চারঘাট(রাজশাহী) প্রতিনিধি

৫০ শয্যার চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দন্ত চিকিৎসক ও ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট কর্মরত থাকলেও নয় বছর ধরে অকেজো ডেন্টাল মেশিন। ফলে ব্যাহত হচ্ছে দাঁতের রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০০৭ সালে একটি ডেন্টাল মেশিন সরবরাহ পাওয়া যায়। ডেন্টাল মেশিন স্থাপনের পর দীর্ঘদিন দন্ত চিকিৎসক না থাকায় অব্যবহৃত ছিল মেশিনটি। ফলে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এর নিউমেটিক সার্কিট, ইলেকট্রনিক সার্কিট, সলোনায়ভ বাল্ব, সাকশন মেশিন ও সকল পাইপ সম্পূর্ণ অচল হয়ে যায়। এ ছাড়া বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কমপ্রেসর সেটআপের সকল সংযোগ। ফলে ২০১২ সাল থেকে মেশিনটি অকেজো।
গত ৯ বছর ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে মেশিনটি। বর্তমানে দন্ত চিকিৎসক ও ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট কর্মরত থাকলেও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হাসপাতালে) আগত রোগীরা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। সরকারি হাসপাতালে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা সেবা না পেয়ে রোগীদের ছুটতে হচ্ছে বাইরের চিকিৎসকের কাছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দন্ত চিকিৎসক ডা. গিয়াস উদ্দীন বলেন, ‘দাঁতের চিকিৎসা একটি সার্জারি নির্ভর চিকিৎসা হওয়াতে পরিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা দিতে গেলে এখানে চিকিৎসক ও টেকনোলজিস্টের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ম্যাটেরিয়ালস সেই সঙ্গে জীবাণুমুক্ত করার সবকিছু এবং সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকতে হবে। বর্তমানে অপারেটিভ (যেগুলোতে মেশিন চালাতে হয়) ট্রিটমেন্টগুলো দেওয়া সম্ভব হয় না। শুধুমাত্র ওষুধ লিখে যা যা করা যায় (ব্যথার ওষুধ, ওরাল হাইজিন ইন্সট্রাকশন, অ্যান্টিবায়োটিক এর মাধ্যমে চিকিৎসা) তাই করা সম্ভব হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেন্টাল মেশিন তো দূরের কথা, বসার জন্য একটা ভালো রুমও নেই। প্রতিদিন অসংখ্য রোগী চিকিৎসা নিতে এসে ফেরত যাচ্ছে। তাদের শুধু হাতে পরামর্শ লিখে পাঠানো হচ্ছে। কোনো চিকিৎসা প্রদান করতে পারছি না।’
চারঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শহীদুল ইসলাম রবিন বলেন, ‘দন্তচিকিৎসক না থাকায় দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার ফলে মেশিনটি অকেজো হয়ে গেছে। এটি মেরামত অথবা নতুন ডেন্টাল মেশিন বরাদ্দ দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশিকুর রহমান বলেন, ‘ মেশিনটি আমি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসারও অনেক আগে থেকে অকেজো অবস্থায় রয়েছে। মেশিনটি মেরামত কিংবা নতুন একটি ডেন্টাল মেশিন স্থাপনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।’

৫০ শয্যার চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দন্ত চিকিৎসক ও ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট কর্মরত থাকলেও নয় বছর ধরে অকেজো ডেন্টাল মেশিন। ফলে ব্যাহত হচ্ছে দাঁতের রোগীদের চিকিৎসা কার্যক্রম।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২০০৭ সালে একটি ডেন্টাল মেশিন সরবরাহ পাওয়া যায়। ডেন্টাল মেশিন স্থাপনের পর দীর্ঘদিন দন্ত চিকিৎসক না থাকায় অব্যবহৃত ছিল মেশিনটি। ফলে যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এর নিউমেটিক সার্কিট, ইলেকট্রনিক সার্কিট, সলোনায়ভ বাল্ব, সাকশন মেশিন ও সকল পাইপ সম্পূর্ণ অচল হয়ে যায়। এ ছাড়া বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় কমপ্রেসর সেটআপের সকল সংযোগ। ফলে ২০১২ সাল থেকে মেশিনটি অকেজো।
গত ৯ বছর ধরে অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে মেশিনটি। বর্তমানে দন্ত চিকিৎসক ও ডেন্টাল টেকনোলজিস্ট কর্মরত থাকলেও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (হাসপাতালে) আগত রোগীরা সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে। সরকারি হাসপাতালে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা সেবা না পেয়ে রোগীদের ছুটতে হচ্ছে বাইরের চিকিৎসকের কাছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দন্ত চিকিৎসক ডা. গিয়াস উদ্দীন বলেন, ‘দাঁতের চিকিৎসা একটি সার্জারি নির্ভর চিকিৎসা হওয়াতে পরিপূর্ণ চিকিৎসা সেবা দিতে গেলে এখানে চিকিৎসক ও টেকনোলজিস্টের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি, ম্যাটেরিয়ালস সেই সঙ্গে জীবাণুমুক্ত করার সবকিছু এবং সার্বক্ষণিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থাকতে হবে। বর্তমানে অপারেটিভ (যেগুলোতে মেশিন চালাতে হয়) ট্রিটমেন্টগুলো দেওয়া সম্ভব হয় না। শুধুমাত্র ওষুধ লিখে যা যা করা যায় (ব্যথার ওষুধ, ওরাল হাইজিন ইন্সট্রাকশন, অ্যান্টিবায়োটিক এর মাধ্যমে চিকিৎসা) তাই করা সম্ভব হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডেন্টাল মেশিন তো দূরের কথা, বসার জন্য একটা ভালো রুমও নেই। প্রতিদিন অসংখ্য রোগী চিকিৎসা নিতে এসে ফেরত যাচ্ছে। তাদের শুধু হাতে পরামর্শ লিখে পাঠানো হচ্ছে। কোনো চিকিৎসা প্রদান করতে পারছি না।’
চারঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শহীদুল ইসলাম রবিন বলেন, ‘দন্তচিকিৎসক না থাকায় দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার ফলে মেশিনটি অকেজো হয়ে গেছে। এটি মেরামত অথবা নতুন ডেন্টাল মেশিন বরাদ্দ দেওয়ার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।’
চারঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশিকুর রহমান বলেন, ‘ মেশিনটি আমি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসারও অনেক আগে থেকে অকেজো অবস্থায় রয়েছে। মেশিনটি মেরামত কিংবা নতুন একটি ডেন্টাল মেশিন স্থাপনের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে অবহিত করা হয়েছে।’

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
২০ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
৩৫ মিনিট আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
১ ঘণ্টা আগে