বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে থানা থেকে ফেরার পথে খলিলুর রহমান (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার উপজেলার পৌর কাঁচাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
খলিলুর রহমান সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং উপজেলার চান্দিনা নোয়ারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
ভুক্তভোগীর ছোট ভাই আমিনুল ইসলাম বলেন, খলিলুর রহমানের সঙ্গে একই গ্রামের সাজেদুর রহমান সোনার জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এ-সংক্রান্তে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে গতকাল বিকেলে সারিয়াকান্দি থানায় সালিসি বৈঠক বসে।
বৈঠকে থানা-পুলিশ উভয় পক্ষকে আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে চলার পরামর্শ দেয় এবং এ নিয়ে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার পরামর্শ দেন। সালিস শেষে বিকেল ৪টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে পৌর এলাকার কাঁচাবাজার এলাকায় সাজেদুর রহমান সোনা ও তাঁর সহযোগীরা খলিলুর রহমানকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে সারিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে রাতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কিছুটা সুস্থ হলে সাজেদুর রহমান সোনাসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করব।’
এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত সাজেদুর রহমানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া যায়। সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘খলিলুর রহমান আওয়ামী লীগ নেতা কি না, তা জানি না। জমিজমা-সংক্রান্তে প্রতিবেশী সাজেদুর রহমানের সঙ্গে বিরোধ ছিল। সেই জমি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। গতকাল দুই পক্ষকে থানায় ডেকে শান্তি ভঙ্গ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। থানা থেকে চলে যাওয়ার পরে শুনেছি খলিলুর রহমানকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।’

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে থানা থেকে ফেরার পথে খলিলুর রহমান (৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার উপজেলার পৌর কাঁচাবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
খলিলুর রহমান সারিয়াকান্দি সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এবং উপজেলার চান্দিনা নোয়ারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
ভুক্তভোগীর ছোট ভাই আমিনুল ইসলাম বলেন, খলিলুর রহমানের সঙ্গে একই গ্রামের সাজেদুর রহমান সোনার জমিজমা-সংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। এ-সংক্রান্তে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে শান্তিশৃঙ্খলা ভঙ্গের আশঙ্কা দেখা দিলে গতকাল বিকেলে সারিয়াকান্দি থানায় সালিসি বৈঠক বসে।
বৈঠকে থানা-পুলিশ উভয় পক্ষকে আদালতের সিদ্ধান্ত মেনে চলার পরামর্শ দেয় এবং এ নিয়ে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার পরামর্শ দেন। সালিস শেষে বিকেল ৪টার দিকে বাড়ি ফেরার পথে পৌর এলাকার কাঁচাবাজার এলাকায় সাজেদুর রহমান সোনা ও তাঁর সহযোগীরা খলিলুর রহমানকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে সারিয়াকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে রাতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার ভাইয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক। কিছুটা সুস্থ হলে সাজেদুর রহমান সোনাসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করব।’
এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত সাজেদুর রহমানের মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করে বন্ধ পাওয়া যায়। সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘খলিলুর রহমান আওয়ামী লীগ নেতা কি না, তা জানি না। জমিজমা-সংক্রান্তে প্রতিবেশী সাজেদুর রহমানের সঙ্গে বিরোধ ছিল। সেই জমি নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। গতকাল দুই পক্ষকে থানায় ডেকে শান্তি ভঙ্গ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। থানা থেকে চলে যাওয়ার পরে শুনেছি খলিলুর রহমানকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে