
পাবনা সদর উপজেলায় ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় জড়িত আন্তঃজেলা চোরচক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন অংশ ও চুরির কাজে ব্যবহৃত সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।
আজ সোমবার বিকেলে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ। এর আগে গতকাল রোববার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন, পাবনা সদর উপজেলার চর ঘোষপুর গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে উজ্জল হোসেন (৩৮), একই গ্রামের আবেদ প্রামানিকের ছেলে জীবন (২৮), সিংগা বাজার এলাকার শামজাদ ফকিরের ছেলে আরমান ফকির (৩৮), গঙ্গারামপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফার রতনের ছেলে জহুরুল ইসলাম (৩০), পয়দা রহিমপুর গ্রামের তোরাব ফকিরের ছেলে দুলাল ফকির (৩৫) এবং রামেশ্বরপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের ময়েজ উদ্দিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩০)।
পুলিশ সুপার জানান, গত ১০ জুলাই রাতে সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের চর কোমরপুর এলাকায় সরকারি বিএডিসির সেচ প্রকল্পের পাশে পাবনা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২-এর একটি খুঁটিতে স্থাপিত প্রায় ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের ১০ কেভিএ ক্ষমতাসম্পন্ন বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়।
ঘটনার পরদিন সেচ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা কৃষক শাহিনুর রহমান সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।
মামলার পর তদন্ত শুরু করে জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল রাতে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চক্রের ছয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার জীবনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বাড়ির পাশের একটি বাঁশঝাড় থেকে চুরি হওয়া ট্রান্সফরমারের বিভিন্ন অংশ এবং চুরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান, ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজারের রামুতে সংরক্ষিত বনের অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হয়েছেন বন বিভাগের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারী। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগের পানেরছড়া রেঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৪ মিনিট আগে
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় নার্গিস বেগম (৪০) নামের এক গৃহবধূর বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার কুমেদপুর ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামের একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী লাশটি উদ্ধার করা হয়।
২৮ মিনিট আগে
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুপুরে খাবার খেয়ে বাড়ির উঠানে খেলছিল আব্দুল্লাহ। এ সময় তার বাবা-মা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর শিশুটিকে কোথাও দেখতে না পেয়ে তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পেছনে প্রতিবেশীর একটি পুকুরে তাকে ভাসতে দেখতে পান তার বাবা।
১ ঘণ্টা আগে
অভিযানকালে ঢাকাগামী একটি বাসে যাত্রীবেশে থাকা রাজশাহীর মতিহার উপজেলার বাসিন্দা মো. সাগর আহমদের (৩৮) কাছ থেকে ১২৫ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নেত্রকোনা সদর উপজেলার গরুহাট্টা এলাকা থেকে মো. মাসুদ মিয়াকে (৪২) আটক করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে