সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত বেড়ে গেছে। শহরের অনেক অলিগলি এখন কুকুরের দখলে। এতে নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ পথচারীরা আতঙ্কে রয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে অর্ধশতাধিক বাসিন্দা কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ রক্তাক্ত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তবে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ১০০ শয্যার হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় আহতদের চিকিৎসায় ভোগান্তি হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলাতেই দল বেঁধে কুকুর চলাফেরা করছে। পথচারী, স্কুলগামী শিক্ষার্থী, হাটবাজারে যাতায়াতকারী নারী-পুরুষ ও মসজিদগামী মুসল্লিদের লক্ষ্য করে দৌড়ে গিয়ে কামড়ে দিচ্ছে। অনেকে আতঙ্কে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।
ইসলামবাগ বড় মসজিদের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গত শনিবার সন্ধ্যায় আমার ছেলে দোকান থেকে খাবার আনতে গেলে কুকুর হাতে কামড় দিয়ে খাবার কেড়ে নেয়। হাতে কয়েকটি সেলাই নিতে হয়েছে।’
মিস্ত্রিপাড়ার বাসিন্দা আনিছুর রহমান জানান, তাঁর বাবা ফজরের নামাজে যাওয়ার পথে কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। ভ্যাকসিন না থাকায় তাঁকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিতে হয়েছে।
রেলওয়ের টিকিট পরীক্ষক রাসেল আহমেদ বলেন, ‘ভোরে বাসায় ফেরার পথে ৮-১০টি কুকুর তাড়া করে আক্রমণের চেষ্টা করে। অল্পের জন্য রক্ষা পাই।’
সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা নাজমুল হুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত এক সপ্তাহে শুধু এই হাসপাতালে ১৪ জন কুকুরে কামড়ানো রোগী এসেছে। শনিবারই ১১ জনকে কামড় দিয়েছে। ভ্যাকসিন না থাকায় তাদের নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে নিউটারিং, টিকাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। না হলে জলাতঙ্কের ঝুঁকি থেকেই যাবে।’
সৈয়দপুর পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রকৌশলী আব্দুল খালেক বলেন, ‘বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণের বিষয়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় আমরা সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছি না। তবে মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পিত নিউটারিংসহ (বন্ধ্যাকরণ) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে বেওয়ারিশ কুকুরের উৎপাত বেড়ে গেছে। শহরের অনেক অলিগলি এখন কুকুরের দখলে। এতে নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ পথচারীরা আতঙ্কে রয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহে অর্ধশতাধিক বাসিন্দা কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ রক্তাক্ত অবস্থায় চিকিৎসাধীন। তবে সৈয়দপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ১০০ শয্যার হাসপাতালে ভ্যাকসিন না থাকায় আহতদের চিকিৎসায় ভোগান্তি হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, দিনের বেলাতেই দল বেঁধে কুকুর চলাফেরা করছে। পথচারী, স্কুলগামী শিক্ষার্থী, হাটবাজারে যাতায়াতকারী নারী-পুরুষ ও মসজিদগামী মুসল্লিদের লক্ষ্য করে দৌড়ে গিয়ে কামড়ে দিচ্ছে। অনেকে আতঙ্কে প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না।
ইসলামবাগ বড় মসজিদের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘গত শনিবার সন্ধ্যায় আমার ছেলে দোকান থেকে খাবার আনতে গেলে কুকুর হাতে কামড় দিয়ে খাবার কেড়ে নেয়। হাতে কয়েকটি সেলাই নিতে হয়েছে।’
মিস্ত্রিপাড়ার বাসিন্দা আনিছুর রহমান জানান, তাঁর বাবা ফজরের নামাজে যাওয়ার পথে কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন। ভ্যাকসিন না থাকায় তাঁকে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে নিতে হয়েছে।
রেলওয়ের টিকিট পরীক্ষক রাসেল আহমেদ বলেন, ‘ভোরে বাসায় ফেরার পথে ৮-১০টি কুকুর তাড়া করে আক্রমণের চেষ্টা করে। অল্পের জন্য রক্ষা পাই।’
সৈয়দপুর ১০০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা নাজমুল হুদা আজকের পত্রিকাকে বলেন, গত এক সপ্তাহে শুধু এই হাসপাতালে ১৪ জন কুকুরে কামড়ানো রোগী এসেছে। শনিবারই ১১ জনকে কামড় দিয়েছে। ভ্যাকসিন না থাকায় তাদের নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে নিউটারিং, টিকাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। না হলে জলাতঙ্কের ঝুঁকি থেকেই যাবে।’
সৈয়দপুর পৌরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রকৌশলী আব্দুল খালেক বলেন, ‘বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণের বিষয়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা থাকায় আমরা সরাসরি কোনো পদক্ষেপ নিতে পারছি না। তবে মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বেওয়ারিশ কুকুর নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পিত নিউটারিংসহ (বন্ধ্যাকরণ) প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা চলছে।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১৯ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
২০ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
২২ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে