রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক ছাত্রীকে বন্ধুদের দিয়ে ধর্ষণের হুমকির প্রতিবাদে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
আজ রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে প্যারিস রোডে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে তাঁরা এ দাবি জানান।
মানববন্ধনে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তৃতীয় ব্যাচের মিনহাজ উদ্দিন মামুন বলেন, ‘একজন মেয়ে হয়ে কীভাবে একজন জুনিয়র মেয়েকে বন্ধুদের দিয়ে গণধর্ষণের হুমকি দয়! যাদের মুখ থেকে ধর্ষণের হুমকি আসে, তাদের সিনিয়র ভাই-বোন বলতে লজ্জাবোধ করি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীম হোসেন বলেন, ‘সিনিয়র কর্তৃক জুনিয়রকে শারীরিক নির্যাতনসহ গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত লজ্জার ও পরিতাপের বিষয়। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী যেন এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়, সে জন্য আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ হোসেন বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য দুঃখজনক। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তদন্ত হওয়ার কোনো আভাস পাচ্ছি না। আমরা যেন এটা ভুলে না যাই। সিনিয়র কর্তৃক র্যাগিংয়ের শিকার যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে, অভিযুক্তরা যাতে আর সাহস না পায়, সে জন্য অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
মানববন্ধনে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী তামিম আল নূরের সঞ্চালনায় মিনহাজ, নাহিদ, দিপু, মিঠু নন্দী, শামিম ও উৎপল বক্তব্য দেন। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক ছাত্রীকে গালিগালাজ, শারীরিক নির্যাতন ও বন্ধুদের দিয়ে গণধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তিন ছাত্রলীগ নেতা-নেত্রীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন মন্নুজান হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আতিফা হক শেফা ও আরেক সহসভাপতি তাজনোভা থিমী ও সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আতিকুর রহমান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রধান আকতার বানুর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক ছাত্রীকে বন্ধুদের দিয়ে ধর্ষণের হুমকির প্রতিবাদে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।
আজ রোববার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে প্যারিস রোডে আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে তাঁরা এ দাবি জানান।
মানববন্ধনে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তৃতীয় ব্যাচের মিনহাজ উদ্দিন মামুন বলেন, ‘একজন মেয়ে হয়ে কীভাবে একজন জুনিয়র মেয়েকে বন্ধুদের দিয়ে গণধর্ষণের হুমকি দয়! যাদের মুখ থেকে ধর্ষণের হুমকি আসে, তাদের সিনিয়র ভাই-বোন বলতে লজ্জাবোধ করি। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
পঞ্চম ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীম হোসেন বলেন, ‘সিনিয়র কর্তৃক জুনিয়রকে শারীরিক নির্যাতনসহ গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত লজ্জার ও পরিতাপের বিষয়। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষার্থী যেন এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর সাহস না পায়, সে জন্য আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।’
তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাহিদ হোসেন বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা আমাদের জন্য দুঃখজনক। লিখিত অভিযোগ দেওয়ার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও তদন্ত হওয়ার কোনো আভাস পাচ্ছি না। আমরা যেন এটা ভুলে না যাই। সিনিয়র কর্তৃক র্যাগিংয়ের শিকার যাতে ভবিষ্যতে আর না ঘটে, অভিযুক্তরা যাতে আর সাহস না পায়, সে জন্য অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।’
মানববন্ধনে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী তামিম আল নূরের সঞ্চালনায় মিনহাজ, নাহিদ, দিপু, মিঠু নন্দী, শামিম ও উৎপল বক্তব্য দেন। এতে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এক ছাত্রীকে গালিগালাজ, শারীরিক নির্যাতন ও বন্ধুদের দিয়ে গণধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তিন ছাত্রলীগ নেতা-নেত্রীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তরা হলেন মন্নুজান হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আতিফা হক শেফা ও আরেক সহসভাপতি তাজনোভা থিমী ও সোহরাওয়ার্দী হল শাখা ছাত্রলীগের সহসভাপতি আতিকুর রহমান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী ২৭ ফেব্রুয়ারি দুপুরে তদন্ত কমিটির প্রধান আকতার বানুর কাছে লিখিত অভিযোগ দেন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৪ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩৭ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে