পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরে অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়া শত বছরের পুরোনো ভাড়ানি খাল উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সহায়তায় শুরু হয় খাল খনন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, পৌর শহরের বুক চিড়ে বয়ে চলা দুই কিলোমিটার দীর্ঘ ও ২০-২২ ফুট প্রস্থ এ খালের দুই পাশজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা। ফলে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত এবং এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছিল। এখন এসব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে খালটির আগের রূপ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে খালের দুই পাশের বেশ কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু পাকা স্থাপনাও রয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় সমাজসেবক তারেক রানা চৌধুরী বলেন, ঐতিহ্যবাহী ভাড়ানি খাল সংস্কার ও পুনরায় খনন করার ব্যাপারে জেলা প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে এবং সাধারণ নাগরিকদের এই কাজে সম্পৃক্ত করেছে, সেটি সাধুবাদ পাওয়ার দাবি রাখে। তবে এই ক্ষেত্রে কোনো প্রকল্প নেই। খুব স্বল্প পরিসরে কাজটি শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে পিরোজপুরের খালগুলো খনন করার জন্য একটি পরিকল্পনা নেওয়া উচিত।
শহরের বাসিন্দারা খালের পাড় দখলমুক্ত রেখে সবুজায়নের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান বলেন, ‘পিরোজপুর পৌরবাসীর প্রাণের দাবি ছিল এই খাল খনন ও দখলমুক্ত করা। খালে দূষণ ও দখলের জন্য পানিপ্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা আমাকে বলেছেন, একসময় এখানে এই খালের বেশ প্রভাব ছিল। আমরা এটি খননের কার্যক্রম শুরু করেছি। দুই কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি খনন করছি। আশা করি, এর দুই পাশের এলাকাবাসীও এ কাজে আমাদের সহায়তা করবেন।’

পিরোজপুরে অবৈধভাবে দখল হয়ে যাওয়া শত বছরের পুরোনো ভাড়ানি খাল উদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সহায়তায় শুরু হয় খাল খনন ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রম।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, পৌর শহরের বুক চিড়ে বয়ে চলা দুই কিলোমিটার দীর্ঘ ও ২০-২২ ফুট প্রস্থ এ খালের দুই পাশজুড়ে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে উঠেছিল বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা। ফলে খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত এবং এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছিল। এখন এসব স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিয়ে খালটির আগের রূপ ফিরিয়ে আনা হচ্ছে।
উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে ইতিমধ্যে খালের দুই পাশের বেশ কয়েকটি অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়েছে। এর মধ্যে কিছু পাকা স্থাপনাও রয়েছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় সমাজসেবক তারেক রানা চৌধুরী বলেন, ঐতিহ্যবাহী ভাড়ানি খাল সংস্কার ও পুনরায় খনন করার ব্যাপারে জেলা প্রশাসন যে উদ্যোগ নিয়েছে এবং সাধারণ নাগরিকদের এই কাজে সম্পৃক্ত করেছে, সেটি সাধুবাদ পাওয়ার দাবি রাখে। তবে এই ক্ষেত্রে কোনো প্রকল্প নেই। খুব স্বল্প পরিসরে কাজটি শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে পিরোজপুরের খালগুলো খনন করার জন্য একটি পরিকল্পনা নেওয়া উচিত।
শহরের বাসিন্দারা খালের পাড় দখলমুক্ত রেখে সবুজায়নের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আলম খান বলেন, ‘পিরোজপুর পৌরবাসীর প্রাণের দাবি ছিল এই খাল খনন ও দখলমুক্ত করা। খালে দূষণ ও দখলের জন্য পানিপ্রবাহ পুরোপুরি বন্ধ ছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা আমাকে বলেছেন, একসময় এখানে এই খালের বেশ প্রভাব ছিল। আমরা এটি খননের কার্যক্রম শুরু করেছি। দুই কিলোমিটার দীর্ঘ খালটি খনন করছি। আশা করি, এর দুই পাশের এলাকাবাসীও এ কাজে আমাদের সহায়তা করবেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে