চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে ও গতকাল রোববার রাতে সদর, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলায় বজ্রপাতে তাঁদের মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌরসভার প্রসাদপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের মো. আজিজুল হকের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫), ভোলাহাট উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের চামা মুশরিভুজা গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৬০), একই উপজেলার কৃষক ওমর আলী ও সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের তেররশিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মো. জহুরুল (৩৫)।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌরসভার প্রসাদপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম বাড়িতে বসে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরিবারের লোকজন গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভোলাহাট উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের চামা মুশরিভুজা গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন ধানের জমিতে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান।
একই সময়ে সদর উপজেলার জামতলা এলাকায় ধানের জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ওমর আলী নামের এক কৃষক। তিনি ভোলাহাট উপজেলার বাসিন্দা।
এর আগে গতকাল রোববার মধ্যরাতে সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের তেররশিয়া গ্রামে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন একই এলাকার মো. জহুরুল। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত আড়াইটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন, গোমস্তাপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান ও ভোলাহাট থানার ওসি সেলিম রেজা। তাঁরা জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের লাশ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিন উপজেলায় বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। আজ সোমবার সকালে ও গতকাল রোববার রাতে সদর, গোমস্তাপুর ও ভোলাহাট উপজেলায় বজ্রপাতে তাঁদের মৃত্যু হয়।
মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌরসভার প্রসাদপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের মো. আজিজুল হকের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫), ভোলাহাট উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের চামা মুশরিভুজা গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (৬০), একই উপজেলার কৃষক ওমর আলী ও সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের তেররশিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মো. জহুরুল (৩৫)।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর পৌরসভার প্রসাদপুর হঠাৎপাড়া গ্রামের শরিফুল ইসলাম বাড়িতে বসে মোবাইল ফোনে ব্যস্ত ছিলেন। এ সময় বজ্রপাত হলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরিবারের লোকজন গোমস্তাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ভোলাহাট উপজেলার দলদলী ইউনিয়নের চামা মুশরিভুজা গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেন ধানের জমিতে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা যান।
একই সময়ে সদর উপজেলার জামতলা এলাকায় ধানের জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান ওমর আলী নামের এক কৃষক। তিনি ভোলাহাট উপজেলার বাসিন্দা।
এর আগে গতকাল রোববার মধ্যরাতে সদর উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের তেররশিয়া গ্রামে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন একই এলাকার মো. জহুরুল। পরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত আড়াইটার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
বজ্রপাতে চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন, গোমস্তাপুর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান ও ভোলাহাট থানার ওসি সেলিম রেজা। তাঁরা জানান, আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাঁদের লাশ দাফনের জন্য স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৫ ঘণ্টা আগে