নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় দেয়ালে দেয়ালে লেখা হয়েছে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। গত শুক্রবার সকাল থেকে লেখাগুলো নজরে আসে। এরপর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্র ও শনিবার মিছিল-সমাবেশ করেছেন বিএনপি ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা।
শনিবার রাত থেকে বাগমারায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের ধরপাকড়ে জোর দেওয়া হয়। এক রাতে ১০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারও করা হয়। পুলিশ বলছে, তারা ৫ আগস্টের হামলা মামলার ‘তদন্তে প্রাপ্ত’ আসামি। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখার সঙ্গে তাঁদের গ্রেপ্তারের সম্পর্ক নেই।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার ঝিকড়া ইউনিয়নের মদাখালি বাজারে অভিযান চালিয়ে চায়ের দোকানি মকছেদ আলী (৪৮), বড় বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু বাক্কার (৪৪) এবং আওয়ামী লীগকর্মী জাহাঙ্গীর আলমকে (৫৬) গ্রেপ্তার করা হয়।
রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন, শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ ফরিদুল রিপন (৩৫), ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন (৩০), মাড়িয়া ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামাল হোসেন (৪৫), হামিরকুৎসা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিমুল হক রিকো (৩২), তাহেরপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন (৪৮), শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য শরীফ মাহমুদ (৩২) ও ঝিকড়া যুবলীগের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম (২৪)।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার হামলায় তারা ‘সন্দিগ্ধ’ আসামি। ‘তদন্তে প্রাপ্ত’ আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওসি বলেন, দেয়ালে দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখার কারণে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। এটা নিয়ে থানায় কোনো মামলাও হয়নি। তবে কারা দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লিখেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় দেয়ালে দেয়ালে লেখা হয়েছে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান। গত শুক্রবার সকাল থেকে লেখাগুলো নজরে আসে। এরপর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্র ও শনিবার মিছিল-সমাবেশ করেছেন বিএনপি ও যুবদলের নেতা-কর্মীরা।
শনিবার রাত থেকে বাগমারায় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের ধরপাকড়ে জোর দেওয়া হয়। এক রাতে ১০ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারও করা হয়। পুলিশ বলছে, তারা ৫ আগস্টের হামলা মামলার ‘তদন্তে প্রাপ্ত’ আসামি। ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখার সঙ্গে তাঁদের গ্রেপ্তারের সম্পর্ক নেই।
থানা সূত্রে জানা গেছে, গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার ঝিকড়া ইউনিয়নের মদাখালি বাজারে অভিযান চালিয়ে চায়ের দোকানি মকছেদ আলী (৪৮), বড় বিহানালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবু বাক্কার (৪৪) এবং আওয়ামী লীগকর্মী জাহাঙ্গীর আলমকে (৫৬) গ্রেপ্তার করা হয়।
রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁরা হলেন, শ্রীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শেখ ফরিদুল রিপন (৩৫), ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আলমগীর হোসেন (৩০), মাড়িয়া ইউপির ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামাল হোসেন (৪৫), হামিরকুৎসা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিমুল হক রিকো (৩২), তাহেরপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন (৪৮), শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন যুবলীগের সদস্য শরীফ মাহমুদ (৩২) ও ঝিকড়া যুবলীগের সদস্য জাহাঙ্গীর আলম (২৪)।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ওপর হামলার হামলায় তারা ‘সন্দিগ্ধ’ আসামি। ‘তদন্তে প্রাপ্ত’ আসামি হিসেবে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ওসি বলেন, দেয়ালে দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখার কারণে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। এটা নিয়ে থানায় কোনো মামলাও হয়নি। তবে কারা দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লিখেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
৯ মিনিট আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
১২ মিনিট আগে
কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে