নওগাঁ ও মান্দা প্রতিনিধি

নওগাঁর মান্দায় হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করে মা-বাবার ইচ্ছে ও স্বপ্ন পূরণ করলেন আবু আহম্মেদ আশরাফ সবুজ নামের এক যুবক। গতকাল শনিবার হেলিকপ্টারে চড়ে উপজেলার মেরুল্যা গ্রাম থেকে গিয়ে পার্শ্ববর্তী মহাদেবপুর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামে বিয়ে সম্পন্ন করেন তিনি।
বর আবু আহম্মেদ আশরাফ সবুজ মান্দা উপজেলার মেরুল্যা গ্রামের আনিসুর রহমানের ছেলে এবং কনে মহাদেবপুর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের তমিজ উদ্দিনের কলেজপড়ুয়া মেয়ে তাসলিমা আক্তার তমা।
জানা গেছে, মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে সবুজের জন্ম। কিন্তু তাঁর মা-বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলে বড় হয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে যাবেন। আর সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই হেলিকপ্টারে চড়েই বিয়ে সম্পন্ন করেন সবুজ। তাও আবার মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরত্বে।
এদিকে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়েকে কেন্দ্র করে এলাকায় কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। হেলিকপ্টার দেখতে বর ও কনের বাড়িতে হাজারো মানুষের ছিল উপচেপড়া ভিড়। এমন ব্যতিক্রমী বিয়ের আয়োজনে খুশি বর-কনের স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
বর সবুজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করে একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি পান। বর্তমানে তিনি সেই কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আছেন। অন্যদিকে, কনে তাসলিমা আক্তার তমা মান্দা মমিন শাহানা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।
বর সবুজ মিয়া বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমার বাবা-মা আমাকে হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করতে যাওয়ার কথা বলে আসছিলেন। সেই ইচ্ছে পূরণের জন্য আমিও কথা দিয়েছিলাম। কথামতো শ্বশুরবাড়িতে হেলিকপ্টারে চড়ে হাজির হই।’
সবুজ মিয়া আরও বলেন, ‘কিছু টাকা খরচ হলেও মা-বাবার ইচ্ছে পূরণ করতে পেরে আমি খুব খুশি।’
কনে তমা বলেন, ‘আমার বাড়ি থেকে ছেলের বাড়ির দূরত্ব মাত্র পাঁচ কিলোমিটার। অল্প দূরত্ব হওয়ায় বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর আকাশপথে একটু ঘুরে শ্বশুরবাড়িতে এসে আমরা নামি। এটি আমার জীবনের অন্যরকম অনুভূতি, যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’
বরের বন্ধু তৌহিদুল ইসলাম বাদল বলেন, ‘হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের ঘটনা আমাদের এলাকায় এটিই প্রথম। আমার জানামতে, এ এলাকায় হেলিকপ্টারে চড়ে এর আগে আর কারও বিয়ে হয়নি।’
বরের বাবা আনিসুর রহমানের বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছে ছিল ছেলেকে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে দেব। সেই ইচ্ছে পূরণ করতেই ভাড়া করা হেলিকপ্টার নিয়ে ছেলের বিয়ের আয়োজন করা হয়।’
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, ‘একটি বিয়ের জন্য মান্দা এস.সি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠে হেলিকপ্টার ল্যান্ড করা হবে, এমন একটি আবেদন আমরা পেয়েছিলাম। সেই মোতাবেক আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করি।’

নওগাঁর মান্দায় হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করে মা-বাবার ইচ্ছে ও স্বপ্ন পূরণ করলেন আবু আহম্মেদ আশরাফ সবুজ নামের এক যুবক। গতকাল শনিবার হেলিকপ্টারে চড়ে উপজেলার মেরুল্যা গ্রাম থেকে গিয়ে পার্শ্ববর্তী মহাদেবপুর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামে বিয়ে সম্পন্ন করেন তিনি।
বর আবু আহম্মেদ আশরাফ সবুজ মান্দা উপজেলার মেরুল্যা গ্রামের আনিসুর রহমানের ছেলে এবং কনে মহাদেবপুর উপজেলার বিনোদপুর গ্রামের তমিজ উদ্দিনের কলেজপড়ুয়া মেয়ে তাসলিমা আক্তার তমা।
জানা গেছে, মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারে সবুজের জন্ম। কিন্তু তাঁর মা-বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলে বড় হয়ে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে যাবেন। আর সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই হেলিকপ্টারে চড়েই বিয়ে সম্পন্ন করেন সবুজ। তাও আবার মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরত্বে।
এদিকে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়েকে কেন্দ্র করে এলাকায় কৌতূহলের সৃষ্টি হয়েছে। হেলিকপ্টার দেখতে বর ও কনের বাড়িতে হাজারো মানুষের ছিল উপচেপড়া ভিড়। এমন ব্যতিক্রমী বিয়ের আয়োজনে খুশি বর-কনের স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
বর সবুজ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিংয়ে বিবিএ ও এমবিএ শেষ করে একটি মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি পান। বর্তমানে তিনি সেই কোম্পানির এরিয়া ম্যানেজার হিসেবে ময়মনসিংহ জেলায় কর্মরত আছেন। অন্যদিকে, কনে তাসলিমা আক্তার তমা মান্দা মমিন শাহানা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।
বর সবুজ মিয়া বলেন, ‘ছোটবেলা থেকেই আমার বাবা-মা আমাকে হেলিকপ্টারে করে বিয়ে করতে যাওয়ার কথা বলে আসছিলেন। সেই ইচ্ছে পূরণের জন্য আমিও কথা দিয়েছিলাম। কথামতো শ্বশুরবাড়িতে হেলিকপ্টারে চড়ে হাজির হই।’
সবুজ মিয়া আরও বলেন, ‘কিছু টাকা খরচ হলেও মা-বাবার ইচ্ছে পূরণ করতে পেরে আমি খুব খুশি।’
কনে তমা বলেন, ‘আমার বাড়ি থেকে ছেলের বাড়ির দূরত্ব মাত্র পাঁচ কিলোমিটার। অল্প দূরত্ব হওয়ায় বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার পর আকাশপথে একটু ঘুরে শ্বশুরবাড়িতে এসে আমরা নামি। এটি আমার জীবনের অন্যরকম অনুভূতি, যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’
বরের বন্ধু তৌহিদুল ইসলাম বাদল বলেন, ‘হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের ঘটনা আমাদের এলাকায় এটিই প্রথম। আমার জানামতে, এ এলাকায় হেলিকপ্টারে চড়ে এর আগে আর কারও বিয়ে হয়নি।’
বরের বাবা আনিসুর রহমানের বলেন, ‘আমাদের ইচ্ছে ছিল ছেলেকে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে দেব। সেই ইচ্ছে পূরণ করতেই ভাড়া করা হেলিকপ্টার নিয়ে ছেলের বিয়ের আয়োজন করা হয়।’
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, ‘একটি বিয়ের জন্য মান্দা এস.সি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজ মাঠে হেলিকপ্টার ল্যান্ড করা হবে, এমন একটি আবেদন আমরা পেয়েছিলাম। সেই মোতাবেক আমরা পদক্ষেপ গ্রহণ করি।’

খুলনা-১ আসনে (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে আছেন ১০ প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী আমির এজাজ খান। আর সম্পদে এগিয়ে জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে সদ্য বিদায়ী বছরে অন্তত ৩৩টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনো উদঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে ৪২টি। ৭০টি অপমৃত্যুর মামলা করাসহ ১১০ জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শ্রীপুর থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
পাবনার সাঁথিয়ার কাশিনাথপুর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র এখন গণশৌচাগারে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন কয়েক শ মানুষ এখানে প্রস্রাব করার পাশাপাশি বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রতিষ্ঠানটিকে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কাজে ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে হরিজন (সুইপার) সম্প্রদায়ের আবাসস্
৬ ঘণ্টা আগে
সুন্দরবনে হরিণশিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে পড়েছিল বাঘটি। বন বিভাগের কর্মীরা গতকাল রোববার ‘ট্রানকুইলাইজার গান’ দিয়ে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন অবস্থায় বাঘটিকে উদ্ধার করেছেন। এরপর চিকিৎসার জন্য বাঘটিকে খুলনায় নিয়ে আসা হয়েছে খাঁচায় ভরে।
৭ ঘণ্টা আগে