
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে সাইফুল ইসলাম নামের এক যুবককে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার দুপুরে উপজেলার লালুয়া ইউনিয়নের চরচান্দুপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাইফুল ইসলাম (৩০) ওই গ্রামের বাচ্চু খলিফার ছেলে। তিনি বর্তমানে উপজেলার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরচান্দুপাড়া গ্রামের সিপন (৪০) মোল্লা কয়েক দিন আগে সাইফুলের জমিতে গরু দিয়ে জোরপূর্বক ঘাস খাওয়ান। এতে সাইফুল বাধা দেন। এ থেকে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসাও হয়। পরে গতকাল শিপন মোল্লা, কাওসার শরীফসহ ১০-১২ জন বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান সাইফুলকে। গ্রামের অন্য একটি জায়গায় নিয়ে তাঁকে ব্যাপক মারধর করে জখম করেন।
ভুক্তভোগীর মা ফিরোজা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলেকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে মারধর করেছে। বাধা দিলে আমাকেও থাপ্পড় মেরে ফেলে দেয় এবং কানের দুল নিয়ে যায়। তারা চাকু দেখিয়ে হুমকি দিয়ে যায়।’
আহত সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘জমিতে ঘাস খাওয়ানোর বিষয় আপস-মীমাংসা হয়েছে। তবু তারা আমাকে ডেকে নিয়ে মারধর করল। এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিপন মোল্লা বলেন, ‘ওখানে অনেক মানুষ উপস্থিত ছিল, সবাই যদি বলে তাহলে আমি দোষী। তবে, মারপিট দেখে আমি ছাড়াইতে গেছি।’
কলাপাড়া থানার পুলিশ উপপরিদর্শক জাকির হোসেন বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের কালিঞ্জা এলাকায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে মো. ইলিয়াস খান (২৬) নামে এক যুবক ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। তিনি ওই এলাকার সাত্তার খানের ছেলে। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে...
১ ঘণ্টা আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট উপজেলার মুশরীভূজা বটতলা গ্রামে সংঘর্ষে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলার পর গ্রেপ্তার আতঙ্কে পুরুষশূন্য হয়ে পড়েছে পুরো গ্রাম। অনেক পরিবারের প্রধানেরা আত্মগোপনে চলে যাওয়ায় নেমে এসেছে অনিশ্চয়তা, উদ্বেগ ও আর্থিক সংকট।
৮ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীর গোদাগাড়ীর হেরোইন সাম্রাজ্যে নতুন এক মাফিয়ার আবির্ভাব হয়েছে। তাঁর নাম নাসির উদ্দিন। একসময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সোর্স হিসেবে কাজ করা নাসির এখন নিজেই হেরোইন কারবারি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যদিও নাসির তা অস্বীকার করেছেন।
৮ ঘণ্টা আগে
জোয়ারের পানি ঢোকার সময় ঘরের দরজা বন্ধ করেও লাভ হয় না। বঙ্গোপসাগরের লোনাপানি ভাঙা বেড়িবাঁধ ছাপিয়ে মুহূর্তেই ঢুকে পড়ে বসতঘরে। খাট, আলমারি, রান্নাঘর, উঠান—সবকিছু পানিতে তলিয়ে যায়। ভাটার সময় পানি নেমে গেলেও থেকে যায় লবণের আস্তরণ। নষ্ট হয় ফসল। ক্ষতির মুখে পড়ে পুকুরের মাছ ও নলকূপ।
৮ ঘণ্টা আগে