
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ছাত্রদলের দুই কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী। একই দিনে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মুক্তার হোসেনকেও (৩৬) গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, একটি অ্যামোনিশন, একটি গ্যাস পিস্তল, ৭.৬৫ মিলিমিটার ন্যাটো (মেড ইন ইউএসএ) পিস্তল, ৯টি দেশীয় অস্ত্র, একটি চায়নিজ কুড়াল, একটি রামদা, চারটি ছেনি ও তিনটি ছুরি জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার উথুরা গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে মো. কামরুল ও মো. ছাব্বির হোসেন। দুজনই ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী। এ ছাড়া গফরগাঁও উপজেলার হাটুরিয়া গ্রামের রইস উদ্দিনের ছেলে মুক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক।
আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশের কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ ভোরে উথুরা গ্রামে অভিযান চালিয়ে সহোদর দুই ভাই ছাব্বির ও কামরুলকে বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে একই দিন রাতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় মুক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

জামায়াত প্রার্থীর গণসংযোগ চলাকালে বিএনপির কর্মীরা অতর্কিতভাবে গাড়িবহরে হামলা চালান। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হন। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিয়ে এলাকায় ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
৩ মিনিট আগে
রাজধানীর মিরপুরে দুই সন্তানসহ বাবা ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পল্লবী থানাধীন মিরপুর-১১ এর ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
১৯ মিনিট আগে
সুন্নতে খতনা করাতে গিয়ে শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় রাজধানী বাড্ডার সাঁতারকুলের ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ অ্যান্ড হাসপাতালের তিন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এই পরোয়ানা জারি করেন।
২৯ মিনিট আগে
আসাদুজ্জামান বাবুল আরও বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষ থেকে তাঁদের নির্বাচনী অফিস নির্মাণে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তোলা হলেও বাস্তবে তাঁরা নিজেরাই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০ থেকে ২০টি পর্যন্ত অফিস স্থাপন করেছেন। এসব বিষয়ে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণে অফিসগুলো এখনো বহাল রয়েছে।
৩২ মিনিট আগে