নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী নগরীর দাসপুকুর এলাকায় রেললাইন ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছিল ঈদগাহের সীমানা প্রাচীর। আজ রোববার বিকেলে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিপাতে এই সীমানা প্রাচীর ধসে পড়েছে রেললাইনে। এতে দুটি ট্রেন আটকা পড়েছিল। যাত্রীরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। রেললাইন থেকে প্রাচীর সরানোর পর ট্রেন দুটি ছেড়ে গেছে প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরিতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়ক ও রেললাইনের মধ্যে দাসপুকুর এলাকার ঈদগাহ। রেললাইন ঘেঁষে এই ঈদগাহের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়। প্রাচীরের পাশে ভেতর দিকে উঁচু মাটি থাকলেও বাইরে রেললাইনের দিকে নিচে তেমন মাটিই ছিল না। ফলে তুমুল বৃষ্টির মধ্যে এই প্রাচীরের মধ্যে প্রায় ১০০ মিটার ধসে পড়ে। রেললাইনের দুটি পাতের ওপরেই পড়ে প্রাচীরের ইট। এতে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সীমানা প্রাচীরের যে অংশটি এখনো ধসে পড়েনি সেটুকু রাতে ভেঙে ফেলতে দেখা গেছে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রেললাইনে প্রাচীর ধসে পড়ার পর বিষয়টি রেল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। তখন ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়। আর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীমুখী কমিউটার ট্রেনকে কাঁকনহাট রেলওয়ে স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এবং রেলওয়ের কর্মীরা গিয়ে রেললাইনের ওপর থেকে দেয়ালের ইটগুলো সরান। এরপর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ‘রেলওয়ের প্রয়োজনে যে সিগন্যাল পোস্ট নির্মাণ করা হয়, সেটিই আমরা রেললাইন থেকে ৭ ফুট দূরে করি। আর এই ঈদগাহের সীমানা প্রাচীর অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল রেললাইন থেকে আড়াই ফুট দূরে। ফলে এই প্রাচীরের পুরোটিই এসে পড়ে রেললাইনের ওপর। এতে দুটি ট্রেন আড়াই ঘণ্টা আটকা থেকেছে। লাইন থেকে ইট অপসারণের পরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।’
অসীম কুমার আরও বলেন, ‘এই ঘটনায় রেলওয়ের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ঈদগাহ কমিটির সঙ্গে কথা বলেছি। যে অংশটুকু এখনো ধসে পড়েনি, সেটুকুও সরিয়ে নিতে বলেছি যেন এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। তারা দেয়াল সরিয়ে নিতে চেয়েছেন।’

রাজশাহী নগরীর দাসপুকুর এলাকায় রেললাইন ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছিল ঈদগাহের সীমানা প্রাচীর। আজ রোববার বিকেলে মাঝারি ধরনের ভারী বৃষ্টিপাতে এই সীমানা প্রাচীর ধসে পড়েছে রেললাইনে। এতে দুটি ট্রেন আটকা পড়েছিল। যাত্রীরা পড়েন চরম দুর্ভোগে। রেললাইন থেকে প্রাচীর সরানোর পর ট্রেন দুটি ছেড়ে গেছে প্রায় আড়াই ঘণ্টা দেরিতে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়ক ও রেললাইনের মধ্যে দাসপুকুর এলাকার ঈদগাহ। রেললাইন ঘেঁষে এই ঈদগাহের সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করা হয়। প্রাচীরের পাশে ভেতর দিকে উঁচু মাটি থাকলেও বাইরে রেললাইনের দিকে নিচে তেমন মাটিই ছিল না। ফলে তুমুল বৃষ্টির মধ্যে এই প্রাচীরের মধ্যে প্রায় ১০০ মিটার ধসে পড়ে। রেললাইনের দুটি পাতের ওপরেই পড়ে প্রাচীরের ইট। এতে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। সীমানা প্রাচীরের যে অংশটি এখনো ধসে পড়েনি সেটুকু রাতে ভেঙে ফেলতে দেখা গেছে।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, রেললাইনে প্রাচীর ধসে পড়ার পর বিষয়টি রেল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়। তখন ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনকে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়। আর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহীমুখী কমিউটার ট্রেনকে কাঁকনহাট রেলওয়ে স্টেশনে থামিয়ে রাখা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন এবং রেলওয়ের কর্মীরা গিয়ে রেললাইনের ওপর থেকে দেয়ালের ইটগুলো সরান। এরপর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহাব্যবস্থাপক অসীম কুমার তালুকদার বলেন, ‘রেলওয়ের প্রয়োজনে যে সিগন্যাল পোস্ট নির্মাণ করা হয়, সেটিই আমরা রেললাইন থেকে ৭ ফুট দূরে করি। আর এই ঈদগাহের সীমানা প্রাচীর অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছিল রেললাইন থেকে আড়াই ফুট দূরে। ফলে এই প্রাচীরের পুরোটিই এসে পড়ে রেললাইনের ওপর। এতে দুটি ট্রেন আড়াই ঘণ্টা আটকা থেকেছে। লাইন থেকে ইট অপসারণের পরে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।’
অসীম কুমার আরও বলেন, ‘এই ঘটনায় রেলওয়ের পক্ষ থেকে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। আমি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। ঈদগাহ কমিটির সঙ্গে কথা বলেছি। যে অংশটুকু এখনো ধসে পড়েনি, সেটুকুও সরিয়ে নিতে বলেছি যেন এই ধরনের ঘটনা আর না ঘটে। তারা দেয়াল সরিয়ে নিতে চেয়েছেন।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৬ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৯ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে