
জামায়াতে ইসলামীতে সদ্য যোগদানকারী অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামান বলেছেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। জামায়াতে ইসলামীতে কেউ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী বা স্বাধীনতাবিরোধী নয়। মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে জামায়াতের নেতাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। পূর্বপুরুষদের কৃতকর্মের জন্য পরবর্তী প্রজন্মকে দায়ী করা যায় না, এ কথা ধর্মগ্রন্থেও উল্লেখ রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে নাটোর সদর উপজেলার বড় হরিশপুর এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত রোকন সমাবেশে এসব কথা বলেন আখতারুজ্জামান।
আখতারুজ্জামান বলেন, রাজাকারেরা মুক্তিযুদ্ধকালে রাস্তাঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট পাহারা দিত। রাজাকার, আলবদর ও আলশামস ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর সহযোগী সংগঠন এবং তারা আত্মসমর্পণের পর পাকিস্তানে ফিরে গেছে। বর্তমানে বাংলাদেশে কোনো রাজাকার নেই।
আখতারুজ্জামান আরও বলেন, ‘আমাদের শত্রু ছিল পাকিস্তানি বাহিনী; জামায়াতে ইসলামী নয়। জামায়াতে ইসলামীতে কেউ মুক্তিযুদ্ধবিরোধী বা স্বাধীনতাবিরোধী নয়। আমরা কেউ স্বাধীনতাবিরোধী নই। এসব অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ গড়ে তুলতে হবে।’
রোকন সমাবেশে জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মীর নুরুল ইসলাম, নাটোর-২ সদর আসনের জামায়াত প্রার্থী ইউনুস আলীসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাদেকুর রহমান জানান, এ বছর জামায়াতের নিজস্ব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে নারীসহ ১১৭ জন রোকন শপথ নিয়েছেন। নাটোরে দেড় হাজারের বেশি রোকন রয়েছেন।

অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে ঘটনাস্থলে থাকা গণমাধ্যমকর্মীরা ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাতে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারণ করা ভিডিও মুছে ফেলতে গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চাপ দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
৬ মিনিট আগে
নাজমার ভাষ্য, আগুন লাগার পর হাসপাতালের ভেতরে লোকজন ছোটাছুটি শুরু করলে কুলসুম ছেলে ও মেয়েকে নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার চেষ্টা করেন। মিম আগে বের হয়ে যায়। পরে ফিরে এসে দেখে, লোকজন তাঁর ভাই স্বাধীনকে টেনে বের করছেন; কিন্তু মাকে পাওয়া যাচ্ছে না।
১২ মিনিট আগে
রাজধানী ঢাকায় প্রায় প্রতিদিনই অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার হচ্ছে। পরে পরিচয় শনাক্ত হওয়া মরদেহ মর্গ থেকে নিয়ে যান স্বজনেরা। পরিচয় শনাক্ত না হওয়া মরদেহগুলো পড়ে থাকে মর্গে ‘বেওয়ারিশ’ হিসেবে। পরে এসব মরদেহ দাফন ও সৎকারের জন্য হস্তান্তর করা হয় আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে।
৬ ঘণ্টা আগে
‘হাকালুকি হাওরে আগের মতো মাছ মেলে না। হাওরের পানির নিচে হাত দিলেই শুধু প্লাস্টিক হাতে আসে। হাওরের গভীরতা অনেকটাই কমে গেছে। আগে যে জায়গায় ১৫-২০ ফুট গভীর পর্যন্ত পানি ছিল, এখন সেই জায়গায় মাত্র ৫-৭ ফুট। পলিমাটি ও বালু এসে ধীরে ধীরে বিলগুলো ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সরকারিভাবে হাওর রক্ষার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
৬ ঘণ্টা আগে