রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হল প্রাধ্যক্ষের উপস্থিতিতে এক ছাত্রীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে দুই ছাত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রাধ্যক্ষের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম কাজী সুমাইয়া আক্তার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ৫০১ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী। অভিযুক্তরা হলেন স্মৃতি বালা ও নুরুন্নাহার দোলন। স্মৃতি বালা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। দোলন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি পানি গরমের হাঁড়ি নিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে দোলনের কথা-কাটাকাটি হয়। এতে দোলন ক্ষিপ্ত হয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ‘বেয়াদবি’র অজুহাতে তাঁর সিট বাতিল করে গণরুমে দেওয়ার জন্য হল প্রাধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদনপত্র জমা দেন। ছাত্রলীগ নেত্রী স্মৃতির ভয় দেখিয়ে আবেদনপত্রে তিনি ব্লকের ছাত্রীদের স্বাক্ষর নেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে হল প্রাধ্যক্ষ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে গণরুমে স্থানান্তর করেন।
তবে হল প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে ব্লকের শিক্ষার্থীরা হল প্রাধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদন দিতে গেলে হলের আবাসিক শিক্ষকেরা বলেন, ‘সিদ্ধান্ত যা হয়েছে তাই বহাল থাকবে।’ যদিও পরে তাঁরা আবেদনটি গ্রহণ করেন।
এসব বিষয়ে আলোচনার জন্য আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে প্রাধ্যক্ষের রুমে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগ নেত্রী স্মৃতি বালা ও দোলন। এ সময় হল প্রাধ্যক্ষ ও ছাত্রলীগ নেত্রী ওই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার জন্য চাপ দেন। সেই সঙ্গে ছাত্রলীগ নেত্রী ও দোলন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ‘বকাঝকা ও গালি’ দেন। এতে একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন তাকে তাৎক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্সে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ব্লকের কয়েকজন ছাত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সেদিনের ঘটনাটি খুবই তুচ্ছ ছিল। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রী দোলন ও স্মৃতির কাছে ক্ষমাও চান। কিন্তু তাঁরা তাঁকে ক্ষমা করেননি। স্মৃতি ও দোলন একই এলাকার হওয়ায় স্মৃতির ছত্রছায়ায় দোলন দীর্ঘদিন ধরে হলে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। তাঁর ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না। যার ফল আজকের এই ঘটনা। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে এমন ঘটনা বৃদ্ধি পাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেত্রী স্মৃতি বালা বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীর অসুস্থ হওয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তাকে প্রাধ্যক্ষের রুমে ডাকা হয়। সেখানে হাউস টিউটর এবং হলের অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও ছিলেন। ওই মেয়ে গতকাল রাতে খায়নি। আজ সকালেও খায়নি। প্রাধ্যক্ষের রুমে এসেই সে অসুস্থ বোধ করছিল। পরবর্তীতে তাঁকে কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রাধ্যক্ষের কক্ষ থেকে নিয়ে যায়। মানসিক নির্যাতনের কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি।’
এ বিষয়ে নুরুন্নাহার দোলন বলেন, আমি এখন নাটোর থেকে রাজশাহীতে যাচ্ছি। বাসে আছি। কথা বোঝা যাচ্ছে না।–এই বলে ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, হলের সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছে। এর সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সংশ্লিষ্টতা নাই।
অভিযোগের বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ ফারজানা কাইয়ুম কেয়া বলেন, হাঁড়ি ব্যবহারকে কেন্দ্র করে ওর সঙ্গে এক সিনিয়রের একটু সমস্যা হয়েছিল। তাই তাঁকে ডেকেছিলাম। কিন্তু খাবার খাওয়ার সময় সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এর বাইরে কিছু জানেন না বলে তিনি ফোন কেটে দেন।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা এম তারেক নূর বলেন, ‘আমি বিষয়টি শুনেছি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে হল প্রশাসন একটি ব্যবস্থা নিচ্ছিল। যা হয়তো সে মেনে নিতে পারেনি। অতিরিক্ত প্রেশারে অজ্ঞান হয়ে গেছে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে রাতের মধ্যেই বিষয়টি সমাধান করব।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) হল প্রাধ্যক্ষের উপস্থিতিতে এক ছাত্রীকে মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে দুই ছাত্রীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ওই ছাত্রী ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রাধ্যক্ষের কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নাম কাজী সুমাইয়া আক্তার। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষ ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের ৫০১ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী। অভিযুক্তরা হলেন স্মৃতি বালা ও নুরুন্নাহার দোলন। স্মৃতি বালা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। দোলন বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি পানি গরমের হাঁড়ি নিয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর সঙ্গে দোলনের কথা-কাটাকাটি হয়। এতে দোলন ক্ষিপ্ত হয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর ‘বেয়াদবি’র অজুহাতে তাঁর সিট বাতিল করে গণরুমে দেওয়ার জন্য হল প্রাধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদনপত্র জমা দেন। ছাত্রলীগ নেত্রী স্মৃতির ভয় দেখিয়ে আবেদনপত্রে তিনি ব্লকের ছাত্রীদের স্বাক্ষর নেন। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে হল প্রাধ্যক্ষ ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে গণরুমে স্থানান্তর করেন।
তবে হল প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে ব্লকের শিক্ষার্থীরা হল প্রাধ্যক্ষ বরাবর একটি আবেদন দিতে গেলে হলের আবাসিক শিক্ষকেরা বলেন, ‘সিদ্ধান্ত যা হয়েছে তাই বহাল থাকবে।’ যদিও পরে তাঁরা আবেদনটি গ্রহণ করেন।
এসব বিষয়ে আলোচনার জন্য আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে প্রাধ্যক্ষের রুমে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগ নেত্রী স্মৃতি বালা ও দোলন। এ সময় হল প্রাধ্যক্ষ ও ছাত্রলীগ নেত্রী ওই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ার জন্য চাপ দেন। সেই সঙ্গে ছাত্রলীগ নেত্রী ও দোলন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ‘বকাঝকা ও গালি’ দেন। এতে একপর্যায়ে ওই শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন তাকে তাৎক্ষণিক অ্যাম্বুলেন্সে বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ব্লকের কয়েকজন ছাত্রী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সেদিনের ঘটনাটি খুবই তুচ্ছ ছিল। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রী দোলন ও স্মৃতির কাছে ক্ষমাও চান। কিন্তু তাঁরা তাঁকে ক্ষমা করেননি। স্মৃতি ও দোলন একই এলাকার হওয়ায় স্মৃতির ছত্রছায়ায় দোলন দীর্ঘদিন ধরে হলে প্রভাব বিস্তার করে আসছে। তাঁর ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারে না। যার ফল আজকের এই ঘটনা। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হলে এমন ঘটনা বৃদ্ধি পাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন তারা।
অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেত্রী স্মৃতি বালা বলেন, ‘ওই শিক্ষার্থীর অসুস্থ হওয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তাকে প্রাধ্যক্ষের রুমে ডাকা হয়। সেখানে হাউস টিউটর এবং হলের অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও ছিলেন। ওই মেয়ে গতকাল রাতে খায়নি। আজ সকালেও খায়নি। প্রাধ্যক্ষের রুমে এসেই সে অসুস্থ বোধ করছিল। পরবর্তীতে তাঁকে কয়েকজন শিক্ষার্থী প্রাধ্যক্ষের কক্ষ থেকে নিয়ে যায়। মানসিক নির্যাতনের কোনো ঘটনা সেখানে ঘটেনি।’
এ বিষয়ে নুরুন্নাহার দোলন বলেন, আমি এখন নাটোর থেকে রাজশাহীতে যাচ্ছি। বাসে আছি। কথা বোঝা যাচ্ছে না।–এই বলে ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গোলাম কিবরিয়া বলেন, হলের সিনিয়র ও জুনিয়রের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছে। এর সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সংশ্লিষ্টতা নাই।
অভিযোগের বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ ফারজানা কাইয়ুম কেয়া বলেন, হাঁড়ি ব্যবহারকে কেন্দ্র করে ওর সঙ্গে এক সিনিয়রের একটু সমস্যা হয়েছিল। তাই তাঁকে ডেকেছিলাম। কিন্তু খাবার খাওয়ার সময় সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। এর বাইরে কিছু জানেন না বলে তিনি ফোন কেটে দেন।
সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা এম তারেক নূর বলেন, ‘আমি বিষয়টি শুনেছি। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে হল প্রশাসন একটি ব্যবস্থা নিচ্ছিল। যা হয়তো সে মেনে নিতে পারেনি। অতিরিক্ত প্রেশারে অজ্ঞান হয়ে গেছে। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আমি দুই পক্ষের সঙ্গে কথা বলে রাতের মধ্যেই বিষয়টি সমাধান করব।’

ঘন কুয়াশায় ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর ও লৌহজংয়ে তিনটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ের পৃথক পৃথক স্থানে বাস, ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
২৩ মিনিট আগে
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার সদর ইউনিয়নের গংগারহাট সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সদস্য গুলিতে নিহত হয়েছেন। বিজিবির বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, নিহত নাসিম উদ্দিন নিজের সার্ভিস রাইফেলের গুলিতে ‘আত্মহত্যা’ করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২৫ মিনিট আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আজ শুক্রবার ভোরে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
বিমানবন্দর সূত্র জানায়, কুয়াশার কারণে ৯টি ফ্লাইট ডাইভার্ট করা হয়েছে। এর মধ্যে চারটি ফ্লাইট চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, চারটি ফ্লাইট ভারতের কলকাতা বিমানবন্দরে এবং একটি ফ্লাইট থাইল্যান্ডের ব্যাংকক বিমানবন্দরে পাঠানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে