দশমিনা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় চলতি বছর এসএসসি পাস করা এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নিশাত (১৬) একই গ্রামের মো. হেমায়েত উদ্দিন প্যাদার মেয়ে। সে এবার এসএসসি পাস করেছে।
নিশাতের ফুফাতো ভাই রাকিব হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিশাতের মা সকালে দেবরের নির্বাচনী ক্যাম্পিং করার জন্য বাসা থেকে বের হন। নিশাত বাসায় একা থাকে তাই মায়ের কাছে মোবাইল চায়। মোবাইল না দিয়ে মেয়েকে বকাঝকা করে ক্যাম্পিংয়ে চলে যান। ক্যাম্পিংয়ে থাকা অবস্থায় তাঁর ছোট মেয়ে মোবাইল করে বলে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ বাসায় আসতে বলা হয়। তখন নাজমা বেগম তাঁর স্বামী হেমায়েত উদ্দিনকে বিষয়টি জানান।
তখন হেমায়েত বসায় এসে ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে দেখেন নিশাত ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। তিনি ডাক চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবিদা নাসরিন জিতু নিশাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিশাতের বাবা হেমায়েত উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার ছোট ভাই সাখাওয়াত হোসেন শওকত চেয়ারম্যান পদে উপজেলা নির্বাচন করছে। তার নির্বাচনী প্রচারে আমি, আমার স্ত্রী, আমার ছেলে যাই। ফোন পেয়ে এসে দেখি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে মেয়ে নিশাত।’
তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ের এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেছে। ওকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন। ওর জিনগত সমস্যা ছিল। এ বিষয় নিয়ে ফকির দিয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। ঠিকও হয়। মাঝেমধ্যে বলত আমাকে পেছন থেকে কে যেন ডাকে।’
দশমিনা হাসপাতালের চিকিৎসক আবিদা নাসরিন জিতু বলেন, নিশাতকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই সে মারা যায়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নরুল ইসলাম মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে শুনে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

পটুয়াখালী দশমিনা উপজেলায় চলতি বছর এসএসসি পাস করা এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে। আজ শনিবার দুপুর ১টার দিকে বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের চরহোসনাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত নিশাত (১৬) একই গ্রামের মো. হেমায়েত উদ্দিন প্যাদার মেয়ে। সে এবার এসএসসি পাস করেছে।
নিশাতের ফুফাতো ভাই রাকিব হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিশাতের মা সকালে দেবরের নির্বাচনী ক্যাম্পিং করার জন্য বাসা থেকে বের হন। নিশাত বাসায় একা থাকে তাই মায়ের কাছে মোবাইল চায়। মোবাইল না দিয়ে মেয়েকে বকাঝকা করে ক্যাম্পিংয়ে চলে যান। ক্যাম্পিংয়ে থাকা অবস্থায় তাঁর ছোট মেয়ে মোবাইল করে বলে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ বাসায় আসতে বলা হয়। তখন নাজমা বেগম তাঁর স্বামী হেমায়েত উদ্দিনকে বিষয়টি জানান।
তখন হেমায়েত বসায় এসে ঘরের দরজা ভেঙে প্রবেশ করে দেখেন নিশাত ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে। তিনি ডাক চিৎকার করলে এলাকার লোকজন এসে উদ্ধার করে দশমিনা হাসপাতালে নিয়ে আসে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক আবিদা নাসরিন জিতু নিশাতকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিশাতের বাবা হেমায়েত উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার ছোট ভাই সাখাওয়াত হোসেন শওকত চেয়ারম্যান পদে উপজেলা নির্বাচন করছে। তার নির্বাচনী প্রচারে আমি, আমার স্ত্রী, আমার ছেলে যাই। ফোন পেয়ে এসে দেখি গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঘরের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে মেয়ে নিশাত।’
তিনি বলেন, ‘আমার মেয়ের এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করেছে। ওকে নিয়ে আমাদের অনেক স্বপ্ন। ওর জিনগত সমস্যা ছিল। এ বিষয় নিয়ে ফকির দিয়ে চিকিৎসা করিয়েছি। ঠিকও হয়। মাঝেমধ্যে বলত আমাকে পেছন থেকে কে যেন ডাকে।’
দশমিনা হাসপাতালের চিকিৎসক আবিদা নাসরিন জিতু বলেন, নিশাতকে হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই সে মারা যায়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নরুল ইসলাম মজুমদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ঘটনার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে শুনে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা রুজু করা হয়েছে। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে