নীলফামারী প্রতিনিধি

গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক ব্যবসায়ীর দোকানঘর লুট ও দখলের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী লুনা আকতার। এ সময় তার ছেলে ইয়াছিন রহমান অনিক ও শ্বশুর লিয়াকত আলী সরকার উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দখল হয়ে যাওয়া দোকান ঘরটি গত ২০১৩ সালে নগদ অর্থে পজিশনসহ ক্রয় করেন ব্যবসায়ী মাসুদুর রহমান লেলিন। সেই থেকে ওই দোকান ঘরে (পাঁচমাথা ফার্মেসি) ওষুধের ব্যবসা করে আসছিলেন তিনি। যথা নিয়মে পৌর ট্যাক্স ও রেন্ট পরিশোধ করে আসছেন নিয়মিত।
কিন্তু গত ৫ আগস্ট পাশের দোকান সাহাবাজ পলিথিন স্টোরের মালিকের ছেলে সৈয়দপুর ছাত্রদলের সহসভাপতি ইমরানের নেতৃত্বে সাহাবাজ, আব্দুস সালাম, মেরাজসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা ওষুধের দোকান ঘরটি দখল করে নেয়। একই সঙ্গে নগদসহ প্রায় ৬০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন।
পরে এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন, ব্যবসায়ী সমিতিসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ দফায় দফায় বৈঠক করেও দোকান ঘরটি দখলবাজদের হাত থেকে উদ্ধার করতে পারেনি। এমনকি লুট করা মালামালও ফেরত দেওয়া হয়নি। উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করতে মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আয়ের একমাত্র অবলম্বন দোকানঘরটি বেদখল হয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারটি পথে বসেছে। এতে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ছেলে–মেয়ের পড়ালেখা। বর্তমানে চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছি। এমন পরিস্থিতিতে দোকানঘরটি দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদলের সহসভাপতি ইমরান আনছারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাসুদুর রহমান লেলিন ২০১৪ সালে আমাদের কাছ থেকে দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু শুরুতে ৬ মাসের ভাড়া পরিশোধ করার পর আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে দোকানটি দখলে নেয়। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিজয় মিছিল থেকে ছাত্র-জনতা লেলিনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে দোকানঘরটি ভাঙচুর করে। এরপর দীর্ঘদিন লেলিনের অনুপস্থিতির কারণে মালিক হিসেবে দোকানটি বুঝিয়ে লই।’

গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক ব্যবসায়ীর দোকানঘর লুট ও দখলের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগীর স্ত্রী লুনা আকতার। এ সময় তার ছেলে ইয়াছিন রহমান অনিক ও শ্বশুর লিয়াকত আলী সরকার উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, দখল হয়ে যাওয়া দোকান ঘরটি গত ২০১৩ সালে নগদ অর্থে পজিশনসহ ক্রয় করেন ব্যবসায়ী মাসুদুর রহমান লেলিন। সেই থেকে ওই দোকান ঘরে (পাঁচমাথা ফার্মেসি) ওষুধের ব্যবসা করে আসছিলেন তিনি। যথা নিয়মে পৌর ট্যাক্স ও রেন্ট পরিশোধ করে আসছেন নিয়মিত।
কিন্তু গত ৫ আগস্ট পাশের দোকান সাহাবাজ পলিথিন স্টোরের মালিকের ছেলে সৈয়দপুর ছাত্রদলের সহসভাপতি ইমরানের নেতৃত্বে সাহাবাজ, আব্দুস সালাম, মেরাজসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা ওষুধের দোকান ঘরটি দখল করে নেয়। একই সঙ্গে নগদসহ প্রায় ৬০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন।
পরে এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন, ব্যবসায়ী সমিতিসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ দফায় দফায় বৈঠক করেও দোকান ঘরটি দখলবাজদের হাত থেকে উদ্ধার করতে পারেনি। এমনকি লুট করা মালামালও ফেরত দেওয়া হয়নি। উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করতে মামলা দায়ের করেছেন।
তিনি আরও বলেন, আয়ের একমাত্র অবলম্বন দোকানঘরটি বেদখল হয়ে যাওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারটি পথে বসেছে। এতে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে ছেলে–মেয়ের পড়ালেখা। বর্তমানে চরম সংকটে দিন কাটাচ্ছি। এমন পরিস্থিতিতে দোকানঘরটি দখলমুক্ত করতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত ছাত্রদলের সহসভাপতি ইমরান আনছারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাসুদুর রহমান লেলিন ২০১৪ সালে আমাদের কাছ থেকে দোকান ঘরটি ভাড়া নিয়ে ব্যবসা শুরু করে। কিন্তু শুরুতে ৬ মাসের ভাড়া পরিশোধ করার পর আওয়ামী লীগের প্রভাব খাটিয়ে দোকানটি দখলে নেয়। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিজয় মিছিল থেকে ছাত্র-জনতা লেলিনের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে দোকানঘরটি ভাঙচুর করে। এরপর দীর্ঘদিন লেলিনের অনুপস্থিতির কারণে মালিক হিসেবে দোকানটি বুঝিয়ে লই।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
২৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে