নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীতে সাত মাসে ৭ হাজার ৮৮৭টি ই-ট্রাফিক মামলা হয়েছে। এসব মামলায় জরিমানা আদায় হয়েছে ২ কোটি ৫৬ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ টাকা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।
আসন্ন ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষ উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে গত বছরের ২৮ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ১১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় সাত মাসের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেন পুলিশ সুপার।
লিখিত বক্তব্যে পুলিশ সুপার জানান, এ সময়ের মধ্যে অপহরণের শিকার ২৩৫ জনকে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। চুরি বা ছিনতাই হওয়া ৫২৪টি মুঠোফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ১ হাজার ৪৮৭টি চাকরির যাচাই-বাছাই (ভিআর), ২৫৬টি মোটর ড্রাইভিং যাচাই (ভিআর), ৮ হাজার ৬৭৭টি ই-পাসপোর্ট, ১ হাজার ৭৯৪টি পুলিশ প্রত্যয়ন ও ২২০টি ভেটিং পাওয়ার পর তা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। পুলিশি তৎপরতার কারণে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে গরু আসা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
পবিত্র মাহে রমজান, ঈদুল ফিতর ও নববর্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের প্রস্তুতির কথা জানানো হয় ওই সংবাদ সম্মেলনে। জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপস্থিত সকলের সহযোগিতা চান পুলিশ সুপার। পুলিশ সুপার বলেন, ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল কার্যক্রমের কারণে বাইকচালকদের মধ্যে হেলমেট ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে, এটি চলমান থাকবে। পাশাপাশি ট্রাফিক নজরদারি বাড়ানোর কারণে জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা কমেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিরুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার জয়ন্ত কুমার সেন, ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আবু নাহিদ পারভেজ চৌধুরী, সেলিম আহমেদ, ডিআইও-১ মো. আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ।

নীলফামারীতে সাত মাসে ৭ হাজার ৮৮৭টি ই-ট্রাফিক মামলা হয়েছে। এসব মামলায় জরিমানা আদায় হয়েছে ২ কোটি ৫৬ লাখ ৫৯ হাজার ৩০০ টাকা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান।
আসন্ন ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষ উদযাপনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে গত বছরের ২৮ আগস্ট থেকে চলতি বছরের ১১ এপ্রিল পর্যন্ত প্রায় সাত মাসের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেন পুলিশ সুপার।
লিখিত বক্তব্যে পুলিশ সুপার জানান, এ সময়ের মধ্যে অপহরণের শিকার ২৩৫ জনকে উদ্ধার করে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। চুরি বা ছিনতাই হওয়া ৫২৪টি মুঠোফোন উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ১ হাজার ৪৮৭টি চাকরির যাচাই-বাছাই (ভিআর), ২৫৬টি মোটর ড্রাইভিং যাচাই (ভিআর), ৮ হাজার ৬৭৭টি ই-পাসপোর্ট, ১ হাজার ৭৯৪টি পুলিশ প্রত্যয়ন ও ২২০টি ভেটিং পাওয়ার পর তা নিষ্পত্তি করা হয়েছে। পুলিশি তৎপরতার কারণে ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে গরু আসা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।
পবিত্র মাহে রমজান, ঈদুল ফিতর ও নববর্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের প্রস্তুতির কথা জানানো হয় ওই সংবাদ সম্মেলনে। জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উপস্থিত সকলের সহযোগিতা চান পুলিশ সুপার। পুলিশ সুপার বলেন, ‘নো হেলমেট, নো ফুয়েল কার্যক্রমের কারণে বাইকচালকদের মধ্যে হেলমেট ব্যবহারের প্রবণতা বেড়েছে, এটি চলমান থাকবে। পাশাপাশি ট্রাফিক নজরদারি বাড়ানোর কারণে জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা কমেছে।’
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আমিরুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার জয়ন্ত কুমার সেন, ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আবু নাহিদ পারভেজ চৌধুরী, সেলিম আহমেদ, ডিআইও-১ মো. আবদুর রাজ্জাক প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে