ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার পাবনার বিশেষ জজ আদালতের (জেলা জজ) বিচারক আহসান তারেক এই রায় ঘোষণা করেন।
একইসঙ্গে এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৮ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার ছলিমপুরের বাবুলচারা গ্রামের জিয়া শাহ ও মজিবর শাহ, শাহজাহান শাহ, আতু শাহ, সেন্টু শাহ ও ইয়ারুল শাহ। মামলার আসামিরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে খেতের মধ্যেই উপজেলার বাবুলচারা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান শাহের ছেলে সিকেন্দার শাহকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই জিন্নাত শাহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরমধ্যে দুজনের মৃত্যু হওয়ায় ২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি পুলিশ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলাটির দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ সোমবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক এবং আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কাজী সাইদুর রহমান। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামিরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন দাবি করে উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন আসামীপক্ষের আইনজীবী।

পাবনার ঈশ্বরদীতে একটি হত্যা মামলায় ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আজ সোমবার পাবনার বিশেষ জজ আদালতের (জেলা জজ) বিচারক আহসান তারেক এই রায় ঘোষণা করেন।
একইসঙ্গে এ মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৮ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন ঈশ্বরদী উপজেলার ছলিমপুরের বাবুলচারা গ্রামের জিয়া শাহ ও মজিবর শাহ, শাহজাহান শাহ, আতু শাহ, সেন্টু শাহ ও ইয়ারুল শাহ। মামলার আসামিরা সবাই আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাদের পাবনা জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে খেতের মধ্যেই উপজেলার বাবুলচারা গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান শাহের ছেলে সিকেন্দার শাহকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করে প্রতিপক্ষের লোকজন। এ ঘটনায় নিহতের ভাই জিন্নাত শাহ ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরমধ্যে দুজনের মৃত্যু হওয়ায় ২০১১ সালের ৪ জানুয়ারি পুলিশ ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। মামলাটির দীর্ঘ শুনানি শেষে আজ সোমবার রায় ঘোষণা করেন আদালত।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট দেওয়ান মজনুল হক এবং আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট কাজী সাইদুর রহমান। রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও আসামিরা ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন দাবি করে উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন আসামীপক্ষের আইনজীবী।

ভারত থেকে কারাভোগ শেষে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় ১৭ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে নওগাঁ ব্যাটালিয়নের (১৬ বিজিবি) অধীন চাড়ালডাংগা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯-আর-সংলগ্ন এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়।
৫ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১ ঘণ্টা আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে