
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের দুই মাস পার হলেও ইশতেহার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। শিক্ষার্থীরা বলছেন, রাকসু প্রতিশ্রুত সংস্কারের বদলে জাতীয় রাজনীতি ও প্রতীকী কর্মকাণ্ডে বেশি ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। তবে প্রতিনিধিদের দাবি, প্রশাসন রাকসুর তহবিলের সঠিক হিসাব দিতে ব্যর্থ হওয়ায় তাঁরা যথাযথভাবে অগ্রসর হতে পারছেন না।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর গত ১৬ অক্টোবর রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ২৬ অক্টোবর শপথগ্রহণ করেন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা। তবে দুই মাস পার হয়ে গেলে এখনো রাকসু তহবিলের হিসাব দিতে পারছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ২০১৩ সালের পর থেকে হিসাব দিতে পারলেও ১৯৯০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সময়ের তহবিলের কোনো হিসাব দিতে পারছে না প্রশাসন। এ বিষয়ে রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর দেখি কোনো ফাইল, কোনো হিসাবই ছিল না। শূন্য থেকে পুরো ভিত্তি গড়ে তুলতে হয়েছে।’
রাকসুর ভিপি ও এজিএসসহ ২৩ পদের মধ্যে ২০ জনই শিবিরসমর্থিত প্যানেলের। এই প্যানেলের ইশতেহারে ১২ মাসে ২৪টি সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তহবিলের যথাযথ হিসাব দিতে না পারায় কাজের অগ্রগতি ব্যাহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন রাকসু প্রতিনিধিরা। তাঁরা বলছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরই তাঁরা প্রশাসনকে তহবিলের হিসাব বুঝিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। প্রশাসন ১৫ দিনের সময় নিয়ে পূর্ণাঙ্গ হিসাব দেওয়ার কথা জানালেও শেষ পর্যন্ত তা দিতে পারেনি।
রাকসুর ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যেই বিতর্ক উৎসব, মাঠ সংস্কার, পানির ফিল্টার স্থাপন ও অনলাইন সেবাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছি। হয়তো অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কাজের গতি আশানুরূপ নয়। তবে রাকসুর কাজ বাদ দিচ্ছি না।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘৩৫ বছর ধরে এগুলো নিয়ে কেউ কাজ করেনি। এখন কাজ হচ্ছে এবং সবকিছু আস্তে আস্তে সামনে আসবে। ব্যাংক থেকে স্টেটমেন্টগুলো জমা করতে আরও সময় লাগবে।’

খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৭ হাজারের কাছাকাছি চলে গেছে। এখানে দিন দিন ডেঙ্গু পরিস্থিতি মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। সরকারি হিসাবের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা কয়েক গুণ। হাসপাতালগুলোতে রোগীদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ। মশকনিধন কার্যক্রম জোরদার করা হলেও কোনো কাজ হচ্ছে না।
১ ঘণ্টা আগে
রংপুরের কাউনিয়ায় কর্মহীন ও দুস্থ মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৫ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার তিস্তা সেতু সংলগ্ন নদীর পাড়ে জেলা পরিষদের উদ্যোগে এ খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
বারণই নদে মাছ মরে ভেসে ওঠার ঘটনায় তিন সদস্য তদন্ত কমিটি বারণই নদ পরিদর্শন করে ৪টি স্থান নদের পানির নমুনা সংগ্রহ করেছি। পানি ল্যাবে পরীক্ষা করে মাছ মরে ভেসে ওঠার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন করা যাবে। আর বারণই নদে ৮টি স্থানে মাছের...
৩ ঘণ্টা আগে
তাঁদের বাসা দারুস সালাম মাদবর বাড়ি মসজিদের পাশে। তাঁর বাবা আব্দুল মান্নান দিনমজুরের কাজ করেন। রাতে তার মা জেসমিন টিনশেড ঘরে জানালার পাশে বসে টিভি দেখছিলেন। এ সময় জানালার বাইরে থেকে কে বা কারা গুলি করে। সেই গুলি এসে তাঁর মায়ের ডান হাতে লাগে...
৩ ঘণ্টা আগে