পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী হনুফা আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। গৃহবধূর বন্ধু তাঁকে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিং—এ তথ্য জানান পিরোজপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের।
গ্রেপ্তার মো. মুসা হাওলাদার (২২) জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার সোনাখালী গ্রামের আবু হাওলাদারের ছেলে। গত রোববার তাঁকে চট্টগ্রামের হালি শহরের ইপিজেড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত হনুফা আক্তার (৩৬) মঠবাড়িয়ার উত্তর ভেচকী গ্রামের সৌদিপ্রবাসী মো. মিজানুর রহমানের স্ত্রী ও উপজেলার শিংগা গ্রামের মো. আ. জলিল ঘরামী মেয়ে। তিনি মঠবাড়িয়া সদর উপজেলায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
প্রেস ব্রিফিং—এ পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের বলেন, ফেসবুকে হনুফার সঙ্গে মুসা হাওলাদারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। হনুফার তিন সন্তান রয়েছে। তার বড় মেয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। এক ছেলে মাদ্রাসায় বোর্ডিং—এ ও ছোট মেয়ে দাদির কাছে গ্রামে থাকে। হনুফা মঠবাড়িয়ার ভাড়া বাড়িতে একায় থাকত। মুসা প্রায়ই গোপনে সেখানে যেত। গত ১ সেপ্টেম্বর হনুফাদের বাড়িতে অবস্থানের সময় মুসার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। এ দিন রাতেই মুসা হনুফাকে গলা টিপে হত্যা করে। এর দুই দিন পরে চট্টগ্রামে পালিয়ে যান মুসা। এ ঘটনায় হনুফার বাবা ২ সেপ্টেম্বর মঠবাড়িয়া থানায় অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, পুলিশ তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে হত্যাকারী মুসার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। মুসাকে আদালতে সোপর্দ করলে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রবাসীর স্ত্রী হনুফা আক্তারকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। গৃহবধূর বন্ধু তাঁকে হত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রেস ব্রিফিং—এ তথ্য জানান পিরোজপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের।
গ্রেপ্তার মো. মুসা হাওলাদার (২২) জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার সোনাখালী গ্রামের আবু হাওলাদারের ছেলে। গত রোববার তাঁকে চট্টগ্রামের হালি শহরের ইপিজেড এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত হনুফা আক্তার (৩৬) মঠবাড়িয়ার উত্তর ভেচকী গ্রামের সৌদিপ্রবাসী মো. মিজানুর রহমানের স্ত্রী ও উপজেলার শিংগা গ্রামের মো. আ. জলিল ঘরামী মেয়ে। তিনি মঠবাড়িয়া সদর উপজেলায় ভাড়া বাসায় থাকতেন।
প্রেস ব্রিফিং—এ পুলিশ সুপার খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের বলেন, ফেসবুকে হনুফার সঙ্গে মুসা হাওলাদারের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। হনুফার তিন সন্তান রয়েছে। তার বড় মেয়ে স্বামীর বাড়িতে থাকেন। এক ছেলে মাদ্রাসায় বোর্ডিং—এ ও ছোট মেয়ে দাদির কাছে গ্রামে থাকে। হনুফা মঠবাড়িয়ার ভাড়া বাড়িতে একায় থাকত। মুসা প্রায়ই গোপনে সেখানে যেত। গত ১ সেপ্টেম্বর হনুফাদের বাড়িতে অবস্থানের সময় মুসার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। এ দিন রাতেই মুসা হনুফাকে গলা টিপে হত্যা করে। এর দুই দিন পরে চট্টগ্রামে পালিয়ে যান মুসা। এ ঘটনায় হনুফার বাবা ২ সেপ্টেম্বর মঠবাড়িয়া থানায় অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করে।
পুলিশ সুপার আরও বলেন, পুলিশ তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে হত্যাকারী মুসার অবস্থান নিশ্চিত হয়ে চট্টগ্রামের ইপিজেড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। মুসাকে আদালতে সোপর্দ করলে হত্যার দায় স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
২৪ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
২৬ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
২৮ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে