রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে সাতজনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার সারা দিন চার শিফটে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এতে জালিয়াতির অভিযোগে প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে দুজন, দ্বিতীয় শিফটে একজন, তৃতীয় শিফটে দুজন এবং চতুর্থ শিফটে দুজনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে একজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
আটক পাঁচজন হলেন মো. হোসাইন, মো. স্বপন হোসাইন, আব্দুর রাকিব, মো. বিদ্যুৎ হাসান, এনামুল হক, সোহানুর রহমান ও একজন অজ্ঞাতনামা। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে।
আটকদের মধ্যে মো. হোসাইন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার আব্দালপুর গ্রামের কাওসার হোসেনের ছেলে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের ৪২৪ নম্বর কক্ষে জাহিদ হাসান সিয়ামের হয়ে প্রক্সি দেন। মো. স্বপন হোসাইন নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার চকগোপীনাথ গ্রামের মো. মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তিনি কৃষি অনুষদ ভবনের ১৩৫ নম্বর রুমে তানভীর আহমেদের হয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন।
আটক অপর ব্যক্তির নাম আব্দুর রাকিব। দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষায় তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের ৩৩৭ নম্বর কক্ষ থেকে আটক করা হয়। তিনি মূল পরীক্ষার্থী। তবে তাঁর হয়ে প্রক্সি দেওয়ার জন্য অন্য ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি করেন। সে অনুযায়ী প্রবেশপত্রের ছবিও পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু তাঁর বাবার কাছে প্রক্সির জন্য টাকা চাইতে গেলে তিনি অস্বীকৃতি জানান। এরপর রাকিব নিজেই পরীক্ষা দিতে আসেন। মূলত ছবি পরিবর্তনের অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়।
বিদ্যুৎ হাসান জয়পুরহাট সদর উপজেলার পূর্ব জানিয়ার বাগান গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া একাডেমিক ভবনের ২৩৪ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী মাইনুল ইসলামের হয়ে প্রক্সি দেন।
অপর দিকে এনামুল হক একই ভবনের ৪৩৮ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী তানভীর আহমেদের হয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।
সোহানুর রহমানকে ড. কুদরত-ই-খুদা একাডেমিক ভবন থেকে আটক করা হয়। তিনি ২৪৪ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী তাহমিদ বিন সাদমান প্রিন্সের হয়ে পরীক্ষা দেন। সোহানুর পাবনা সদর উপজেলার লাইব্রেরি বাজার এলাকার আব্দুল হান্নানের ছেলে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের ১৩৯ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী রূপম সরকারের হয়ে প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক হন একজন। তবে প্রশাসনের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তাঁর পরিচয় স্বীকার করেননি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে বলেন, ‘আমরা প্রথমে সন্দেহজনকভাবে তাঁদের আটক করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন। তাঁদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে সাতজনকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার সারা দিন চার শিফটে ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। এতে জালিয়াতির অভিযোগে প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে দুজন, দ্বিতীয় শিফটে একজন, তৃতীয় শিফটে দুজন এবং চতুর্থ শিফটে দুজনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে একজন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এবং একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।
আটক পাঁচজন হলেন মো. হোসাইন, মো. স্বপন হোসাইন, আব্দুর রাকিব, মো. বিদ্যুৎ হাসান, এনামুল হক, সোহানুর রহমান ও একজন অজ্ঞাতনামা। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে।
আটকদের মধ্যে মো. হোসাইন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার আব্দালপুর গ্রামের কাওসার হোসেনের ছেলে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের ৪২৪ নম্বর কক্ষে জাহিদ হাসান সিয়ামের হয়ে প্রক্সি দেন। মো. স্বপন হোসাইন নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানার চকগোপীনাথ গ্রামের মো. মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তিনি কৃষি অনুষদ ভবনের ১৩৫ নম্বর রুমে তানভীর আহমেদের হয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন।
আটক অপর ব্যক্তির নাম আব্দুর রাকিব। দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষায় তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের ৩৩৭ নম্বর কক্ষ থেকে আটক করা হয়। তিনি মূল পরীক্ষার্থী। তবে তাঁর হয়ে প্রক্সি দেওয়ার জন্য অন্য ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি করেন। সে অনুযায়ী প্রবেশপত্রের ছবিও পরিবর্তন করা হয়। কিন্তু তাঁর বাবার কাছে প্রক্সির জন্য টাকা চাইতে গেলে তিনি অস্বীকৃতি জানান। এরপর রাকিব নিজেই পরীক্ষা দিতে আসেন। মূলত ছবি পরিবর্তনের অভিযোগে তাঁকে আটক করা হয়।
বিদ্যুৎ হাসান জয়পুরহাট সদর উপজেলার পূর্ব জানিয়ার বাগান গ্রামের আবুল কালামের ছেলে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া একাডেমিক ভবনের ২৩৪ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী মাইনুল ইসলামের হয়ে প্রক্সি দেন।
অপর দিকে এনামুল হক একই ভবনের ৪৩৮ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী তানভীর আহমেদের হয়ে পরীক্ষায় অংশ নেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।
সোহানুর রহমানকে ড. কুদরত-ই-খুদা একাডেমিক ভবন থেকে আটক করা হয়। তিনি ২৪৪ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী তাহমিদ বিন সাদমান প্রিন্সের হয়ে পরীক্ষা দেন। সোহানুর পাবনা সদর উপজেলার লাইব্রেরি বাজার এলাকার আব্দুল হান্নানের ছেলে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একাডেমিক ভবনের ১৩৯ নম্বর কক্ষের পরীক্ষার্থী রূপম সরকারের হয়ে প্রক্সি দিতে গিয়ে আটক হন একজন। তবে প্রশাসনের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি তাঁর পরিচয় স্বীকার করেননি।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক প্রদীপ কুমার পাণ্ডে বলেন, ‘আমরা প্রথমে সন্দেহজনকভাবে তাঁদের আটক করেছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদকালে তাঁরা নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন। তাঁদেরকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় শাহাবুদ্দিন (৪০) নামে এক ভাঙ্গারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে কদমতলী কুদার বাজার আদর্শ সড়ক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বজনরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক রাত সাড়ে ১১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ কর্মীদের বিএনপিতে ভেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে খোদ দলটির কোনো কোনো নেতার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে দলীয় নেতারা একে অপরকে দায়ী করছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ বিষয়ে কথা চালাচালি হচ্ছে। এদিকে আওয়ামী লীগ কর্মীদের দলে ভেড়ানোকে আশঙ্কাজনক বলছেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে মাঠে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন। ১ জানুয়ারি যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু ও সাবিনা ইয়াসমিনসহ...
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে শেরপুরের তিনটি নির্বাচনী এলাকাতেই স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে পড়েছে বিএনপি। আর দীর্ঘদিন একক প্রার্থী নিয়ে মাঠে থাকলেও জোটের প্রার্থী ঘোষণা নিয়ে চাপে পড়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন জোটও।
৩ ঘণ্টা আগে