পাংশা (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি

রাজবাড়ীর পাংশায় হালকা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে পৌর শহরের প্রধান সড়ক। দীর্ঘদিন যাবৎ ময়লা আবর্জনায় ড্রেনেজ পূর্ণ হওয়ায় বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় এই সড়ক। এতে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে সড়কের দুই পাড়ের ব্যবসায়ীরা। আজ শুক্রবার পাংশা পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র কালীবাড়ি মোড়ে থেকে রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত সড়কটি হালকা বৃষ্টিতেই তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সড়কটি দুই পাশ দিয়েই ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে। তবুও বৃষ্টি হলেই এই সড়কে পানি জমে থাকে। ড্রেনের মধ্যে ময়লা আবর্জনা ঢুকে অনেকে আগেই অকেজো হয়ে পড়েছে ড্রেন। এ পর্যন্ত পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।
এ সময় তলিয়ে যাওয়া সবুজ খান নামের এক ফার্মেসি ব্যবসায়ী বলেন, ‘এই সমস্যা দীর্ঘদিনের। সড়কের ওপর দিয়ে প্রতিনিয়ত বসে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা। তাদের ফেলা ময়লা আবর্জনায় ড্রেন ভরাট হয়ে গেছে। এ জন্য ড্রেন দিয়ে দ্রুত পানি যায় না।’
এ ছাড়াও অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, কালীবাড়ি মোড় থেকে থেকে লতিফ ভবন পর্যন্ত এই সড়কের ওপর ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা আপেল, কুমড়া, মালটা, পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফল বিক্রি করে। তারা প্রতিনিয়ত ময়লা আবর্জনা ফেলতেই থাকে। তাদের ফেলা ময়লা আবর্জনায় দ্রুত পানি গড়াতে পারে না। তাই পানি জমে থাকে।
এ বিষয়ে পাংশা পৌর মেয়র ওয়াজেদ আলী মণ্ডলের সঙ্গে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মাদ আলী বলেন, ‘ফুটপাত ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে এই সড়কে বসে। আমরা ইতিপূর্বে অনেকবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে তাদের জরিমানা করেছি এবং সড়কে যেন তারা কোনো ব্যবসা না করে সে জন্য জোরালোভাবে তাদের বলা হয়েছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন ড্রেন দিয়ে পানি নিষ্কাশন হতে পারে সে বিষয়ে পৌর মেয়রকে বলা হবে।’

রাজবাড়ীর পাংশায় হালকা বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে পৌর শহরের প্রধান সড়ক। দীর্ঘদিন যাবৎ ময়লা আবর্জনায় ড্রেনেজ পূর্ণ হওয়ায় বৃষ্টিতে তলিয়ে যায় এই সড়ক। এতে চরম ভোগান্তিতে রয়েছে সড়কের দুই পাড়ের ব্যবসায়ীরা। আজ শুক্রবার পাংশা পৌর শহরের প্রাণকেন্দ্র কালীবাড়ি মোড়ে থেকে রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত সড়কটি হালকা বৃষ্টিতেই তলিয়ে গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, সড়কটি দুই পাশ দিয়েই ড্রেনেজ ব্যবস্থা রয়েছে। তবুও বৃষ্টি হলেই এই সড়কে পানি জমে থাকে। ড্রেনের মধ্যে ময়লা আবর্জনা ঢুকে অনেকে আগেই অকেজো হয়ে পড়েছে ড্রেন। এ পর্যন্ত পৌর কর্তৃপক্ষের কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি।
এ সময় তলিয়ে যাওয়া সবুজ খান নামের এক ফার্মেসি ব্যবসায়ী বলেন, ‘এই সমস্যা দীর্ঘদিনের। সড়কের ওপর দিয়ে প্রতিনিয়ত বসে ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা। তাদের ফেলা ময়লা আবর্জনায় ড্রেন ভরাট হয়ে গেছে। এ জন্য ড্রেন দিয়ে দ্রুত পানি যায় না।’
এ ছাড়াও অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, কালীবাড়ি মোড় থেকে থেকে লতিফ ভবন পর্যন্ত এই সড়কের ওপর ভ্রাম্যমাণ ব্যবসায়ীরা আপেল, কুমড়া, মালটা, পেয়ারাসহ বিভিন্ন ফল বিক্রি করে। তারা প্রতিনিয়ত ময়লা আবর্জনা ফেলতেই থাকে। তাদের ফেলা ময়লা আবর্জনায় দ্রুত পানি গড়াতে পারে না। তাই পানি জমে থাকে।
এ বিষয়ে পাংশা পৌর মেয়র ওয়াজেদ আলী মণ্ডলের সঙ্গে মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মাদ আলী বলেন, ‘ফুটপাত ব্যবসায়ীরা সম্পূর্ণ অবৈধভাবে এই সড়কে বসে। আমরা ইতিপূর্বে অনেকবার মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে তাদের জরিমানা করেছি এবং সড়কে যেন তারা কোনো ব্যবসা না করে সে জন্য জোরালোভাবে তাদের বলা হয়েছে। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে যেন ড্রেন দিয়ে পানি নিষ্কাশন হতে পারে সে বিষয়ে পৌর মেয়রকে বলা হবে।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১৩ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৭ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৯ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২২ মিনিট আগে