তেঁতুলিয়া (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি

দেশের একমাত্র চারদেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধায় সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন মহেন্দ্রনাথ রায় নামে এক সিকিউরিটি গার্ড। বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের এক কর্মকর্তা ও এক কর্মচারী এ ঘুষ লেনদেন করেছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগের পর বিষয়টি জানাজানি হয়।
অভিযোগে জানা যায়, স্থলবন্দরে সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের সময় বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের প্রশাসন ও হিসাব বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক গোলাম হাফিজকে মহেন্দ্রনাথ ৯ জন সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের জন্য ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা ঘুষ দেয়। ৯ জন সিকিউরিটি গার্ড হচ্ছেন-শ্যামল, রিপন, সাগর, আনিত্য, কৃষ্ণ, শান্ত, সুমন, স্বপন ও আব্দুল করিম। তাঁরা প্রত্যেকে ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ দেন। এ টাকা মহেন্দ্রনাথ সহকারী ব্যবস্থাপককে প্রদান করেন।
অন্যদিকে, ল্যান্ডপোর্ট কর্তৃপক্ষ বলছে ওই সিকিউরিটি গার্ডদের কাছে ঘুষ নিয়েছেন মহেন্দ্রনাথ রায়। মহেন্দ্রনাথ রায় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ জন্য তাঁকে চাকরিচ্যুতও করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মহেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গোলাম হাফিজ বিভিন্ন কাজে আমাকে বাড়িতে ডাকতেন। একদিন সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের কথা বলেন। প্রার্থী থাকলে টাকা দিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন। আমি আমার এলাকার আগ্রহী কিছু ছেলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাঁকে দিই। উনি জনপ্রতি সিকিউরিটি গার্ডের জন্য আমাকে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা দিতেন।
মহেন্দ্রনাথ রায় আরও বলেন, গোলাম হাফিজ বিষয়টি অফিসের কাউকে না জানিয়ে গোপন রাখতে বলেন। কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ল্যান্ডপোর্ট কর্তৃপক্ষ আমাকে চাকরিচ্যুতির ধমক দিয়ে স্বীকারোক্তি লিখিয়ে নেয়।
গোলাম হাফিজ বলেন, সিকিউরিটি গার্ডদের কাছ থেকে টাকা নেন মহেন্দ্রনাথ। ঘুষের বিষয়টি জানাজানি হলে আমি মহেন্দ্রনাথকে টাকা ফেরতের জন্য চাপ দেই। তিনি আরও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়গুলো জানতে পারলে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। এ জন্য আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তিনি।
বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের অধীনে ১৫ জন সিকিউরিটি গার্ড দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়েছেন। তাঁরা জানান, মহেন্দ্র ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেড কর্তৃপক্ষের নাম করে ঘুষের টাকা নেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের কে এই টাকা নিয়েছেন তাঁরা তা জানেন না।
এ বিষয়ে সিকিউরিটি গার্ড সাগর রায় বলেন, আমি দরিদ্র ঘরের সন্তান। মহেন্দ্রনাথ রায়ের এলাকার ছেলে। আমাকে সিকিউরিটি গার্ড পদে চাকরি দেবে বলে ৩০ হাজার টাকা নেন তিনি। টাকা নেওয়ার সময় মহেন্দ্রনাথ বলেন বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট কর্তৃপক্ষের এক অফিসারকে এ টাকা দিতে হবে। আমি চাকরি পাওয়ার আশায় এই টাকা দিয়েছি।
বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের পোর্ট ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগে মহেন্দ্রনাথ বিভিন্নজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। আমরা তা নিশ্চিত হয়েছি। এ ব্যাপারে তিনি স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন। পরে হঠাৎ করে তিনি বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের এক কর্মকর্তার নামে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ এনেছেন।
পোর্ট ইনচার্জ আরও বলেন, একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করে এ অভিযোগটি করিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। তারপরও আমরা তদন্ত করছি।

দেশের একমাত্র চারদেশীয় স্থলবন্দর বাংলাবান্ধায় সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার এ নিয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন মহেন্দ্রনাথ রায় নামে এক সিকিউরিটি গার্ড। বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের এক কর্মকর্তা ও এক কর্মচারী এ ঘুষ লেনদেন করেছেন বলে জানা গেছে। অভিযোগের পর বিষয়টি জানাজানি হয়।
অভিযোগে জানা যায়, স্থলবন্দরে সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের সময় বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের প্রশাসন ও হিসাব বিভাগের সহকারী ব্যবস্থাপক গোলাম হাফিজকে মহেন্দ্রনাথ ৯ জন সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের জন্য ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা ঘুষ দেয়। ৯ জন সিকিউরিটি গার্ড হচ্ছেন-শ্যামল, রিপন, সাগর, আনিত্য, কৃষ্ণ, শান্ত, সুমন, স্বপন ও আব্দুল করিম। তাঁরা প্রত্যেকে ২৫ থেকে ৫০ হাজার টাকা করে ঘুষ দেন। এ টাকা মহেন্দ্রনাথ সহকারী ব্যবস্থাপককে প্রদান করেন।
অন্যদিকে, ল্যান্ডপোর্ট কর্তৃপক্ষ বলছে ওই সিকিউরিটি গার্ডদের কাছে ঘুষ নিয়েছেন মহেন্দ্রনাথ রায়। মহেন্দ্রনাথ রায় কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। এ জন্য তাঁকে চাকরিচ্যুতও করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মহেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গোলাম হাফিজ বিভিন্ন কাজে আমাকে বাড়িতে ডাকতেন। একদিন সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগের কথা বলেন। প্রার্থী থাকলে টাকা দিয়ে যোগাযোগ করতে বলেন। আমি আমার এলাকার আগ্রহী কিছু ছেলের কাছ থেকে টাকা নিয়ে তাঁকে দিই। উনি জনপ্রতি সিকিউরিটি গার্ডের জন্য আমাকে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা দিতেন।
মহেন্দ্রনাথ রায় আরও বলেন, গোলাম হাফিজ বিষয়টি অফিসের কাউকে না জানিয়ে গোপন রাখতে বলেন। কিন্তু বিষয়টি জানাজানি হয়ে গেলে ল্যান্ডপোর্ট কর্তৃপক্ষ আমাকে চাকরিচ্যুতির ধমক দিয়ে স্বীকারোক্তি লিখিয়ে নেয়।
গোলাম হাফিজ বলেন, সিকিউরিটি গার্ডদের কাছ থেকে টাকা নেন মহেন্দ্রনাথ। ঘুষের বিষয়টি জানাজানি হলে আমি মহেন্দ্রনাথকে টাকা ফেরতের জন্য চাপ দেই। তিনি আরও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়গুলো জানতে পারলে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। এ জন্য আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন তিনি।
বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের অধীনে ১৫ জন সিকিউরিটি গার্ড দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ঘুষ দিয়ে চাকরি নিয়েছেন। তাঁরা জানান, মহেন্দ্র ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেড কর্তৃপক্ষের নাম করে ঘুষের টাকা নেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষের কে এই টাকা নিয়েছেন তাঁরা তা জানেন না।
এ বিষয়ে সিকিউরিটি গার্ড সাগর রায় বলেন, আমি দরিদ্র ঘরের সন্তান। মহেন্দ্রনাথ রায়ের এলাকার ছেলে। আমাকে সিকিউরিটি গার্ড পদে চাকরি দেবে বলে ৩০ হাজার টাকা নেন তিনি। টাকা নেওয়ার সময় মহেন্দ্রনাথ বলেন বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট কর্তৃপক্ষের এক অফিসারকে এ টাকা দিতে হবে। আমি চাকরি পাওয়ার আশায় এই টাকা দিয়েছি।
বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের পোর্ট ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ বলেন, সিকিউরিটি গার্ড নিয়োগে মহেন্দ্রনাথ বিভিন্নজনের কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। আমরা তা নিশ্চিত হয়েছি। এ ব্যাপারে তিনি স্বীকারোক্তিও দিয়েছেন। পরে হঠাৎ করে তিনি বাংলাবান্ধা ল্যান্ডপোর্ট লিমিটেডের এক কর্মকর্তার নামে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ এনেছেন।
পোর্ট ইনচার্জ আরও বলেন, একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করে এ অভিযোগটি করিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। তারপরও আমরা তদন্ত করছি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে