বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে আসামি খুঁজতে গিয়ে ঘরের দরজা ও টিনের বেড়া ভাঙচুরে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গাবতলী উপজেলার চাকলা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।
মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমানের জামাই গুলজার রহমান নাড়ুয়ামালা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ইউপি সদস্য।
১৩ ডিসেম্বর গাবতলী থানা মোড়ে বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণে তিন পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তাঁর নামে মামলা করেছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গাবতলী থানা-পুলিশের ১৫-২০ জনের একটি দল বাড়ির টিনের বেড়া এবং দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর সবাইকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে গুলজারের খোঁজ করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ সদস্যরা আমাকে বারবার ধমক দিয়ে জামাই কোথায় আছে জানতে চায়? তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে লাঞ্ছিত করে চলে যায়।’
যুবদল নেতা গুলজার রহমান বলেন, ‘গত ১১ ডিসেম্বর রাতে পুলিশ চাকলা গ্রামে আমার বাড়িতে যায়। আমাকে না পেয়ে আমার ছোট ভাই বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজের ছাত্র রেজা মিয়াকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ বাড়ির উঠানে রান্না জায়গায় রাখা চুলা ও হাঁড়ি-পাতিল ভাঙচুর করে। পরে অটোরিকশা ভাঙচুরের মামলায় চালান করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাই লেখাপাড়ার পাশাপাশি ওয়ালটন শো-রুমে চাকরি করে। তার নামে কোনো মামলা ছিল না।’
গাবতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে আসামি ধরতে গিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা জানা নাই।’ তিনি বলেন, ‘আসামি ধরতে গিয়ে ভাঙচুর করার কথা না।’

বগুড়ার গাবতলীতে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে আসামি খুঁজতে গিয়ে ঘরের দরজা ও টিনের বেড়া ভাঙচুরে অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গাবতলী উপজেলার চাকলা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়।
মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমানের জামাই গুলজার রহমান নাড়ুয়ামালা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ইউপি সদস্য।
১৩ ডিসেম্বর গাবতলী থানা মোড়ে বিএনপির মিছিল থেকে ককটেল বিস্ফোরণে তিন পুলিশ আহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তাঁর নামে মামলা করেছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মজিবর রহমান বলেন, ‘বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গাবতলী থানা-পুলিশের ১৫-২০ জনের একটি দল বাড়ির টিনের বেড়া এবং দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর সবাইকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে গুলজারের খোঁজ করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ সদস্যরা আমাকে বারবার ধমক দিয়ে জামাই কোথায় আছে জানতে চায়? তারা অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে লাঞ্ছিত করে চলে যায়।’
যুবদল নেতা গুলজার রহমান বলেন, ‘গত ১১ ডিসেম্বর রাতে পুলিশ চাকলা গ্রামে আমার বাড়িতে যায়। আমাকে না পেয়ে আমার ছোট ভাই বগুড়া সরকারি শাহ সুলতান কলেজের ছাত্র রেজা মিয়াকে ধরে নিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ বাড়ির উঠানে রান্না জায়গায় রাখা চুলা ও হাঁড়ি-পাতিল ভাঙচুর করে। পরে অটোরিকশা ভাঙচুরের মামলায় চালান করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাই লেখাপাড়ার পাশাপাশি ওয়ালটন শো-রুমে চাকরি করে। তার নামে কোনো মামলা ছিল না।’
গাবতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে আসামি ধরতে গিয়ে ভাঙচুরের ঘটনা জানা নাই।’ তিনি বলেন, ‘আসামি ধরতে গিয়ে ভাঙচুর করার কথা না।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে