পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের দুই পক্ষের উত্তেজনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমন চন্দ্র দাস এই আদেশ জারি করেন।
পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে এই আদেশ পড়ে শোনান এবং প্রেসক্লাবের ভবন ও প্রধান ফটক সিলগালা করে দেন।
এ সময় পঞ্চগড় সেনাক্যাম্পের কমান্ডার মেজর জুবায়ের হোসেন সিয়াম, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামানসহ সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানের পর বহিরাগত কিছু সাংবাদিক প্রেসক্লাবে আসেন। পরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে এবং পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি চলতে থাকে।
গতকাল বুধবার রাতে একটি পক্ষ প্রেসক্লাবের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে এবং আরেকটি পক্ষ করতোয়া সেতুর প্রবেশপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এ সময় সড়কে দুর্ভোগ পোহাতে হয় পথচারীদের। একপর্যায়ে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় তারা।
আজ সকালে সাংবাদিকদের দুটি পক্ষই প্রেসক্লাবে অবস্থান কর্মসূচি দেয় এবং অবস্থান নেয়। চলতে থাকে বাগ্বিতণ্ডা। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। প্রেসক্লাব এলাকায় মোতায়েন করা হয় পুলিশ ও সেনাবাহিনী।
এ বিষয়ে ইউএনও জাকির হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় পঞ্চগড় প্রেসক্লাব ও শহরের চৌরঙ্গী থেকে জালাসী মোড় পর্যন্ত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনসমাবেশ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাইক বাজানো, সভা ও মিছিল পরিচালনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা জরুরি সেবাপ্রদানকারী সংস্থা, যেমন–অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, চিকিৎসক, ওষুধ সরবরাহকারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর প্রযোজ্য হবে না। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের দুই পক্ষের উত্তেজনায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির আশঙ্কায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। আজ বৃহস্পতিবার পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমন চন্দ্র দাস এই আদেশ জারি করেন।
পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাকির হোসেন পঞ্চগড় প্রেসক্লাবে উপস্থিত হয়ে এই আদেশ পড়ে শোনান এবং প্রেসক্লাবের ভবন ও প্রধান ফটক সিলগালা করে দেন।
এ সময় পঞ্চগড় সেনাক্যাম্পের কমান্ডার মেজর জুবায়ের হোসেন সিয়াম, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লা হিল জামানসহ সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানের পর বহিরাগত কিছু সাংবাদিক প্রেসক্লাবে আসেন। পরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে এবং পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি চলতে থাকে।
গতকাল বুধবার রাতে একটি পক্ষ প্রেসক্লাবের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে এবং আরেকটি পক্ষ করতোয়া সেতুর প্রবেশপথ অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এ সময় সড়কে দুর্ভোগ পোহাতে হয় পথচারীদের। একপর্যায়ে প্রশাসনের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেয় তারা।
আজ সকালে সাংবাদিকদের দুটি পক্ষই প্রেসক্লাবে অবস্থান কর্মসূচি দেয় এবং অবস্থান নেয়। চলতে থাকে বাগ্বিতণ্ডা। দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। প্রেসক্লাব এলাকায় মোতায়েন করা হয় পুলিশ ও সেনাবাহিনী।
এ বিষয়ে ইউএনও জাকির হোসেন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় পঞ্চগড় প্রেসক্লাব ও শহরের চৌরঙ্গী থেকে জালাসী মোড় পর্যন্ত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জনসমাবেশ, অবৈধ অনুপ্রবেশ, মাইক বাজানো, সভা ও মিছিল পরিচালনা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা জরুরি সেবাপ্রদানকারী সংস্থা, যেমন–অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, চিকিৎসক, ওষুধ সরবরাহকারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর প্রযোজ্য হবে না। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে