লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

২০১৯ সালে মাদক সেবনের অভিযোগে আটক হন নাটোরের লালপুরের বাকনাই গ্রামের মো. কিবরিয়া (৩৬), পুরোনো ঈশ্বরদী গ্রামের মো. মানিক (২৫) ও পাবনার ঈশ্বরদীর মাজদিয়া গ্রামের মনিরুল ইসলাম (২০)। লালপুর থানার মাদক মামলায় আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণে তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দোষী সাব্যস্ত হন। নাটোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ আট দফা শর্তে এক বছরের জন্য তাঁদের দায়মুক্তি আদেশ দেন।
নাটোরের লালপুরে আট শর্তে আদালতের আদেশে দায়মুক্তি (প্রবেশন) পেয়েছেন এমন ১৬জন অপরাধী। শর্ত ভঙ্গ করায় একজনের প্রবেশন বাতিল করা হয়েছে। জানা যায়, ‘বাংলাদেশ প্রবেশন অব অফেন্ডার্স’ বিধি মোতাবেক মাদক মামলায় দোষী সাব্যস্ত আসামিকে এই দায়মুক্তি দেন আদালত। অপরাধী প্রমাণিত হলেও সংশোধনের সুযোগ দিতে শর্তসাপেক্ষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এ রায় দেন আদালত।
দায়মুক্তির শর্তগুলো হলো, বৃদ্ধ মা-বাবার দেখাশোনা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করা, গ্রামের সরকারি রাস্তার পাশে বনজ ও ফলদ বৃক্ষরোপণ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়া, মাদক সেবন ও পরিবহন এবং বিক্রয় না করা, ধূমপান না করা, গ্রামের স্কুলে স্বেচ্ছাশ্রমে সেবামূলক কাজ করা, মাদকবিরোধী জনমত ও জনসচেতনতায় অংশগ্রহণ করা। এসব কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের একজন প্রবেশন কর্মকর্তার অধীন তাঁদের ন্যস্ত করা হয়।
দায়মুক্তির পর মো. কিবরিয়া বলেন, আদালতের শর্তগুলো পালন করা আমাদের দায়িত্ব। এতে সমাজের একজন ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারব।
নাটোর সমাজ সেবা দপ্তর সূত্রে জানা যায়, নাটোর জেলায় এ পর্যন্ত প্রবেশনে আছেন ১০৫জন। প্রবেশন মেয়াদ শেষ হয়েছে ২জনের। শর্ত ভঙ্গ করায় একজনের প্রবেশন বাতিল হয়েছে।
আইনজীবী দীনাই তাছরীন বলেন, সংশোধনে আগ্রহী যেসব অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই-তাঁদেরই মূলত দায়মুক্তির সুযোগ দেন আদালত। এ ক্ষেত্রে তাঁদেরকে দুজন অভিভাবক ও আইনজীবীর জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই আদেশে সমাজে মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টি হবে।
নাটোর সমাজ সেবা দপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা মো. তারিক এলাহী বলেন, প্রবেশনকালে তাদের খোঁজ খবর নেওয়া হয়। মেয়াদ শেষে তাদের মনিটরিং করা হয় না। প্রবেশনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দণ্ডিত অপরাধীকে কারাগারে না পাঠিয়ে বিভিন্ন শর্ত দিয়ে সমাজে বসবাস করার সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে সংশোধিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া। এতে কারাগারের ওপর চাপ কমে। দণ্ডিত ব্যক্তি একমাত্র উপার্জনক্ষম হলে পরিবারকে আর্থিক দৈন্যর হাত থেকে রক্ষা করেন। এতে একজন অপরাধী যদি নিজেকে মুক্ত করতে পারেন সেটিই বড় অর্জন।

২০১৯ সালে মাদক সেবনের অভিযোগে আটক হন নাটোরের লালপুরের বাকনাই গ্রামের মো. কিবরিয়া (৩৬), পুরোনো ঈশ্বরদী গ্রামের মো. মানিক (২৫) ও পাবনার ঈশ্বরদীর মাজদিয়া গ্রামের মনিরুল ইসলাম (২০)। লালপুর থানার মাদক মামলায় আদালতে সাক্ষ্যপ্রমাণে তাঁদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দোষী সাব্যস্ত হন। নাটোরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সাঈদ আট দফা শর্তে এক বছরের জন্য তাঁদের দায়মুক্তি আদেশ দেন।
নাটোরের লালপুরে আট শর্তে আদালতের আদেশে দায়মুক্তি (প্রবেশন) পেয়েছেন এমন ১৬জন অপরাধী। শর্ত ভঙ্গ করায় একজনের প্রবেশন বাতিল করা হয়েছে। জানা যায়, ‘বাংলাদেশ প্রবেশন অব অফেন্ডার্স’ বিধি মোতাবেক মাদক মামলায় দোষী সাব্যস্ত আসামিকে এই দায়মুক্তি দেন আদালত। অপরাধী প্রমাণিত হলেও সংশোধনের সুযোগ দিতে শর্তসাপেক্ষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এ রায় দেন আদালত।
দায়মুক্তির শর্তগুলো হলো, বৃদ্ধ মা-বাবার দেখাশোনা ও ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করা, গ্রামের সরকারি রাস্তার পাশে বনজ ও ফলদ বৃক্ষরোপণ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়া, মাদক সেবন ও পরিবহন এবং বিক্রয় না করা, ধূমপান না করা, গ্রামের স্কুলে স্বেচ্ছাশ্রমে সেবামূলক কাজ করা, মাদকবিরোধী জনমত ও জনসচেতনতায় অংশগ্রহণ করা। এসব কর্মকাণ্ড পর্যবেক্ষণের জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের একজন প্রবেশন কর্মকর্তার অধীন তাঁদের ন্যস্ত করা হয়।
দায়মুক্তির পর মো. কিবরিয়া বলেন, আদালতের শর্তগুলো পালন করা আমাদের দায়িত্ব। এতে সমাজের একজন ভালো মানুষ হয়ে উঠতে পারব।
নাটোর সমাজ সেবা দপ্তর সূত্রে জানা যায়, নাটোর জেলায় এ পর্যন্ত প্রবেশনে আছেন ১০৫জন। প্রবেশন মেয়াদ শেষ হয়েছে ২জনের। শর্ত ভঙ্গ করায় একজনের প্রবেশন বাতিল হয়েছে।
আইনজীবী দীনাই তাছরীন বলেন, সংশোধনে আগ্রহী যেসব অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা নেই-তাঁদেরই মূলত দায়মুক্তির সুযোগ দেন আদালত। এ ক্ষেত্রে তাঁদেরকে দুজন অভিভাবক ও আইনজীবীর জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। আদালতের এই আদেশে সমাজে মাদকবিরোধী জনসচেতনতা সৃষ্টি হবে।
নাটোর সমাজ সেবা দপ্তরের প্রবেশন কর্মকর্তা মো. তারিক এলাহী বলেন, প্রবেশনকালে তাদের খোঁজ খবর নেওয়া হয়। মেয়াদ শেষে তাদের মনিটরিং করা হয় না। প্রবেশনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে দণ্ডিত অপরাধীকে কারাগারে না পাঠিয়ে বিভিন্ন শর্ত দিয়ে সমাজে বসবাস করার সুযোগ প্রদানের মাধ্যমে সংশোধিত হওয়ার সুযোগ দেওয়া। এতে কারাগারের ওপর চাপ কমে। দণ্ডিত ব্যক্তি একমাত্র উপার্জনক্ষম হলে পরিবারকে আর্থিক দৈন্যর হাত থেকে রক্ষা করেন। এতে একজন অপরাধী যদি নিজেকে মুক্ত করতে পারেন সেটিই বড় অর্জন।

হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী মাওলানা মো. গিয়াস উদ্দিন তাহেরীর প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার সম্পদ আছে। তাঁর আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা, কৃষি এবং ব্যাংক আমানতের মুনাফা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামার তথ্য বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
৫ মিনিট আগে
তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় কাবু হয়ে পড়েছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের জনজীবন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
৭ মিনিট আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে গতকাল সোমবার রাতে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান চলাকালে শামসুজ্জামান ডাবলু (৫২) নামের এক বিএনপি নেতা মারা গেছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় বিএনপি নেতা-কর্মীদের অভিযোগ, নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে ডাবলুর।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব ধরনের নির্বাচন আয়োজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং ২০ জানুয়ারি শাকসু নির্বাচনের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি)।
২ ঘণ্টা আগে