চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধি

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা নিমপাড়া ইউনিয়নের পাইটখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের বেঞ্চ বিক্রির অভিযোগ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা। দপ্তরি কাম প্রহরী লিটন আলী বিদ্যালয়ের ২৫ সেট লোহার বেঞ্চ বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত দপ্তরি বিদ্যালয়ের গাছের আম-কাঁঠালও বিক্রি করেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
অভিভাবকদের দাবি—এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি। বিদ্যালয়ে ওই দপ্তরিই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। বেঞ্চ বিক্রির বিষয়ে অভিভাবকেরা শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
অভিভাবকদের সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুলাই দুপুরে ঈদুল আজহার ছুটিতে লিটন আলী ভ্যানে করে ২৫ সেট লোহার বেঞ্চ বিদ্যালয় থেকে বের করে নিয়ে যান। এ সময় স্থানীয়রা জানতে চাইলে তিনি বলেন—মেরামত করতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে তিনি বেঞ্চগুলো কেজি দরে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার সকালে পাইটখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লিটন আলীর চাচাতো ভাই দেলোয়ার হোসেন ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি। সেই সঙ্গে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগেরও সভাপতি তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ—রাজনৈতিক সূত্রে লিটন আলী বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেয়েছেন। ফলে বিদ্যালয়ে লিটন আলী নিজেকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী মনে করেন। আর তাই একের পর এক অনিয়ম করলেও প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও স্থানীয় প্রশাসন তাঁকে কখনো আইনের আওতায় নিয়ে আসেননি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘লিটন আমার চাচাতো ভাই হলেও সে এখানে দপ্তরি। কেউ অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে। বেঞ্চ বিক্রির বিষয়টি নিয়ে তাঁর কাছে মুচলেকা নিয়েছি। সে আর কখনো করবে না। বেঞ্চ বিক্রির টাকা কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।’
স্থানীয় বাসিন্দা তাজমুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দপ্তরি লিটন আলী ওই বিদ্যালয়ের সর্ব ক্ষমতার অধিকারী। বিদ্যালয়ের গাছের আম-কাঁঠাল ইচ্ছেমতো পেড়ে বিক্রি করেন। এবার ঈদের ছুটিতে শিক্ষার্থীদের বেঞ্চও বিক্রি করে দিয়েছেন। আমরা এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।’
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজিম উদ্দীন বলেন, ‘আমাদের দপ্তরি আমাকে না জানিয়েই কিছু বেঞ্চ বিক্রি করে দিয়েছে। বিষয়টি আমি শিক্ষা অফিসে জানিয়েছি।’
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পরে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তবে অভিযুক্ত দপ্তরি লিটন আলী বলেন, ‘কিছু অকেজো বেঞ্চ বিক্রি করেছি। সেগুলো কোনো কাজে লাগছিল না। প্রধান শিক্ষক স্যারকে পরে বিষয়টি জানাব ভেবেছিলাম। অভিভাবকদের সব অভিযোগ সত্য না।’

রাজশাহীর চারঘাট উপজেলা নিমপাড়া ইউনিয়নের পাইটখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরির বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের বেঞ্চ বিক্রির অভিযোগ করেছেন অভিভাবক ও স্থানীয়রা। দপ্তরি কাম প্রহরী লিটন আলী বিদ্যালয়ের ২৫ সেট লোহার বেঞ্চ বিক্রি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে অভিযুক্ত দপ্তরি বিদ্যালয়ের গাছের আম-কাঁঠালও বিক্রি করেন বলে অভিযোগ করেন স্থানীয়রা।
অভিভাবকদের দাবি—এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে একাধিকবার অভিযোগ করেও কোনো লাভ হয়নি। বিদ্যালয়ে ওই দপ্তরিই সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী। বেঞ্চ বিক্রির বিষয়ে অভিভাবকেরা শিক্ষা অফিসসহ বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন।
অভিভাবকদের সূত্রে জানা গেছে, গত ১২ জুলাই দুপুরে ঈদুল আজহার ছুটিতে লিটন আলী ভ্যানে করে ২৫ সেট লোহার বেঞ্চ বিদ্যালয় থেকে বের করে নিয়ে যান। এ সময় স্থানীয়রা জানতে চাইলে তিনি বলেন—মেরামত করতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে তিনি বেঞ্চগুলো কেজি দরে বিক্রি করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
আজ বুধবার সকালে পাইটখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লিটন আলীর চাচাতো ভাই দেলোয়ার হোসেন ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি। সেই সঙ্গে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগেরও সভাপতি তিনি।
স্থানীয়দের অভিযোগ—রাজনৈতিক সূত্রে লিটন আলী বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেয়েছেন। ফলে বিদ্যালয়ে লিটন আলী নিজেকে সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী মনে করেন। আর তাই একের পর এক অনিয়ম করলেও প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও স্থানীয় প্রশাসন তাঁকে কখনো আইনের আওতায় নিয়ে আসেননি।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘লিটন আমার চাচাতো ভাই হলেও সে এখানে দপ্তরি। কেউ অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে। বেঞ্চ বিক্রির বিষয়টি নিয়ে তাঁর কাছে মুচলেকা নিয়েছি। সে আর কখনো করবে না। বেঞ্চ বিক্রির টাকা কোষাগারে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।’
স্থানীয় বাসিন্দা তাজমুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দপ্তরি লিটন আলী ওই বিদ্যালয়ের সর্ব ক্ষমতার অধিকারী। বিদ্যালয়ের গাছের আম-কাঁঠাল ইচ্ছেমতো পেড়ে বিক্রি করেন। এবার ঈদের ছুটিতে শিক্ষার্থীদের বেঞ্চও বিক্রি করে দিয়েছেন। আমরা এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনো সমাধান পাচ্ছি না।’
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আজিম উদ্দীন বলেন, ‘আমাদের দপ্তরি আমাকে না জানিয়েই কিছু বেঞ্চ বিক্রি করে দিয়েছে। বিষয়টি আমি শিক্ষা অফিসে জানিয়েছি।’
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনাটি জানার পরে আমরা একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তবে অভিযুক্ত দপ্তরি লিটন আলী বলেন, ‘কিছু অকেজো বেঞ্চ বিক্রি করেছি। সেগুলো কোনো কাজে লাগছিল না। প্রধান শিক্ষক স্যারকে পরে বিষয়টি জানাব ভেবেছিলাম। অভিভাবকদের সব অভিযোগ সত্য না।’

নীলফামারীর সৈয়দপুরে আওয়ামী লীগ নেতা ও বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে প্রায় অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। গতকাল রোববার রাতে নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. আব্দুল গফুর সরকারের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে...
৪৪ মিনিট আগে
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের একটি কক্ষ থেকে ২০ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গতকাল রোববার রাত আনুমানিক ১০টার দিকে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল প্রশাসন ও হল সংসদের যৌথ উদ্যোগে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে ফেসবুকে ভিডিও প্রকাশ করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ভূঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। তিনি রোববার রাত ১০টার দিকে নিজের ফেসবুক আইডিতে এই ভিডিও বার্তা দেন।
১ ঘণ্টা আগে
খুলনা-১ আসনে (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে আছেন ১০ প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী আমির এজাজ খান। আর সম্পদে এগিয়ে জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে