প্রতিনিধি, পুঠিয়া (রাজশাহী)

করোনার প্রভাবে সারা দেশের মতো রাজশাহীর পুঠিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন হাজারো শ্রমজীবী মানুষ। আজ বৃহস্পতিবার কঠোর লকডাউনের আট দিন চলছে। তবে এখন পর্যন্ত খেটে খাওয়া শ্রমিকদের পাশে কোনো জনপ্রতিনিধি সহযোগিতার হাত বাড়াননি। ভুক্তভোগী শ্রমিকেরা বলছেন, জনপ্রতিনিধিরা ভোটের সময় তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান এই অসময়ে তাঁদের সাহায্য–সহযোগিতা তো দূরের কথা, উল্টো বলছেন ৩৩৩ নম্বরে কল করতে।
রাজশাহী জেলা সড়ক ও পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান পটোল বলেন, ‘গেল বছরের লকডাউন থেকে শ্রমিকদের করুণ অবস্থা চলছে। এর মধ্যে ১ জুলাই থেকে আবারও দ্বিতীয়বারের মতো লকডাউন চলছে। তবে এবার ট্রাক শ্রমিকেরা কাজ করতে পারলেও বাস শ্রমিকেরা গৃহবন্দী অবস্থায় বসে আছেন। আমাদের শ্রমিক ইউনিয়নের তেমন কোনো আয় নেই। আমদের পক্ষে এত শ্রমিক পরিবারের তিন বেলা খাবারের জোগান দেওয় সম্ভব না। তবে খুবই অসহায় শ্রমিক পরিবারদের যতটুকু পারছি সহযোগিতা করছি।’
উপজেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দীন বলেন, `লকডাউনের কারণে নির্মাণসামগ্রীর সংকটে বেশির ভাগ কাজ বন্ধ। এতে অধিকাংশ শ্রমিক বেকার হয়ে আছেন।’
কাজল নামের কাপড়ের দোকানের এক কর্মচারী বলেন, ‘লকডাউনের কারণে আট দিন থেকে দোকান বন্ধ। এখন পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি। গতকাল দুজন জনপ্রতিনিধির কাছে কিছু খাদ্যসহায়তা চেয়েছিলাম। তাঁরা বলেছেন, ৩৩৩ নম্বরে ফোন করতে। ভোটের আগে পাশে থাকবেন বলে তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন পাশে থাকা তো দূরের কথা, তাঁরা ঘরের বাইরেও আসেন না।’
আসলাম হোসেন নামের অপর এক শ্রমিক বলেন, ‘গত বছর লকডাউনেও জনপ্রতিনিধিরা পাশে দাঁড়াননি। এবার তো তাঁদের সাক্ষাৎই পাওয়া যাচ্ছে না। তবে গতবার সরকারের পাশাপাশি অনেক বেসরকারি সংস্থা খাদ্যসহায়তা দিয়েছে। কিন্তু এবার কাউকে সহযোগিতার হাত বাড়াতে দেখিনি।’
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম হিরা বাচ্ছু বলেন, ‘আমার নিজস্ব উদ্যোগে স্বল্প পরিসরে দুস্থদের মাঝে কিছু নগদ অর্থ ও খাদ্যসহায়তা দিয়ে আসছি। তবে ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিলে সরকারিভাবেও খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ বলেন, দ্বিতীয় দফায় কঠোর লকডাউনের কারণে অনেকেই কর্মহীন আছেন। এর মধ্যে যাঁদের খাদ্য প্রয়োজন, তাঁরা জরুরি ৩৩৩ নম্বরে ফোন করুন। আমরা আপনার ঘরে খাদ্য পৌঁছানোর ব্যবস্থা করব।’

করোনার প্রভাবে সারা দেশের মতো রাজশাহীর পুঠিয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো গৃহবন্দী হয়ে পড়েছেন হাজারো শ্রমজীবী মানুষ। আজ বৃহস্পতিবার কঠোর লকডাউনের আট দিন চলছে। তবে এখন পর্যন্ত খেটে খাওয়া শ্রমিকদের পাশে কোনো জনপ্রতিনিধি সহযোগিতার হাত বাড়াননি। ভুক্তভোগী শ্রমিকেরা বলছেন, জনপ্রতিনিধিরা ভোটের সময় তাঁদের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান এই অসময়ে তাঁদের সাহায্য–সহযোগিতা তো দূরের কথা, উল্টো বলছেন ৩৩৩ নম্বরে কল করতে।
রাজশাহী জেলা সড়ক ও পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান পটোল বলেন, ‘গেল বছরের লকডাউন থেকে শ্রমিকদের করুণ অবস্থা চলছে। এর মধ্যে ১ জুলাই থেকে আবারও দ্বিতীয়বারের মতো লকডাউন চলছে। তবে এবার ট্রাক শ্রমিকেরা কাজ করতে পারলেও বাস শ্রমিকেরা গৃহবন্দী অবস্থায় বসে আছেন। আমাদের শ্রমিক ইউনিয়নের তেমন কোনো আয় নেই। আমদের পক্ষে এত শ্রমিক পরিবারের তিন বেলা খাবারের জোগান দেওয় সম্ভব না। তবে খুবই অসহায় শ্রমিক পরিবারদের যতটুকু পারছি সহযোগিতা করছি।’
উপজেলা ইমারত নির্মাণ শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জালাল উদ্দীন বলেন, `লকডাউনের কারণে নির্মাণসামগ্রীর সংকটে বেশির ভাগ কাজ বন্ধ। এতে অধিকাংশ শ্রমিক বেকার হয়ে আছেন।’
কাজল নামের কাপড়ের দোকানের এক কর্মচারী বলেন, ‘লকডাউনের কারণে আট দিন থেকে দোকান বন্ধ। এখন পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি। গতকাল দুজন জনপ্রতিনিধির কাছে কিছু খাদ্যসহায়তা চেয়েছিলাম। তাঁরা বলেছেন, ৩৩৩ নম্বরে ফোন করতে। ভোটের আগে পাশে থাকবেন বলে তাঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন পাশে থাকা তো দূরের কথা, তাঁরা ঘরের বাইরেও আসেন না।’
আসলাম হোসেন নামের অপর এক শ্রমিক বলেন, ‘গত বছর লকডাউনেও জনপ্রতিনিধিরা পাশে দাঁড়াননি। এবার তো তাঁদের সাক্ষাৎই পাওয়া যাচ্ছে না। তবে গতবার সরকারের পাশাপাশি অনেক বেসরকারি সংস্থা খাদ্যসহায়তা দিয়েছে। কিন্তু এবার কাউকে সহযোগিতার হাত বাড়াতে দেখিনি।’
উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জি এম হিরা বাচ্ছু বলেন, ‘আমার নিজস্ব উদ্যোগে স্বল্প পরিসরে দুস্থদের মাঝে কিছু নগদ অর্থ ও খাদ্যসহায়তা দিয়ে আসছি। তবে ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিলে সরকারিভাবেও খাদ্যসহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।’
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরুল হাই মোহাম্মদ আনাছ বলেন, দ্বিতীয় দফায় কঠোর লকডাউনের কারণে অনেকেই কর্মহীন আছেন। এর মধ্যে যাঁদের খাদ্য প্রয়োজন, তাঁরা জরুরি ৩৩৩ নম্বরে ফোন করুন। আমরা আপনার ঘরে খাদ্য পৌঁছানোর ব্যবস্থা করব।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪৩ মিনিট আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে