প্রতিনিধি, সারিয়াকান্দি (বগুড়া)

ভেঙে যাওয়া সারিয়াকান্দি-সোনাতলা সড়কের বিকল্প রাস্তাটি মেরামত করা হয়েছে। সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাসেল মিয়ার উদ্যোগে রাস্তাটি মেরামত করা হয়।
জানা যায়, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর বিষয়টি সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে নিয়ে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করেন। পরে গত বুধবার রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শেষ হয়। এতে রাস্তাটি দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। চার চাকার যানবাহন এখন অনায়াসেই যাতায়াত করছে। ফলে রাস্তাটি তার স্বাভাবিক রূপ ফিরে পেয়েছে। এর ফলে উত্তর সারিয়াকান্দির ৩টি ইউনিয়নের প্রায় ২২টি গ্রামের মানুষ যানবাহন নিয়ে সহজেই চলাচল করতে পারছেন।
বর্তমানে রাস্তাটি দিয়ে সারিয়াকান্দি সদর, হাটশেরপুর, চালুয়াবাড়ী এবং কাজলাসহ চারটি ইউনিয়নের উত্তর হিন্দুকান্দি, পারতিতপরল, নিজতিত পরল, অন্তার পাড়া, চান্দিনা নোয়ারপাড়া, রামকৃষ্ণপুর, ভেগিরপাড়া, হাসনাপাড়া, শেরপুর, ভেড়ামাড়া, আউচারপাড়া, নিজবলাইল, বলাইল, শিমুলতাইড়, সুজনের পাড়া, চালকান্দি, সাহানবান্দা, হাটবাড়ী গ্রামসহ প্রায় ২২টি গ্রামের লোকজন তাঁদের নানা ধরনের যানগুলো নিয়ে অনায়াসেই যাতায়াত করছেন। রাস্তা দিয়ে ইজিবাইক, অটোরিকশা, ভ্যান, রিকশা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, পিকআপ, ট্রাক, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, ঘোড়ার গাড়িসহ সকল প্রকার যানবাহন অনায়াসেই যাতায়াত করতে পারছে।
মাইক্রোবাস ড্রাইভার মালেক মিয়া বলেন, রাস্তাটি মেরামত করাতে আমাদের ৪ চাকার যানগুলো নিয়ে আমরা সহজেই চলাচল করতে পারছি। অতি দ্রুত এটি মেরামত করে দেওয়ায় আমি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।
স্থানীয় শাহজাহান কবির টুটুল বলেন, রাস্তাটি এখন তার পূর্বের রূপ ফিরে পেয়েছে। যানচলাচল স্বাভাবিক হওয়াতে আমরা সহজেই সারিয়াকান্দি উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে পারছি।
সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশল লিয়াকত আলী বলেন, রাস্তাটি মেরামত করার বিষয়ে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। অবশেষে রাস্তাটি মেরামত করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন।
এ বিষয়ে মো. রাসেল মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আমার বিষয়টি নজরে আসে। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে রাস্তাটি মেরামত করে দেওয়া হয়েছে।

ভেঙে যাওয়া সারিয়াকান্দি-সোনাতলা সড়কের বিকল্প রাস্তাটি মেরামত করা হয়েছে। সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. রাসেল মিয়ার উদ্যোগে রাস্তাটি মেরামত করা হয়।
জানা যায়, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচারের পর বিষয়টি সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নজরে আসে। তিনি তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে নিয়ে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করেন। পরে গত বুধবার রাস্তাটি সংস্কারের কাজ শেষ হয়। এতে রাস্তাটি দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। চার চাকার যানবাহন এখন অনায়াসেই যাতায়াত করছে। ফলে রাস্তাটি তার স্বাভাবিক রূপ ফিরে পেয়েছে। এর ফলে উত্তর সারিয়াকান্দির ৩টি ইউনিয়নের প্রায় ২২টি গ্রামের মানুষ যানবাহন নিয়ে সহজেই চলাচল করতে পারছেন।
বর্তমানে রাস্তাটি দিয়ে সারিয়াকান্দি সদর, হাটশেরপুর, চালুয়াবাড়ী এবং কাজলাসহ চারটি ইউনিয়নের উত্তর হিন্দুকান্দি, পারতিতপরল, নিজতিত পরল, অন্তার পাড়া, চান্দিনা নোয়ারপাড়া, রামকৃষ্ণপুর, ভেগিরপাড়া, হাসনাপাড়া, শেরপুর, ভেড়ামাড়া, আউচারপাড়া, নিজবলাইল, বলাইল, শিমুলতাইড়, সুজনের পাড়া, চালকান্দি, সাহানবান্দা, হাটবাড়ী গ্রামসহ প্রায় ২২টি গ্রামের লোকজন তাঁদের নানা ধরনের যানগুলো নিয়ে অনায়াসেই যাতায়াত করছেন। রাস্তা দিয়ে ইজিবাইক, অটোরিকশা, ভ্যান, রিকশা, মোটরসাইকেল, সিএনজি, পিকআপ, ট্রাক, প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, ঘোড়ার গাড়িসহ সকল প্রকার যানবাহন অনায়াসেই যাতায়াত করতে পারছে।
মাইক্রোবাস ড্রাইভার মালেক মিয়া বলেন, রাস্তাটি মেরামত করাতে আমাদের ৪ চাকার যানগুলো নিয়ে আমরা সহজেই চলাচল করতে পারছি। অতি দ্রুত এটি মেরামত করে দেওয়ায় আমি প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।
স্থানীয় শাহজাহান কবির টুটুল বলেন, রাস্তাটি এখন তার পূর্বের রূপ ফিরে পেয়েছে। যানচলাচল স্বাভাবিক হওয়াতে আমরা সহজেই সারিয়াকান্দি উপজেলা সদরে যাতায়াত করতে পারছি।
সারিয়াকান্দি উপজেলা প্রকৌশল লিয়াকত আলী বলেন, রাস্তাটি মেরামত করার বিষয়ে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। অবশেষে রাস্তাটি মেরামত করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার যথেষ্ট সহযোগিতা করেছেন।
এ বিষয়ে মো. রাসেল মিয়া আজকের পত্রিকাকে বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর আমার বিষয়টি নজরে আসে। তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়ে রাস্তাটি মেরামত করে দেওয়া হয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে