচি চা বানাও। ইতিমধ্যে দুইটা তিনটা চ্যাংড়া (যুবক) কোনটে থাকি আসিয়া অমনি সগারে মাইর ওসসাইছে (পেটানো শুরু করছে)। এগলা দেখি সরি গেছি। ইয়ার মধ্যে আমি সারা দিন যা বেচাকেনা করছি, ট্যাকা পয়সা সবগুলা নিয়া গেইছে। আমার দোকানপাট হামলা দিয়া নিয়া গেইছে।’ তারপর কাঁদতে কাঁদতে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন সাহিদা।
তবে চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী ঘটনার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইমান আলীকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইমান আলী রাত সাড়ে ১০টার দিকে টাকা বিতরণ করতে বের হয়েছেন। এই খবর পেয়ে মামুন সেখানে গেলে তারা মামুনের ওপর হামলা চালায় এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। আমি এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ দেবো।’
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রার্থী ইমান আলীর অভিযোগ পাওয়ামাত্র আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দলবদ্ধ জনতাকে সরিয়ে দিয়েছি। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আমাদের সামনে কোনো হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। প্রার্থী ইমান আলীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।’
ঘটনাস্থলে হামলা ও ভাঙচুরের আলামত পাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘আমাদের সামনে হামলা বা ভাঙচুর ঘটেনি। কারও অভিযোগ থাকলে আমাদের লিখিত ভাবে জানাতে বলেছি।’

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপের প্রচারণা শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইমান আলী এবং তার কর্মীদের ওপর প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল সোমবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নের সায়েদাবাদ এলাকার সাহিদার মোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
এ সময় এক নারী চা দোকানির দোকানঘর ভাঙচুর ও লুটের ঘটনাও ঘটে। পরে দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
হামলার শিকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমান আলীর অভিযোগ, আব্দুল্লাহ আল মামুন নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবুর রহমানের লোকজন হামলা চালিয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে মামুন জানান, ইমান আলী রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে গিয়ে টাকা বিতরণ করছিলেন। খবর পেয়ে তাঁরা কয়েকজন মোটরসাইকেলে চেপে সেখানে গিয়ে প্রতিবাদ জানান। এতে ইমান আলীর লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালায়। মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আব্দুল্লাহ আল মামুন আরেক চেয়ারম্যান প্রার্থী (টেলিফোন প্রতীক) মজিবুর রহমান বঙ্গবাসীর ভাতিজি জামাই। তিনি যাদুরচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি। আর ইমান আলী উপজেলা পরিষদের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান এবং উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি। তিনি ব্যাটারি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
হামলার শিকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমান আলী বলেন, ‘সোমবার এশার নামাজ শেষে দুই-তিনজন কর্মীসহ সাহিদার মোড়ে সাহিদার চায়ের দোকানে চা খেতে যাই। দোকানে বসামাত্র যাদুরচর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা পরিচয়দানকারী মামুন নামে এক যুবক কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আমাদের ঘেরাও করে। তাদের হাতে রড ছিল। তারা বলে আমরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছি। আমি বলি, আমরা যদি আচরণবিধি লঙ্ঘন করি তাহলে তোমরা কর্তৃপক্ষকে অভিযোগ দাও। আর আমরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে এভাবে এসে তোমরাও লঙ্ঘন করছো। এটা বলার পর তারা আমাদের ওপর হামলা করে। আমরা দোকানে আশ্রয় নিলে তারা দোকান ভাঙচুর করে। আমাকে রক্ষা করতে গিয়ে জাকির নামে আমার এক ভাতিজা আহত হয়েছে। হামলাকারীরা দোকানের মালপত্র তছনছ করেছে। ক্যাশে থাকা টাকা লুটে নিয়ে গেছে। আমি বিষয়টি দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাই। তিনি সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আমাদের উদ্ধার করেন।’
ইমান আলী আরও বলেন ‘হামলাকারীরা পরিচিত মুখ। তারা ছাত্রলীগ পরিচয়দানকারী এবং প্রতিপক্ষ মজিবুর রহমান বঙ্গবাসীর লোকজন। আমি এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ দিবো।’
রাতে টাকা বিতরণ করা নিয়ে প্রতিপক্ষের অভিযোগ প্রসঙ্গে ইমান আলী বলেন, ‘সেখানে আরও লোকজন ছিল। সবাই আসল ঘটনা জানে। আমি নিজেও আচরণবিধি সম্পর্কে ভালো জানি। তাদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।’
ভুক্তভোগী চায়ের দোকানি সাহিদা বলেন, ‘ব্যাটারি মার্কা (ইমান আলী) আসছে। আসি কইতাছে চাচি চা বানাও। ইতিমধ্যে দুইটা তিনটা চ্যাংড়া (যুবক) কোনটে থাকি আসিয়া অমনি সগারে মাইর ওসসাইছে (পেটানো শুরু করছে)। এগলা দেখি সরি গেছি। ইয়ার মধ্যে আমি সারা দিন যা বেচাকেনা করছি, ট্যাকা পয়সা সবগুলা নিয়া গেইছে। আমার দোকানপাট হামলা দিয়া নিয়া গেইছে।’ তারপর কাঁদতে কাঁদতে ক্ষতিপূরণ দাবি করেন সাহিদা।
তবে চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী ঘটনার জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ইমান আলীকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, ‘ইমান আলী রাত সাড়ে ১০টার দিকে টাকা বিতরণ করতে বের হয়েছেন। এই খবর পেয়ে মামুন সেখানে গেলে তারা মামুনের ওপর হামলা চালায় এবং তার মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। আমি এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ দেবো।’
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রার্থী ইমান আলীর অভিযোগ পাওয়ামাত্র আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দলবদ্ধ জনতাকে সরিয়ে দিয়েছি। পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আমাদের সামনে কোনো হামলা বা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। প্রার্থী ইমান আলীকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।’
ঘটনাস্থলে হামলা ও ভাঙচুরের আলামত পাওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, ‘আমাদের সামনে হামলা বা ভাঙচুর ঘটেনি। কারও অভিযোগ থাকলে আমাদের লিখিত ভাবে জানাতে বলেছি।’

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী বাস ফলের দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে অল্পের জন্য রক্ষা পান দোকানি। তবে বাসের ধাক্কায় গুঁড়িয়ে গেছে ওই ফলের দোকানটি। বাসের ধাক্কায় একটি অটোরিকশাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে উপজেলার বরুমচড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
বিতণ্ডার কিছুক্ষণ পর ফাহিমা গোসলের জন্য ঘরে প্রবেশ করলে সাইদ সিয়াম তাঁর চার-পাঁচজন সহযোগীকে নিয়ে ধারালো অস্ত্রসহ ফাহিমার ওপর হামলা চালান। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। ফাহিমার চিৎকারে তাঁর চাচা আবু তাহের, চাচাতো ভাই ইকবাল হোসেন এবং বোনের জামাই শাহজালাল এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাঁদেরও কুপিয়ে জখম করেন।
১ ঘণ্টা আগে
‘অনেকগুলো বিষয় আছে, যেগুলো আমরা খতিয়ে দেখছি। এর মধ্যে এই বিষয়টিও রয়েছে। কিছুদিন আগে ভিকটিম একটা মানববন্ধন করেছিলেন চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে। সেখানে মারামারি হয়েছিল। সে ঘটনায় মামলা হয়েছে। তা ছাড়া তিনি উদীয়মান জনপ্রিয় নেতা। এই বিষয়গুলো আমরা খতিয়ে দেখছি।’
১ ঘণ্টা আগে
গাজীপুর মহানগরীর কাশিমপুর থানাধীন তেতুইবাড়ী এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ বন্ধ করে হামলা, ভাঙচুর ও কর্তৃপক্ষকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে