নওগাঁর আত্রাইয়ে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। পরে তাকে উদ্ধার করে পরে তাঁকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং হামলাকারীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা।
পরিবারের ধারণা, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আজ শনিবার সকাল ১০টা নাগাদ উপজেলা সদরে এই ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তি হলেন—জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি চৌধুরী গোলাম মোস্তফা বাদল (৬২)। তিনি উপজেলার সাহেবগঞ্জ গ্রামের মৃত মেহের চৌধুরীর ছেলে।
আটক যুবক হলেন—শামিম হাসান সানি (২৫)। তিনি নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার দুর্লভপুর গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে।
আহত বাদলের ছেলে রানা চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নির্বাচনের শুরু থেকেই আমার বাবা স্বতন্ত্র প্রার্থী ওমর ফারুক সুমনের ট্রাক প্রতীকের পক্ষে কাজ করে আসছেন। আজকে বিশা ইউনিয়নে প্রচারণার জন্য প্রস্তুতি নিয়ে সদরের সাহেবগঞ্জ বাজারের স্টলে চা-পান শেষে মোটরসাইকেলে উঠছিলেন। এ সময় পেছন থেকে এক যুবক তাকে ছুরিকাঘাত করে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তখন স্থানীয় লোকজন তাকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। আর আমার বাবাকে উদ্ধার করে আত্রাই উপজেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়।’ রাজনৈতিক কারণে এই হামলা হতে পারে বলে ধারণা করেছেন রানা চৌধুরী।
এ বিষয়ে আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল হক বলেন, ছুরিকাঘাতের ঘটনায় শামিম হাসান নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। কেন তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩০ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৩৬ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে