নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী থেকে

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল বেশি। তবে বেলা ১১টায় বৃষ্টি বাগড়া দিলে ভোটার উপস্থিতি কমে আসে। মূল শহরের বাইরের কেন্দ্রগুলোতে তুলনামূলক ভোটার উপস্থিতি বেশি।
আজ দুপুর ১২টায় শহীদ এ এইচ এম কামরুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়ামের দুটি কেন্দ্রে সকাল থেকে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৩৩ শতাংশ ও ২৫ শতাংশ। কেন্দ্রে নিয়োজিত প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা বলছেন, সব মিলিয়ে ৪০ শতাংশের মতো ভোট পড়তে পারে।
৬৪ নম্বর কেন্দ্রে ভোটার ২ হাজার ১০৮ জন। ভোট গ্রহণ চলছে সাতটি বুথে। প্রতিটি বুথে ভোটার ৩০১ জন করে। এই কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬৯৬টি, যার শতকরা হার দাঁড়ায় ৩৩ শতাংশ।
এর পাশেই ৬৩ নম্বর কেন্দ্রের ভোটারসংখ্যা ১ হাজার ৯৪৪ জন। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৪১টি। শতকরা হিসাবে আসে প্রায় ২৫ শতাংশ।
ভোট দিতে আসা মোসলেমউদ্দিন বলেন, ‘আমার স্ত্রী বৃষ্টির আগেই ভোট দিয়েছে। তার অন্য একটি কেন্দ্র ছিল। আমি অসুস্থ তাই আমাকে নিয়ে এই কেন্দ্রে এসেছে।’
৬৪ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. মিয়াজউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বৃষ্টির আগে তাঁর কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ভালো ছিল। বৃষ্টির সময় ভোটার উপস্থিতি একদম কমে যায়। তবে বৃষ্টি শেষ হতেই আবার ভোটার উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
৬৩ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোস্তফা নুরুল ইসলাম জানান, তাঁর কেন্দ্রের ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক একটু কম। সকাল থেকে প্রায় ২৫ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে। বৃষ্টির কারণে ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে পারেননি। তবে এখন বৃষ্টি শেষ হওয়ায় আবার কেন্দ্রে তুলনামূলক ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে।
রাজশাহীতে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শহরের ভেতরের কেন্দ্রগুলোতে তুলনামূলক উপস্থিতি কম থাকলেও শহরের বাইরের কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিতি অনেক বেশি লক্ষ করা যায়। তবে বৃষ্টির কারণে ভোটার উপস্থিতি কমে আসে।
নগরীর স্যাটেলাইট মাধ্যমিক বিদ্যালয় সকাল ৯টায় ভোট দেন আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। তবে তাঁর কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি তেমন চোখে পড়েনি। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম স্বপন ভোট দেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের আটকোষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। এই ওয়ার্ডের সব কেন্দ্রে সকাল থেকেই অনেক বেশি ভোটার উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। ভোটাররা বলছেন, তাঁরা সকাল ৮টায় কেন্দ্রে চলে এসেছেন ভোট দিতে। এই রিপোর্ট লেখার আগ পর্যন্ত অনেকেই প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কেন্দ্রে ঢুকে ভোট দিতে পারেননি।
অনেক নারী ভোটার জানিয়েছেন, তাঁরা কয়েকবার ইভিএম মেশিন পরিবর্তন করতে দেখেছেন। হয়তো ইভিএমে কোনো সমস্যা হওয়ায় এসেই কেন্দ্রে ভোট নিতে দেরি হচ্ছে। সব কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক। ইভিএমে ভোট গ্রহণ চলছে ধীরগতিতে।
এর আগে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন আজকের পত্রিকা কে বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে।
একই রকম কথা বলেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম। তিনিও বৃষ্টি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল বেশি। তবে বেলা ১১টায় বৃষ্টি বাগড়া দিলে ভোটার উপস্থিতি কমে আসে। মূল শহরের বাইরের কেন্দ্রগুলোতে তুলনামূলক ভোটার উপস্থিতি বেশি।
আজ দুপুর ১২টায় শহীদ এ এইচ এম কামরুজ্জামান বিভাগীয় স্টেডিয়ামের দুটি কেন্দ্রে সকাল থেকে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৩৩ শতাংশ ও ২৫ শতাংশ। কেন্দ্রে নিয়োজিত প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা বলছেন, সব মিলিয়ে ৪০ শতাংশের মতো ভোট পড়তে পারে।
৬৪ নম্বর কেন্দ্রে ভোটার ২ হাজার ১০৮ জন। ভোট গ্রহণ চলছে সাতটি বুথে। প্রতিটি বুথে ভোটার ৩০১ জন করে। এই কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬৯৬টি, যার শতকরা হার দাঁড়ায় ৩৩ শতাংশ।
এর পাশেই ৬৩ নম্বর কেন্দ্রের ভোটারসংখ্যা ১ হাজার ৯৪৪ জন। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৫৪১টি। শতকরা হিসাবে আসে প্রায় ২৫ শতাংশ।
ভোট দিতে আসা মোসলেমউদ্দিন বলেন, ‘আমার স্ত্রী বৃষ্টির আগেই ভোট দিয়েছে। তার অন্য একটি কেন্দ্র ছিল। আমি অসুস্থ তাই আমাকে নিয়ে এই কেন্দ্রে এসেছে।’
৬৪ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মো. মিয়াজউদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, বৃষ্টির আগে তাঁর কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ভালো ছিল। বৃষ্টির সময় ভোটার উপস্থিতি একদম কমে যায়। তবে বৃষ্টি শেষ হতেই আবার ভোটার উপস্থিতি বাড়তে থাকে।
৬৩ নম্বর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা মোস্তফা নুরুল ইসলাম জানান, তাঁর কেন্দ্রের ভোটার উপস্থিতি তুলনামূলক একটু কম। সকাল থেকে প্রায় ২৫ শতাংশের মতো ভোট পড়েছে। বৃষ্টির কারণে ভোটাররা কেন্দ্রে আসতে পারেননি। তবে এখন বৃষ্টি শেষ হওয়ায় আবার কেন্দ্রে তুলনামূলক ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে।
রাজশাহীতে সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। শহরের ভেতরের কেন্দ্রগুলোতে তুলনামূলক উপস্থিতি কম থাকলেও শহরের বাইরের কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিতি অনেক বেশি লক্ষ করা যায়। তবে বৃষ্টির কারণে ভোটার উপস্থিতি কমে আসে।
নগরীর স্যাটেলাইট মাধ্যমিক বিদ্যালয় সকাল ৯টায় ভোট দেন আওয়ামী লীগের মেয়র পদপ্রার্থী এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন। তবে তাঁর কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি তেমন চোখে পড়েনি। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম স্বপন ভোট দেন ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের আটকোষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে। এই ওয়ার্ডের সব কেন্দ্রে সকাল থেকেই অনেক বেশি ভোটার উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। ভোটাররা বলছেন, তাঁরা সকাল ৮টায় কেন্দ্রে চলে এসেছেন ভোট দিতে। এই রিপোর্ট লেখার আগ পর্যন্ত অনেকেই প্রায় দুই থেকে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কেন্দ্রে ঢুকে ভোট দিতে পারেননি।
অনেক নারী ভোটার জানিয়েছেন, তাঁরা কয়েকবার ইভিএম মেশিন পরিবর্তন করতে দেখেছেন। হয়তো ইভিএমে কোনো সমস্যা হওয়ায় এসেই কেন্দ্রে ভোট নিতে দেরি হচ্ছে। সব কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক। ইভিএমে ভোট গ্রহণ চলছে ধীরগতিতে।
এর আগে এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন আজকের পত্রিকা কে বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে।
একই রকম কথা বলেছেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী সাইফুল ইসলাম। তিনিও বৃষ্টি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
১ ঘণ্টা আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
১ ঘণ্টা আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
২ ঘণ্টা আগে