
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার ধানখালীতে সদ্য চালু হওয়া ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের (আরএনপিএল) স্ক্র্যাপ শেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে এতে মূল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কোনো ক্ষতি হয়নি। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
গতকাল রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে প্রায় ২০ একর এলাকাজুড়ে থাকা স্ক্র্যাপ শেডে (পরিত্যক্ত লোহা-লক্কড় রাখার ছাউনি) আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের স্থলে অন্তত হাজার টন পরিত্যক্ত স্ক্র্যাপসহ লোহা-লক্কড় রয়েছে।
আগুনের লেলিহান শিখা দেখে গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিজস্ব দুটি দল রাত ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। আগুনে ১৩-১৪টি ডিউটি পোস্টের ক্ষতি হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ঠিক কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা নিরূপণ করতে পারেনি বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ।
কলাপাড়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার ইলিয়াস হোসাইন বলেন, সাড়ে তিন ঘণ্টার প্রচেষ্টায় তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনের সূত্রপাত উদ্ঘাটনে আমাদের তদন্ত চলছে।
পটুয়াখালী ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, আগুনে মূল পাওয়ার প্ল্যান্টের কোনো ক্ষতি হয়নি। পরিত্যক্ত লোহা, টিন ও বেশ কিছু কাঠ পুড়ে গেছে।
আশরাফ উদ্দিন বলেন, আগুনের সূত্রপাত উদ্ঘাটন ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল হালিমকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। তাঁদের আগামী দুই কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

একসময় স্বস্তি ও নিরাপদ যাত্রার অন্যতম মাধ্যম ছিল ট্রেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই ট্রেনযাত্রাই এখন পরিণত হয়েছে ভোগান্তি আর মৃত্যুঝুঁকির যাত্রায়। লাইনচ্যুত হওয়া, ইঞ্জিনে আগুন লাগা কিংবা ইঞ্জিন বিকল হয়ে মাঝপথে ট্রেন আটকে পড়া—নিত্যদিনের এসব ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে যাত্রীদের।
৫ ঘণ্টা আগে
বরগুনার আমতলী পৌরসভার কেন্দ্রীয় লেকের সৌন্দর্যবর্ধনের প্রকল্পের কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। লেকের মধ্যে নির্মাণাধীন ওয়াকওয়েতে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার ও ত্রুটিপূর্ণ কাজের কারণে গতকাল রোববার অবকাঠামো ধসে পড়ে।
৫ ঘণ্টা আগে
দ্বীপ জেলা ভোলায় বিদ্যুতের ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় (লোডশেডিং) অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন গ্রাহকেরা। বিদ্যুতের আবাসিক সংযোগের গ্রাহকেরা শুধু নন, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন শিল্পকারখানার মালিকেরাও। বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন কারখানায় উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে
যশোরের মনিরামপুরে সরকারি অর্থে দুটি খাল পুনঃখননের পর তীরে বৃক্ষরোপণ প্রকল্পে নিম্নমানের চারা লাগিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইও) দপ্তরের বিরুদ্ধে।
৫ ঘণ্টা আগে