Ajker Patrika

পিরোজপুরের ৭ থানায় সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরু

পিরোজপুর প্রতিনিধি
পিরোজপুরের ৭ থানায় সীমিত পরিসরে কার্যক্রম শুরু

পিরোজপুর জেলার ৭টি থানার সব কটিতেই সীমিত পরিসরে কার্যক্রম চালু হয়েছে পুলিশের। আজ শনিবার থেকে পিরোজপুরের সদর থানা, নেছারাবাদ থানা, নাজিরপুর থানা, কাউখালী থানা, ইন্দুরকানী থানা, ভান্ডারিয়া থানা এবং মঠবাড়িয়া থানায় সীমিত পরিসরে কাজ শুরু করেছে পুলিশ। তাঁদের সাহায্য করছে সেনাবাহিনী।

পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মো. শরিফুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, তারা সীমিত পরিসরে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন। এখন সেনাবাহিনীর সঙ্গে পুলিশ সদস্যরা পেট্রলিং করছে।  

এদিকে বিএনসিসির সদস্যসহ শিক্ষার্থীরা পিরোজপুর শহর ও বিভিন্ন উপজেলায় ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে যাচ্ছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

গজারিয়ায় জনতার হাতে আটক ৩ ডাকাত সদস্য

গজারিয়া (প্রতিনিধি) মুন্সিগঞ্জ 
আটক তিনজনকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা
আটক তিনজনকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার গুয়াগাছিয়ায় ডাকাতি করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়েছেন তিনজন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ২১টি কার্তুজ, ৩টি রামদা, ২০টি ককটেল ও ৬টি পেট্রলবোমা উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলো নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে আবু হানিফ (৪২), চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার হাঁপানিয়া গ্রামের জসিম ব্যাপারীর ছেলে রাসেল (২৫) এবং গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের বালুয়াকান্দি গ্রামের মুজাফফর ব্যাপারীর ছেলে লোকমান (৩০)।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকায় চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে গ্রাম পাহারার ব্যবস্থা করা হয়। গতকাল রাত ১২টায় পাহারা শুরু করার পর রাত ২টা ৩০ মিনিটে গ্রামে ১০-১২ জন লোকের উপস্থিতি টের পায় পাহারাদার দল। এ সময় তাঁদের ধাওয়া দেওয়া হলে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও জনতার হাতে আটক হন তিনজন। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ২১টি কার্তুজ, ৩টি রামদা, ২০টি ককটেল ও ৬টি পেট্রলবোমা উদ্ধার করা হয়। গণপিটুনি দিয়ে তাঁদের আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় তাঁদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূরে আলম জিকু বলেন, ‘আহত তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে পুলিশ। আহতদের মধ্যে লোকমান ও আবু হানিফের অবস্থা ভালো নয়। তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাত-পা ভেঙে গেছে কি না—তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এক্স-রে করতে দেওয়া হয়েছে। এক্স-রে রিপোর্ট এলে বিস্তারিত বলতে পারব।’

আটককৃত লোকমান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমরা ডাকাত নই। আমাদের প্রতিপক্ষ নয়ন-পিয়াস গ্রুপের লোকজন গতকাল রাতে আমাদের মারধর করে জনতার হাতে তুলে দিয়েছে। এই ভোঁতা অস্ত্র, পেট্রলবোমা নিয়ে কেউ ডাকাতি করতে আসে? এসব অস্ত্রও তাদের দেওয়া।’

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। জনতার হাতে আটক তিনজনকে আমরা থানায় নিয়ে আসি। তাদের কাছ থেকে কিছু অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

পাবনায় মদ পানে ২ যুবকের মৃত্যু

পাবনা প্রতিনিধি
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

পাবনায় মদ পানে সুমন সরকার (৩৫) ও মামুন হোসেন (৩২) নামের দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত যুবকেরা হলেন পাবনা শহরের গোপালপুর মহল্লার সঞ্চিত সরকারের ছেলে সুমন সরকার এবং রাধানগর মক্তব এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে মামুন হোসেন (৩২)। তাঁরা বাদ্যযন্ত্রশিল্পী হিসেবে পরিচিত।

স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার রাতে তাঁরা উভয়ে একটি অনুষ্ঠান শেষে মদ পান করেন। এর পর থেকে তাঁরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। গতকাল রাতে বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁদের। তবে তাঁদের পরিবার থেকে মৃত্যুর বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে বা কথা বলতে রাজি হয়নি। ঘটনার পর থানায় অভিযোগও করেননি পরিবারের সদস্যরা।

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের দায়িত্বরত সিনিয়র স্টাফ নার্স সুখি খাতুন জানান, মৃত্যুর আগে তাঁদের একজনকে রাত ১২টা এবং অপরজনকে রাত ৩টার দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। একজন হাসপাতালে মারা গেলে তাঁকে তাঁর স্বজনেরা নিয়ে চলে যান। আরেকজন রাজশাহী নেওয়ার পথে মারা গেছেন।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দুলাল হোসেন বলেন, হাসপাতালের নথিপত্র অনুযায়ী তাঁদের মৃত্যুর কারণ মদপান উল্লেখ করা হয়েছে। কোথা থেকে, কীভাবে, কী মদ পান করে তাঁরা মারা গেলেন, এ বিষয়ে তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

ওসি আরও জানান, ‌একজনের মরদেহ সৎকার করেছেন পরিবারের সদস্যরা। অপরজনের মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে এখনো মৃত্যুর বিষয়ে কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

পদ্মার এই কাতল মাছটির দাম ১ লাখ ৮ হাজার টাকা

রাজবাড়ী প্রতিনিধি
১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কাতল। ছবি: আজকের পত্রিকা
১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হওয়া কাতল। ছবি: আজকের পত্রিকা

পদ্মায় জেলের জালে আটকা পড়া এক কাতল মাছ ১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। যার ওজন ছিল ৩০ কেজি। আজ শুক্রবার ভোরে মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার বাল্লা এলাকায় পদ্মা নদীতে জেলে মন্টু হলদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে বলে জানান রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ার মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ।

শাহজাহান শেখ বলেন, ‘জেলে মন্টু হলদারের বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলায়। ভোরে তিনি তাঁর দল নিয়ে মানিকগঞ্জ জেলার দাউদকান্দি এলাকায় পদ্মা নদীতে জাল ফেলেন। সেখানে তাঁর জালে বিশাল একটি কাতল মাছ আটকা পড়ে। পরে তিনি আমার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে মাছটি দৌলতদিয়ায় নিয়ে আসেন। আড়তে মাছটি ওজন দিয়ে দেখা যায় ৩০ কেজি। সে সময় মাছটি ৩ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে মোট ১ লাখ ৫ হাজার টাকায় কিনে নিই।’

সম্রাট শাহজাহান শেখ বলেন, ‘মাছটি কেনার পর বিক্রির জন্য মোবাইল ফোনে দেশের বিভিন্ন এলাকায় যোগাযোগ করি। পরে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলার এক সৌদিপ্রবাসীর কাছে ৩ হাজার ৬০০ টাকা কেজি দরে ১ লাখ ৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

শাহজালালে বিপুল পরিমাণ স্পাই ডিভাইস জব্দ, আটক ২

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা ­­
ডিভাইস পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার শাহারুন আলী ও মো. ইকবাল হোসেন জীবন। ছবি: আজকের পত্রিকা
ডিভাইস পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার শাহারুন আলী ও মো. ইকবাল হোসেন জীবন। ছবি: আজকের পত্রিকা

হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বহিরাঙ্গন এলাকা থেকে ইলেকট্রনিক স্পাই ডিভাইস ও অন্যান্য সামগ্রী জব্দ করেছে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। এসব ডিভাইস সাধারণত বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহার করা হয়।

এ ঘটনায় শাহারুন আলী (৩৮) ও মো. ইকবাল হোসেন জীবন (৩৫) নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে শাহরুন ও ইকবালকে প্রথমে আটক করে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে তাঁদের কাছে থেকে ৭৬টি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক স্পাই ডিভাইস, ৫০টি ইয়ারপিস, ৩টি ল্যাপটপ এবং ৬টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, শাহারুন আলী সাধারণ যাত্রীবেশে চীন থেকে এই ডিভাইসগুলো এনেছেন। বিমানবন্দরে আগে থেকে অপেক্ষায় ছিলেন চক্রের আরেক সদস্য মো. ইকবাল হোসেন জীবন। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে বিমানবন্দর ত্যাগ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন শাহরুন। এ সময় তাঁদের আটক করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এই স্পাই ডিভাইসগুলো বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতির কাজে ব্যবহৃত হয়। এতে থাকে ক্রেডিট কার্ড সদৃশ ডিভাইস, প্রায় অদৃশ্য ইয়ারপিস এবং স্বচ্ছ এক্সট্রাকশন থ্রেড। মূল ডিভাইসটি দেখতে ক্রেডিট কার্ডের মতো হওয়ায় এগুলো সহজে শনাক্ত করা যায় না। এই স্পাই ডিভাইসগুলো সিমের মাধ্যমে যুক্ত করে অসাধু পরীক্ষার্থীরা নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষার হলে নিয়ে যায়। অন্যপ্রান্তে যুক্ত থাকে প্রশ্নপত্র জালিয়াত চক্রের সদস্যরা। ক্রেডিট কার্ড সদৃশ ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনকামিং কল রিসিভ করে। ইয়ারপিসটি কানের ভেতরে রাখা হয়, বাইরে থেকে কিছুই বোঝা যায় না। এর মাধ্যমে পরীক্ষার হলের বাইরে থাকা অসাধু চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরীক্ষা শেষে অসাধু পরীক্ষার্থীরা স্বচ্ছ এক্সট্রাকশন থ্রেডের মাধ্যমে ইয়ারপিসটি নিরাপদে বের করে আনে।

পাচার চক্রের এই দুজনের বিরুদ্ধে আজ বিমানবন্দর থানায় (১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন এর ২৫ বি এর ১ (বি) / ২৫-ডি ধারা) মামলা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট (১৩) আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অপারেশনাল কমান্ডার পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মোজাম্মেল হক বলেন, স্পাই ডিভাইসগুলো আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য। এর আগে জালিয়াতির কাজে অসাধু ব্যক্তিরা নিয়োগ পরীক্ষা ও ভর্তি পরীক্ষায় ব্যবহার করেছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত