আল মামুন জীবন, বোদা (পঞ্চগড়) থেকে

পঞ্চগড়ের বোদায় নৌকাডুবির ঘটনা অবহেলার কারণে ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। ঘাটে যাঁরা দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেননি বলে মন্তব্য করেন রেলমন্ত্রী।
আজ বুধবার বিকেলে মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়ন পরিষদে নৌকাডুবিতে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চগড়ের মানুষ এত বড় নৌকাডুবির ঘটনা কখনো দেখেনি। এখানে প্রশাসনের গাফিলতি ছিল। আমাদের লোকও দেখেনি, ঘাটের লোকও দেখেনি। এটা একটা অবহেলার কারণ হিসেবে আমি দেখছি। ঘাটে যারা দায়িত্বে ছিল তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেনি।’
রেলপথমন্ত্রী বলেন, ‘যাত্রীদেরও অবহেলা আছে। মাঝিরও উচিত ছিল একসঙ্গে এত মানুষ নৌকায় না ওঠানো। আর যারা ঘাটের দায়িত্বে ছিল তাদেরও দায়িত্বের অভাব ছিল। যদি দায়িত্ব পালন করত, তাহলে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটত না। কারা দায়িত্ব পালন করেছে আর কারা করেনি, তা খতিয়ে দেখার জন্য জেলা থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নুরুল ইসলাম সুজন আরও বলেন, স্বজনহারা পরিবারগুলোর জন্য যা যা করা দরকার, সরকারের পক্ষ থেকে সবই করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নিহতদের প্রত্যেককে জেলা প্রশাসকের পক্ষে ২০ হাজার টাকা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান থেকে ২৫ হাজার টাকা, ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা ও রেলপথমন্ত্রীর পক্ষে থেকে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত রোববার বেলা ৩টার দিকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নে অবস্থিত করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাট থেকে শতাধিক পুণ্যার্থী নিয়ে একটি নৌকা বদেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিল। নৌকাটি নদীর মাঝে গেলে মোড় নেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে নারী ৩০ জন, পুরুষ ১৮ জন এবং শিশু ২১ জন।

পঞ্চগড়ের বোদায় নৌকাডুবির ঘটনা অবহেলার কারণে ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। ঘাটে যাঁরা দায়িত্বে ছিলেন তাঁরা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেননি বলে মন্তব্য করেন রেলমন্ত্রী।
আজ বুধবার বিকেলে মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়ন পরিষদে নৌকাডুবিতে মৃতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘পঞ্চগড়ের মানুষ এত বড় নৌকাডুবির ঘটনা কখনো দেখেনি। এখানে প্রশাসনের গাফিলতি ছিল। আমাদের লোকও দেখেনি, ঘাটের লোকও দেখেনি। এটা একটা অবহেলার কারণ হিসেবে আমি দেখছি। ঘাটে যারা দায়িত্বে ছিল তারা সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেনি।’
রেলপথমন্ত্রী বলেন, ‘যাত্রীদেরও অবহেলা আছে। মাঝিরও উচিত ছিল একসঙ্গে এত মানুষ নৌকায় না ওঠানো। আর যারা ঘাটের দায়িত্বে ছিল তাদেরও দায়িত্বের অভাব ছিল। যদি দায়িত্ব পালন করত, তাহলে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটত না। কারা দায়িত্ব পালন করেছে আর কারা করেনি, তা খতিয়ে দেখার জন্য জেলা থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
নুরুল ইসলাম সুজন আরও বলেন, স্বজনহারা পরিবারগুলোর জন্য যা যা করা দরকার, সরকারের পক্ষ থেকে সবই করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে ত্রাণ প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে নিহতদের প্রত্যেককে জেলা প্রশাসকের পক্ষে ২০ হাজার টাকা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান থেকে ২৫ হাজার টাকা, ত্রাণ তহবিল থেকে ৫০ হাজার টাকা ও রেলপথমন্ত্রীর পক্ষে থেকে ৫ হাজার টাকা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত রোববার বেলা ৩টার দিকে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া ইউনিয়নে অবস্থিত করতোয়া নদীর আউলিয়া ঘাট থেকে শতাধিক পুণ্যার্থী নিয়ে একটি নৌকা বদেশ্বরী মন্দিরে যাচ্ছিল। নৌকাটি নদীর মাঝে গেলে মোড় নেওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ৬৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে নারী ৩০ জন, পুরুষ ১৮ জন এবং শিশু ২১ জন।

খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১২ মিনিট আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১৬ মিনিট আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
২৭ মিনিট আগে
অনেকটা মানসিক রোগীর মতো আচরণ করলেও খুব ঠান্ডা মাথায় এক বৃদ্ধা, এক নারী ও এক কিশোরীসহ ছয়জনকে খুন করেছেন মশিউর রহমান ওরফে সম্রাট (৪০)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এসব খুনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
৩৫ মিনিট আগে