
বেহাল দশা কাটছে না রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) অধীন ১২টি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কর্মীদের। সাত মাসের বেতন বকেয়া তাঁদের। এর আগে যে বেতন তাঁরা পেতেন, সাত মাস আগে তা অর্ধেকে নামিয়ে আনা হয়। কিন্তু কমানো সেই বেতনও মিলছে না। ফলে পরিবার-পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন এসব কর্মী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে যৌথভাবে রাসিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলো পরিচালনা করে। এর মধ্যে ঢাকা আহছানিয়া মিশন নগরের কাশিয়াডাঙ্গায় দুটি এবং টুলিটুলিপাড়া, কাদিরগঞ্জ ও সপুরায় একটি করে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও মাতৃসদন পরিচালনা করে। অন্য ছয়টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র পরিচালনা করে নারী মৈত্রী নামের একটি বেসরকারি সংস্থা। সেগুলো নগরের পঞ্চবটি, কাজলা, ডাঁশমারী, বুধপাড়া, মেহেরচণ্ডি ও টিকাপাড়া এলাকায় অবস্থিত।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, নারী মৈত্রীর অধীনে স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও মাতৃসদনগুলোতে কর্মী রয়েছেন ১৪৪ জন। আর ঢাকা আহছানিয়া মিশনের অধীনে ১০০ জন। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর থেকে সংস্থা দুটি এগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পায়। স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া থেকে প্রাপ্ত সার্ভিস চার্জ, সরকারি অনুদান ও সিটি করপোরেশনের দেওয়া টাকায় এগুলো পরিচালনা করা হয়। আয়ের এসব উৎস থেকে কর্মীদের বেতন দেওয়া হয়ে থাকে।
কর্মীরা জানান, আগে অ্যাডমিন পদে ২২ হাজার, পিয়ন, আয়া ও নৈশপ্রহরী পদে ১৬ হাজার ১০০; মাঠকর্মী ও ফ্যামিলি প্ল্যানিং কর্মীদের ১৯ হাজার; প্যারামেডিক, ল্যাব সহকারী ও কাউন্সিলরদের ২৭ হাজার এবং চিকিৎসকদের ৪৮ হাজার টাকা বেতন ছিল। হঠাৎ গত জুলাইয়ে সবার বেতন প্রায় অর্ধেক করে দেওয়া হয়। এখন অ্যাডমিন পদে ১৩ হাজার ৪০০, পিয়ন, আয়া ও প্রহরীদের ১৩ হাজার, প্যারামেডিক, ল্যাব সহকারী ও কাউন্সিলরদের ১৩ হাজার টাকা দেওয়ার কথা। কিন্তু তা-ও সাত মাস ধরে কেউ পাননি।
নগরের মেহেরচণ্ডি নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের অ্যাডমিন নীল মাধব সাহা বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন ধরে চাকরি করছি। আগেও অন্য এনজিও এগুলো পরিচালনা করেছে। তখন আমাদের বেতন কমেনি, বরং নির্দিষ্ট সময় পরপর বেড়েছে। কিন্তু নারী মৈত্রী দায়িত্বে আসার পর গত বছরের জুলাইয়ে হঠাৎ বেতন কমিয়ে অর্ধেক করে দেয়। সেই বেতনও সাত মাস ধরে পাইনি। এখন আমরা অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন করছি।’
নগরের ডাঁশমারী নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের নৈশপ্রহরী তানু মিয়া বলেন, ‘আমি চাকরি করি ২০০৫ সাল থেকে। তারপর বেতন সময় সময় বেড়ে ১৬ হাজার ১০০ টাকা হয়েছিল। গত বছর হঠাৎ বেতন কমিয়ে ৯ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এখন এই বেতনও সাত মাস ধরে পাইনি। দোকানে বহু টাকা বাকি হয়ে গেছে। অনেকে বাড়িভাড়া দিতে পারছে না। খুব সমস্যায় আছি।’
জানতে চাইলে ঢাকা আহছানিয়া মিশনের স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ ফোনে কোনো কথা বলবেন না জানিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যান। নারী মৈত্রীর স্থানীয় প্রকল্প ব্যবস্থাপক মনিরুজ্জামান মোড়ল বলেন, ‘বেশি বেতন তো ২০১৯ সাল থেকে আমরাও দিয়েছি। পরিস্থিতি বিবেচনায় সবার বেতন কমেছে। আমরাও অর্ধেক বেতনেই চাকরি করছি।’
সাত মাস ধরে বেতন না দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরুজ্জামান বলেন, ‘প্রসেস চলছে। দু-এক দিনের মধ্যে তিন মাসের বেতন আমরা দিয়ে দেব। বকেয়া বাকিটা ধীরে ধীরে দেওয়া হবে।’
রাসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. এফ এ এম আঞ্জুমান আরা বেগম বলেন, ‘আমরা দুটি এনজিওকে ৩০ লাখ টাকার চেক দিয়েছি কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য। দু-এক দিনের মধ্যে তারা কর্মীদের তিন মাসের বেতন দিতে পারবে।’

সেলিমের ছেলে অন্তরের সঙ্গে এলাকার সজল, শাওন, ফাহাদ, রিয়াজসহ কয়েকজন কিশোরের সিনিয়র–জুনিয়র বিষয় নিয়ে বিরোধ ছিল। শনিবার দুপুরে এ নিয়ে মোবাইলে অন্তর ও সজলের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে সন্ধ্যায় সজল তাঁর সহযোগীদের নিয়ে সেলিমের বাড়ির সামনে এলে অন্তর বাইরে বের হয়ে আসেন।
১ ঘণ্টা আগে
দর্শনার্থী জসিম উদ্দিন বলেন, ‘বলীখেলা আমাদের ঐতিহ্যের একটি বড় অংশ। প্রতিযোগীদের শক্তি আর কৌশলের লড়াই খুবই উপভোগ করেছি। এমন আয়োজন নিয়মিত হলে ভালো লাগবে।’
১ ঘণ্টা আগে
মহতরপাড়া এলাকার জুয়েল নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে কিছুদিন আগে ফাজিলখার হাট এলাকায় মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন ওই ব্যক্তি। শনিবার রাতে বড় উঠান এলাকায় মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় তাঁকে ধাওয়া দিলে একটি অটোরিকশার সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনি সড়কে পড়ে যান।
২ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানা এলাকায় গাছ, বাঁশ, বালু কিংবা মাটি পরিবহনের ক্ষেত্রে চাঁদাবাজি যেন অলিখিত নিয়মে পরিণত হয়েছে। এই চাঁদার কারবার চলে থানার ওসির নামে। প্রতি মাসে আদায় হয় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। এর মধ্যে ২ লাখ টাকা যায় ফটিকছড়ি থানার ওসি মুহাম্মদ সেলিমের পকেটে। চাঁদা আদায়ের বিষয়টি স্বীকার করেছেন...
৭ ঘণ্টা আগে