
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা বোরহান উদ্দিনের সমর্থকদের গণসংযোগের সময় হামলার অভিযোগ উঠেছে। এতে সাতজন আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাতে কাজী বাড়ির দরজায় এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা জানান, বিকেল থেকে তাঁরা ওই ইউনিয়নে গণসংযোগ শুরু করেন। রাতে কাজী বাড়ির সামনে গেলে দেশীয় অস্ত্রসহ স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালান। এ সময় এনসিপি কর্মী জাহিদ (১৯), হৃদয় (২৭), অনিক (১৯), অপূর্ব (১৯), সাইফ (১৮), নজরুল ইসলাম সাগর, জেলা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মো. হাবিব উল্লাহসহ সাতজন আহত হন। তাঁদের স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে এনসিপির কর্মী জাহিদকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকার নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামাক্ষা চন্দ্র দাস জানান, শিবিরের কিছু লোক পার্শ্ববর্তী আমানউল্যাহপুর থেকে এসে ঝামেলা করার চেষ্টা করলে বিএনপির নেতা-কর্মী ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের ধাওয়া করেন। তবে কাউকে মারধর করা হয়নি। দৌড়ে পালাতে গিয়ে পড়ে হয়তো আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুজ্জামান জানান, উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে একটা লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

জাতীয় পার্টির (জাপা) একসময়ের শক্ত ঘাঁটি ছিল গাইবান্ধা। জেলার পাঁচটি আসনের সব কটিই দলটির দখলে ছিল। তবে সেটি এখন ইতিহাস। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, বর্তমানে এখানে দৃশ্যত অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে দলটি।
৩১ মিনিট আগে
‘আমি এমপি প্রার্থী হাবিবা। ভাইস চেয়ারম্যান দাঁড়ানু না দাদু আমি? ওই হাবিবা আমি। ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ার পরে তো চেয়ার কাইড়ে নিল। দয়া করে আমার ফুটবল মার্কায় ভোটটা দিয়েন।’ এভাবেই মানুষের কাছে ভোট চাইছেন রাজশাহী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবা বেগম।
৩৪ মিনিট আগে
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে রংপুর বিভাগের আট জেলার ৩৩টি আসনে মোট প্রার্থী ২৩৪ জন। একসময় জাতীয় পার্টির ঘাঁটিখ্যাত এই বিভাগে এবার তাদের অবস্থান অনেকটাই দুর্বল বলে জানিয়েছেন ভোটাররা। বেশির ভাগ আসনে এবার বিএনপি-জামায়াত দ্বিমুখী লড়াই হওয়ার আভাস দিচ্ছেন এলাকার মানুষ।
১ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনই একসময় বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি ছিল কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) ও কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে। কিন্তু ২০০৮ সালে নির্বাচনে বেহাত হওয়া আসন দুটি আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়।
১ ঘণ্টা আগে