পঞ্চগড় প্রতিনিধি

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে এক প্রধান শিক্ষক বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার ৪৭ নম্বর সোনাপাতিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এব্যাপারে বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি মো. শের আলী পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা উল্লেখ করে পৃথক পৃথক লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রহিম গাজি বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরী মো. আফতাবর রহমানের সহায়তায় সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংক আটোয়ারী শাখা হতে ছয়টি চেকের মাধ্যমে ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মুসফিকুল আলম হালিমের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এসএমসির সভাপতির স্বাক্ষরিত অভিযোগ পেয়েছি। এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. তোবারক আলীকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ছাইফুল আলমের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এ সম্পর্কিত একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহের অনুকূলে বিভিন্ন ফান্ডে সরকারি অনুদান প্রাপ্ত হয়। ওই অনুদানের টাকা আমরা স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাই। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের দৃশ্যমান উন্নয়নমূলক কাজ করে এসএমসির সভায় উপস্থাপন করে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক থেকে টাকা ওঠানোর নিয়ম রয়েছে।
প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রহিম গাজির সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোন কেটে দিয়ে মোবাইল ফোনটি বন্ধ রাখেন।
বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরী মো. আফতাবর রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক আমাকে চেক দিয়েছে আমি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে প্রধান শিক্ষক স্যারকে দিয়েছি। জাল স্বাক্ষরের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।
এদিকে বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি মো. শের আলীর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দীর্ঘ দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে এসএমসির কোনো রকম মাসিক সভা না করে এমনকি কমিটির কোনো সদস্যকে না জানিয়ে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরী মো. আফতাবর রহমানের সহায়তায় আমার স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংক, আটোয়ারী শাখায় সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর-১৯০২১০০০০০৮২৪২ হতে বিভিন্ন সময় ছয়টি চেকের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা উত্তোলন করে সম্পূর্ণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এব্যাপারে কমিটির কোনো সদস্য অবগত নেই।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি (এসএমসি) সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে এক প্রধান শিক্ষক বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে, উপজেলার ৪৭ নম্বর সোনাপাতিলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এব্যাপারে বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি মো. শের আলী পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবরে প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতা উল্লেখ করে পৃথক পৃথক লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রহিম গাজি বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরী মো. আফতাবর রহমানের সহায়তায় সভাপতির স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংক আটোয়ারী শাখা হতে ছয়টি চেকের মাধ্যমে ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মুসফিকুল আলম হালিমের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এসএমসির সভাপতির স্বাক্ষরিত অভিযোগ পেয়েছি। এব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. তোবারক আলীকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. ছাইফুল আলমের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, এ সম্পর্কিত একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয় সমূহের অনুকূলে বিভিন্ন ফান্ডে সরকারি অনুদান প্রাপ্ত হয়। ওই অনুদানের টাকা আমরা স্ব-স্ব বিদ্যালয়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাই। পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের দৃশ্যমান উন্নয়নমূলক কাজ করে এসএমসির সভায় উপস্থাপন করে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যৌথ স্বাক্ষরে ব্যাংক থেকে টাকা ওঠানোর নিয়ম রয়েছে।
প্রধান শিক্ষক মো. আব্দুর রহিম গাজির সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগ করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ফোন কেটে দিয়ে মোবাইল ফোনটি বন্ধ রাখেন।
বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরী মো. আফতাবর রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক আমাকে চেক দিয়েছে আমি ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন করে প্রধান শিক্ষক স্যারকে দিয়েছি। জাল স্বাক্ষরের ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।
এদিকে বিদ্যালয়ের এসএমসির সভাপতি মো. শের আলীর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, কোভিড-১৯ মহামারির কারণে দীর্ঘ দিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে এসএমসির কোনো রকম মাসিক সভা না করে এমনকি কমিটির কোনো সদস্যকে না জানিয়ে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরী মো. আফতাবর রহমানের সহায়তায় আমার স্বাক্ষর জাল করে সোনালী ব্যাংক, আটোয়ারী শাখায় সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের যৌথ স্বাক্ষরে পরিচালিত সঞ্চয়ী হিসাব নম্বর-১৯০২১০০০০০৮২৪২ হতে বিভিন্ন সময় ছয়টি চেকের মাধ্যমে মোট ১ লাখ ৫৪ হাজার টাকা উত্তোলন করে সম্পূর্ণ অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। এব্যাপারে কমিটির কোনো সদস্য অবগত নেই।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে