কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে মাঠ থেকে আলু তোলা শুরু হয়েছে। দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকেরা খুবই খুশি। কোনো ঝামেলা ছাড়া মাঠে বসেই কৃষকেরা আলু বিক্রি করছেন। উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, এই অঞ্চলে কৃষকেরা মাঠ থেকে নতুন আলু উঠাতে শুরু করেছে। অনুকূল আবহাওয়ায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো দাম পেয়ে কৃষকেরা খুশি।
জানা গেছে, প্রতি বছর এ উপজেলার ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষকেরা আগাম আমন ধান ঘরে তুলে আগাম বাজার ধরার আশায় আগেভাগে আলুর বীজ বোনেন। বর্তমানে সেই খেত থেকে আলু উত্তোলন শুরু হয়েছে।
বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই খেতে বসেই প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৭৮ টাকায়। এ ছাড়া কয়েক দিনের মধ্যে পুরোপুরি মাঠ থেকে আলু উত্তোলন শুরু হবে। চলতি বছর ৬ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আগাম আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর আগাম আলু আবাদ করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, আলুর মাঠে কেউ মাটি খুঁড়ছে, কেউ কুড়াচ্ছে। কেউ ঠেসে ঠেসে বস্তা ভরছে। কোথাও আবার ডিজিটাল মিটারে চলছে ওজন। খেতের মাঝে ভর্তি হচ্ছে ভ্যান, ট্রলি ও ট্রাক। খেতের মধ্যে আলু তোলার এমন দৃশ্য উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে।
উপজেলার রনচন্ডি ইউনিয়নের কুঠিপাড়া গ্রামের কৃষক নুরুল আলীম মাস্টার বলেন, ‘৭৮ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করেছি। যা খরচ বাদে দ্বিগুণ লাভ।’
একই গ্রামের হজরত আলী ৬২ শতক জমিতে আগাম আলু উত্তোলন করছেন। হজরত আলী বলেন, বরাবরের মতো চলতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বরে জমিতে ৫৫ থেকে ৬০ দিনে ফলনযোগ্য আগাম আলু বর্তমানে উত্তোলন করছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাজারে নতুন আলু উঠতে শুরু হয়েছে। চলতি বছর অনুকূল আবহাওয়ায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। চড়া দাম পেয়ে কৃষক পরিবার খুশি। আগাম আলু আগাম ধান চাষ করে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন আনছেন।’

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে মাঠ থেকে আলু তোলা শুরু হয়েছে। দাম বেশি পাওয়ায় কৃষকেরা খুবই খুশি। কোনো ঝামেলা ছাড়া মাঠে বসেই কৃষকেরা আলু বিক্রি করছেন। উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, এই অঞ্চলে কৃষকেরা মাঠ থেকে নতুন আলু উঠাতে শুরু করেছে। অনুকূল আবহাওয়ায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো দাম পেয়ে কৃষকেরা খুশি।
জানা গেছে, প্রতি বছর এ উপজেলার ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষকেরা আগাম আমন ধান ঘরে তুলে আগাম বাজার ধরার আশায় আগেভাগে আলুর বীজ বোনেন। বর্তমানে সেই খেত থেকে আলু উত্তোলন শুরু হয়েছে।
বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই খেতে বসেই প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ৭৮ টাকায়। এ ছাড়া কয়েক দিনের মধ্যে পুরোপুরি মাঠ থেকে আলু উত্তোলন শুরু হবে। চলতি বছর ৬ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে আগাম আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর মধ্যে ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর আগাম আলু আবাদ করা হয়।
সরেজমিনে দেখা যায়, আলুর মাঠে কেউ মাটি খুঁড়ছে, কেউ কুড়াচ্ছে। কেউ ঠেসে ঠেসে বস্তা ভরছে। কোথাও আবার ডিজিটাল মিটারে চলছে ওজন। খেতের মাঝে ভর্তি হচ্ছে ভ্যান, ট্রলি ও ট্রাক। খেতের মধ্যে আলু তোলার এমন দৃশ্য উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে।
উপজেলার রনচন্ডি ইউনিয়নের কুঠিপাড়া গ্রামের কৃষক নুরুল আলীম মাস্টার বলেন, ‘৭৮ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করেছি। যা খরচ বাদে দ্বিগুণ লাভ।’
একই গ্রামের হজরত আলী ৬২ শতক জমিতে আগাম আলু উত্তোলন করছেন। হজরত আলী বলেন, বরাবরের মতো চলতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বরে জমিতে ৫৫ থেকে ৬০ দিনে ফলনযোগ্য আগাম আলু বর্তমানে উত্তোলন করছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বাজারে নতুন আলু উঠতে শুরু হয়েছে। চলতি বছর অনুকূল আবহাওয়ায় আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। চড়া দাম পেয়ে কৃষক পরিবার খুশি। আগাম আলু আগাম ধান চাষ করে এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন আনছেন।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে