সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ এইচ এম খাইরুল আনাম চৌধুরী সেলিমকে হারিয়ে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আতাহার ইশরাক সাবাব চৌধুরী। সাবাব স্থানীয় সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী ও কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুন নাহার শিউলির ছেলে।
আজ বুধবার রাতে উপজেলা পরিষদের ফলাফল ঘোষণা কক্ষ থেকে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নওয়াবুল ইসলাম।
ফলাফল অনুযায়ী, আতাহার ইশরাক সাবাব চৌধুরী আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ৬৪৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আ ন ম খায়রুল আনাম চৌধুরী সেলিম পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৪৫ ভোট।
৭০৩ ভোটের ব্যবধানে খায়রুল আনামকে হারিয়ে জয়ী হন একরামুলের ছেলে আতাহার ইশরাক সাবাব।
এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. আবদুল্যাহ আল মামুন নির্বাচিত হন। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ২৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ফরহাদ হোসেন চৌধুরী বাহার পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৮ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুন্নী আহমেদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪১১ ভোট।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলেয়া বেগম পেয়েছে ৬ হাজার ৩২৬ ভোট। এই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ২৫ হাজার ১৮৮ জন।

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এ এইচ এম খাইরুল আনাম চৌধুরী সেলিমকে হারিয়ে চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন আতাহার ইশরাক সাবাব চৌধুরী। সাবাব স্থানীয় সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী ও কবিরহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুন নাহার শিউলির ছেলে।
আজ বুধবার রাতে উপজেলা পরিষদের ফলাফল ঘোষণা কক্ষ থেকে নির্বাচিতদের নাম ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নওয়াবুল ইসলাম।
ফলাফল অনুযায়ী, আতাহার ইশরাক সাবাব চৌধুরী আনারস প্রতীকে ৩৭ হাজার ৬৪৮ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও বর্তমান চেয়ারম্যান আ ন ম খায়রুল আনাম চৌধুরী সেলিম পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৪৫ ভোট।
৭০৩ ভোটের ব্যবধানে খায়রুল আনামকে হারিয়ে জয়ী হন একরামুলের ছেলে আতাহার ইশরাক সাবাব।
এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো. আবদুল্যাহ আল মামুন নির্বাচিত হন। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ২৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. ফরহাদ হোসেন চৌধুরী বাহার পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৮ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুন্নী আহমেদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪১১ ভোট।
তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলেয়া বেগম পেয়েছে ৬ হাজার ৩২৬ ভোট। এই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ২৫ হাজার ১৮৮ জন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে