সৈয়দপুর বিমানবন্দর
রেজা মাহমুদ, সৈয়দপুর (নীলফামারী)

নেপাল ও ভুটানের আগ্রহে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণের লক্ষ্য তোড়জোড় শুরু হয়েছিল ছয় বছর আগে। এ জন্য ৯১২ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য চিহ্নিত করা হয়, দেওয়া হয় ৪ ধারার নোটিশও। তবে ছয় বছরে সেই কাজ আর এগোয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন জমির মালিকেরা। সরকারি ওই নোটিশের কারণে কেউ জমিও বিক্রি করতে পারছেন না।
সৈয়দপুর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে আকাশপথে ২৬০ কিলোমিটার দূরত্বের এই বিমানবন্দরে যেতে সময় লাগে ৪৮ মিনিট। ৬ হাজার ফুট রানওয়ের বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭৯ সালে। এই বিমানবন্দর থেকে সর্বোচ্চ ১৮০ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে নেপাল ও ভুটান সীমান্ত। এই দুই দেশের বিমানবন্দর পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় সেখানে অবতরণ-উড্ডয়ন ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এই দুটি দেশই সৈয়দপুর বিমানবন্দরটি ব্যবহারে আগ্রহ দেখায়। সেই অনুযায়ী ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল বিমানবন্দরটি উন্নীতকরণ প্রকল্প সীমানা চিহ্নিত ও জরিপকাজ শুরু হয়। জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা (এলএ) ওই বছরের ১১ জুলাই ওই জরিপকাজ সম্পন্ন করে। জমি অধিগ্রহণে ভূমিমালিকদের ৪ ধারার নোটিশ জারি করে।
সূত্রটি আরও জানায়, ২০২০ সালের নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার গাইওয়ালি বাংলাদেশ সফরে সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেন। আর ভুটানের অর্থনীতিবিষয়ক সেক্রেটারি কারমা শেরিং ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে পুনরায় আলোচনা করেন। তবে ২০২৩ সালে ভারত এই বিমানবন্দরে অর্থায়ন না করার কথা জানালে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন নিয়ে সৃষ্টি হয় অনিশ্চয়তা।
এরপর ২০২৪ সালের আগস্টে পটপরিবর্তন হলে অন্তর্বর্তী সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়। সেই লক্ষ্যে ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সৈয়দপুর বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন। তবে দীর্ঘ ৭ মাস অতিবাহিত হলেও প্রকল্পটির দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ১৩৬ দশমিক ৫৯ একর জমি রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে আরও ৯১২ দশমিক ৯০ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে সৈয়দপুর উপজেলার বাঙ্গালিপুর ইউনিয়ন এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচী ইউনিয়ন রয়েছে। সৈয়দপুরের ৫৯৫ দশমিক ১৩ একর জমির মধ্যে সরকারি ৩টি সংস্থার ৬০ একর জমি রয়েছে; আর পার্বতীপুরে রয়েছে ৩১৭ দশমিক ৭৭ একর ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি। জমি অধিগ্রহণে ভূমিমালিকদের ২০১৯ সালে ৪ ধারার নোটিশ জারি করা হয়। এরপর থেকে কেউ সেখানে জমি কেনাবেচা করতে পারছেন না। এদিকে সরকার অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ায় থমকে আছে জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য কাজ।
এ নিয়ে কথা হয় বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়ার সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রয়োজন সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। আর অন্যান্য কাজে লাগবে ৫ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়নের কাজে ব্যয় হবে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা। এ প্রস্তাবনা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই শুরু হবে কাজ।
বিপাকে এলাকাবাসী
বিমানবন্দরের চিহ্নিত জায়গায় জমি রয়েছে জাহাঙ্গীর হোসেনের। তিনি বলেন, ‘জমি অধিগ্রহণের জন্য নোটিশ দিয়েছে প্রায় সাত বছর আগে, কিন্তু এখনো জমির টাকা পাইনি। আমার স্ত্রী জটিল রোগে আক্রান্ত। তার চিকিৎসায় অনেক টাকা দরকার। ভেবেছিলাম, জমির টাকা পেলে চিকিৎসা করাব। কিন্তু সরকার সেই টাকা দিচ্ছে না, অন্য কোথাও জমি বিক্রি করতেও পারছি না।’
শুধু জাহাঙ্গীর নন, সৈয়দপুরের অনেকে এমন সংকটে রয়েছেন। জমি পছন্দ হলেও অনেকে কিনতে পারছেন না। অনেকে বিক্রি করতে চাইলেও গ্রাহক পাচ্ছেন না সরকারি নোটিশের কারণে।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হলে নেপাল, ভুটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যের সঙ্গে বহুমুখী যোগাযোগ বাড়বে। দেশের অবহেলিত উত্তরাঞ্চলের মানুষ পাবে অর্থনৈতিক ও যোগাযোগে নানা সুবিধা। বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে। তাই আমরা এই বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’
তবে বেবিচক সূত্র বলছে ভিন্ন কথা। বেবিচকের প্রকৌশল বিভাগ জানায়, অর্থ বরাদ্দ পেলে দেড় থেকে দুই বছর লাগবে জমি অধিগ্রহণসহ টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করতে। এরপর রানওয়ে সম্প্রসারণ, নতুন রানওয়ে নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিতে অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে আরও তিন-চার বছর লাগবে।

নেপাল ও ভুটানের আগ্রহে নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণের লক্ষ্য তোড়জোড় শুরু হয়েছিল ছয় বছর আগে। এ জন্য ৯১২ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য চিহ্নিত করা হয়, দেওয়া হয় ৪ ধারার নোটিশও। তবে ছয় বছরে সেই কাজ আর এগোয়নি। এতে বিপাকে পড়েছেন জমির মালিকেরা। সরকারি ওই নোটিশের কারণে কেউ জমিও বিক্রি করতে পারছেন না।
সৈয়দপুর বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে আকাশপথে ২৬০ কিলোমিটার দূরত্বের এই বিমানবন্দরে যেতে সময় লাগে ৪৮ মিনিট। ৬ হাজার ফুট রানওয়ের বিমানবন্দরে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৭৯ সালে। এই বিমানবন্দর থেকে সর্বোচ্চ ১৮০ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে নেপাল ও ভুটান সীমান্ত। এই দুই দেশের বিমানবন্দর পাহাড়ি এলাকায় হওয়ায় সেখানে অবতরণ-উড্ডয়ন ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এই দুটি দেশই সৈয়দপুর বিমানবন্দরটি ব্যবহারে আগ্রহ দেখায়। সেই অনুযায়ী ২০১৯ সালের ৮ এপ্রিল বিমানবন্দরটি উন্নীতকরণ প্রকল্প সীমানা চিহ্নিত ও জরিপকাজ শুরু হয়। জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা (এলএ) ওই বছরের ১১ জুলাই ওই জরিপকাজ সম্পন্ন করে। জমি অধিগ্রহণে ভূমিমালিকদের ৪ ধারার নোটিশ জারি করে।
সূত্রটি আরও জানায়, ২০২০ সালের নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ কুমার গাইওয়ালি বাংলাদেশ সফরে সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব পুনর্ব্যক্ত করেন। আর ভুটানের অর্থনীতিবিষয়ক সেক্রেটারি কারমা শেরিং ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ সফরকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবহারের বিষয়টি নিয়ে পুনরায় আলোচনা করেন। তবে ২০২৩ সালে ভারত এই বিমানবন্দরে অর্থায়ন না করার কথা জানালে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন নিয়ে সৃষ্টি হয় অনিশ্চয়তা।
এরপর ২০২৪ সালের আগস্টে পটপরিবর্তন হলে অন্তর্বর্তী সরকার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়। সেই লক্ষ্যে ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সৈয়দপুর বিমানবন্দর পরিদর্শন করেন। তবে দীর্ঘ ৭ মাস অতিবাহিত হলেও প্রকল্পটির দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ১৩৬ দশমিক ৫৯ একর জমি রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে আরও ৯১২ দশমিক ৯০ একর জমি অধিগ্রহণের জন্য চিহ্নিত করা হয়। এর মধ্যে সৈয়দপুর উপজেলার বাঙ্গালিপুর ইউনিয়ন এবং দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার বেলাইচী ইউনিয়ন রয়েছে। সৈয়দপুরের ৫৯৫ দশমিক ১৩ একর জমির মধ্যে সরকারি ৩টি সংস্থার ৬০ একর জমি রয়েছে; আর পার্বতীপুরে রয়েছে ৩১৭ দশমিক ৭৭ একর ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি। জমি অধিগ্রহণে ভূমিমালিকদের ২০১৯ সালে ৪ ধারার নোটিশ জারি করা হয়। এরপর থেকে কেউ সেখানে জমি কেনাবেচা করতে পারছেন না। এদিকে সরকার অর্থ বরাদ্দ না দেওয়ায় থমকে আছে জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য কাজ।
এ নিয়ে কথা হয় বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়ার সঙ্গে। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, জমি অধিগ্রহণের জন্য প্রয়োজন সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। আর অন্যান্য কাজে লাগবে ৫ হাজার কোটি টাকা। সব মিলিয়ে বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নয়নের কাজে ব্যয় হবে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা। এ প্রস্তাবনা অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পেলেই শুরু হবে কাজ।
বিপাকে এলাকাবাসী
বিমানবন্দরের চিহ্নিত জায়গায় জমি রয়েছে জাহাঙ্গীর হোসেনের। তিনি বলেন, ‘জমি অধিগ্রহণের জন্য নোটিশ দিয়েছে প্রায় সাত বছর আগে, কিন্তু এখনো জমির টাকা পাইনি। আমার স্ত্রী জটিল রোগে আক্রান্ত। তার চিকিৎসায় অনেক টাকা দরকার। ভেবেছিলাম, জমির টাকা পেলে চিকিৎসা করাব। কিন্তু সরকার সেই টাকা দিচ্ছে না, অন্য কোথাও জমি বিক্রি করতেও পারছি না।’
শুধু জাহাঙ্গীর নন, সৈয়দপুরের অনেকে এমন সংকটে রয়েছেন। জমি পছন্দ হলেও অনেকে কিনতে পারছেন না। অনেকে বিক্রি করতে চাইলেও গ্রাহক পাচ্ছেন না সরকারি নোটিশের কারণে।
নীলফামারী জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিমানবন্দরটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত হলে নেপাল, ভুটান ও ভারতের উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যের সঙ্গে বহুমুখী যোগাযোগ বাড়বে। দেশের অবহেলিত উত্তরাঞ্চলের মানুষ পাবে অর্থনৈতিক ও যোগাযোগে নানা সুবিধা। বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন সম্ভব হবে। তাই আমরা এই বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।’
তবে বেবিচক সূত্র বলছে ভিন্ন কথা। বেবিচকের প্রকৌশল বিভাগ জানায়, অর্থ বরাদ্দ পেলে দেড় থেকে দুই বছর লাগবে জমি অধিগ্রহণসহ টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ করতে। এরপর রানওয়ে সম্প্রসারণ, নতুন রানওয়ে নির্মাণ এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিতে অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণে আরও তিন-চার বছর লাগবে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে