প্রতিনিধি, তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ)

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অভিযান চালিয়ে অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদ করেছেন তাড়াশ উপজেলার মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মশগুল আজাদ।
আজ মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকালে অভিযান চালিয়ে উপজেলার তালম ইউনিয়নের কলামুলা ভাদাই ব্রিজ থেকে তালম নাগোড় পাড়া পর্যন্ত ভদ্রাবতী নদীতে পাতা ১১টি স্থানে অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদ করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করেন স্থানীয় তালম ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান হিরনসহ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও সাধারণ জনগণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের কলামুলা ভাদাই ব্রিজ থেকে তালম নাগোড় পাড়া পর্যন্ত ভদ্রাবতী নদীর ১১টি স্থানে অবৈধ সোতি জালের কারণে পানি প্রবাহের পথে বাঁধা সৃষ্টি হয়। এতে ওই এলাকার ১৫টি গ্রামের ফসলি মাঠে বৃষ্টির পানি জমে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্ট হয়। এই কারণে ওই এলাকার কৃষকদের ফসলি মাঠে রোপা আমন ধান চাষ ব্যাহত হওয়ায় তাঁরা তাড়াশ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, স্টাফ ও এলাকার কৃষক-জনতার সমন্বয়ে ওই অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদ করা হয়।
তালম ইউনিয়নের কোলাকুপা গ্রামের আবু সাঈদ সরকার বলেন, অবৈধ সুতিজাল উচ্ছেদ করায় আমরা অত্যন্ত খুশি হয়েছি। তবে আরও কিছুদিন আগে যদি উচ্ছেদ করা হতো তাহলে আমাদের ফসলের ক্ষতি হতো না।
নামা সিলোট গ্রামের আলহাজ্ব মো. মোফাজ্জল হোসেন জানান, সোতি জাল থাকার কারণে আমরা ধান রোপণ করতে পারছি না। আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখন কৃষকদের রোপা আমন ধান চাষ করতে কোন সমস্যা হবে না। এ জন্য আমরা এলাকাবাসী অনেক আনন্দিত।
নামা সিলোট গ্রামের আরেক কৃষক সাইদুর রহমান বলেন, সোতি জালে পানি আটকানোর ফলে এলাকার মানুষের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদের ফলে আর কোন দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। এখন আর কোন কষ্ট করতেও হবে না।
এই বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্বাস-উজ-জামান বলেন, এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করতে অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদ করা হয়েছে। এলাকার কৃষকেরা এখন সহজেই রোপা জাতের আমন ধান আবাদ করতে পারবেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশগুল আজাদ বলেন, অবৈধ সোতি জাল দিয়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ। সোতি জাল উচ্ছেদের অভিযান শুরু হয়েছে। এ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে অভিযান চালিয়ে অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদ করেছেন তাড়াশ উপজেলার মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মশগুল আজাদ।
আজ মঙ্গলবার (৬ জুলাই) সকালে অভিযান চালিয়ে উপজেলার তালম ইউনিয়নের কলামুলা ভাদাই ব্রিজ থেকে তালম নাগোড় পাড়া পর্যন্ত ভদ্রাবতী নদীতে পাতা ১১টি স্থানে অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদ করা হয়।
উচ্ছেদ অভিযানে সহযোগিতা করেন স্থানীয় তালম ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান হিরনসহ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও সাধারণ জনগণ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তাড়াশ উপজেলার তালম ইউনিয়নের কলামুলা ভাদাই ব্রিজ থেকে তালম নাগোড় পাড়া পর্যন্ত ভদ্রাবতী নদীর ১১টি স্থানে অবৈধ সোতি জালের কারণে পানি প্রবাহের পথে বাঁধা সৃষ্টি হয়। এতে ওই এলাকার ১৫টি গ্রামের ফসলি মাঠে বৃষ্টির পানি জমে কৃত্রিম জলাবদ্ধতার সৃষ্ট হয়। এই কারণে ওই এলাকার কৃষকদের ফসলি মাঠে রোপা আমন ধান চাষ ব্যাহত হওয়ায় তাঁরা তাড়াশ উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা, স্টাফ ও এলাকার কৃষক-জনতার সমন্বয়ে ওই অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদ করা হয়।
তালম ইউনিয়নের কোলাকুপা গ্রামের আবু সাঈদ সরকার বলেন, অবৈধ সুতিজাল উচ্ছেদ করায় আমরা অত্যন্ত খুশি হয়েছি। তবে আরও কিছুদিন আগে যদি উচ্ছেদ করা হতো তাহলে আমাদের ফসলের ক্ষতি হতো না।
নামা সিলোট গ্রামের আলহাজ্ব মো. মোফাজ্জল হোসেন জানান, সোতি জাল থাকার কারণে আমরা ধান রোপণ করতে পারছি না। আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। এখন কৃষকদের রোপা আমন ধান চাষ করতে কোন সমস্যা হবে না। এ জন্য আমরা এলাকাবাসী অনেক আনন্দিত।
নামা সিলোট গ্রামের আরেক কৃষক সাইদুর রহমান বলেন, সোতি জালে পানি আটকানোর ফলে এলাকার মানুষের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদের ফলে আর কোন দুর্ভোগ পোহাতে হবে না। এখন আর কোন কষ্ট করতেও হবে না।
এই বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আব্বাস-উজ-জামান বলেন, এলাকার মানুষের দুর্ভোগ লাঘব করতে অবৈধ সোতি জাল উচ্ছেদ করা হয়েছে। এলাকার কৃষকেরা এখন সহজেই রোপা জাতের আমন ধান আবাদ করতে পারবেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মশগুল আজাদ বলেন, অবৈধ সোতি জাল দিয়ে মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষেধ। সোতি জাল উচ্ছেদের অভিযান শুরু হয়েছে। এ উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে