নীলফামারী প্রতিনিধি

আজ ১৩ জুন, নীলফামারীর সৈয়দপুরে পালিত হচ্ছে শোকাবহ ট্রেন ট্র্যাজেডি ও গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শহরের গোলাহাট এলাকায় ঘটে যায় ইতিহাসের এক নির্মম হত্যাকাণ্ড। হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় অবাঙালি দোসররা প্রায় ৪৪৮ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সৈয়দপুর ছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অন্যতম শক্ত ঘাঁটি। ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগের পর বিপুলসংখ্যক উর্দুভাষী অবাঙালি এখানে বসবাস শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এদের বড় একটি অংশ হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করে এবং মুক্তিকামী বাঙালিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
১৯৭১ সালের ১৩ জুন, সৈয়দপুর শহরের সংখ্যালঘু হিন্দু ও মারোয়ারি সম্প্রদায়ের লোকজনকে ভারতে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে শহরের রেলওয়ে স্টেশনে জড়ো করা হয়। পরে একটি বিশেষ ট্রেনে তুলে তাঁদের শহরের উত্তর প্রান্তে, রেলওয়ে কারখানার শেষ সীমান্তে গোলাহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তরবারি ও অন্যান্য অস্ত্র দিয়ে একে একে ৪৪৮ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে খুব কমসংখ্যক মানুষই প্রাণে বাঁচতে পেরেছিলেন। শহরের অনেক পরিবার ছিল, যাদের কোনো সদস্যই আর বেঁচে ফেরেনি।
গোলাহাট বধ্যভূমিতে গড়ে তোলা হয়েছে একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যেখানে প্রতিবছর ১৩ জুন গণহত্যা দিবস পালিত হয়। এদিন শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সৈয়দপুর হিন্দু কল্যাণ সমিতি ও স্মরণিকা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এবারও দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও স্মরণিকা পরিষদের সভাপতি সুমিত কুমার আগরওয়াল জানান, কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা ও গীতা পাঠ, শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, মোমবাতি প্রজ্বালন, দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, প্রার্থনা, ভোজন-কীর্তন ও প্রসাদ বিতরণ।
দিনটি সৈয়দপুরবাসীর জন্য শুধু স্মরণ নয়, হৃদয়ের গভীর থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের দিন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এটি একটি রক্তাক্ত অধ্যায়, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলেছে বেদনার উত্তরাধিকার হয়ে।

আজ ১৩ জুন, নীলফামারীর সৈয়দপুরে পালিত হচ্ছে শোকাবহ ট্রেন ট্র্যাজেডি ও গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে শহরের গোলাহাট এলাকায় ঘটে যায় ইতিহাসের এক নির্মম হত্যাকাণ্ড। হানাদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় অবাঙালি দোসররা প্রায় ৪৪৮ জন নারী-পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করে।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে সৈয়দপুর ছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর অন্যতম শক্ত ঘাঁটি। ১৯৪৭ সালের দেশবিভাগের পর বিপুলসংখ্যক উর্দুভাষী অবাঙালি এখানে বসবাস শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় এদের বড় একটি অংশ হানাদার বাহিনীর সহযোগী হিসেবে কাজ করে এবং মুক্তিকামী বাঙালিদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
১৯৭১ সালের ১৩ জুন, সৈয়দপুর শহরের সংখ্যালঘু হিন্দু ও মারোয়ারি সম্প্রদায়ের লোকজনকে ভারতে পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে শহরের রেলওয়ে স্টেশনে জড়ো করা হয়। পরে একটি বিশেষ ট্রেনে তুলে তাঁদের শহরের উত্তর প্রান্তে, রেলওয়ে কারখানার শেষ সীমান্তে গোলাহাট এলাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তরবারি ও অন্যান্য অস্ত্র দিয়ে একে একে ৪৪৮ জনকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। এই ভয়াবহ হত্যাকাণ্ডে খুব কমসংখ্যক মানুষই প্রাণে বাঁচতে পেরেছিলেন। শহরের অনেক পরিবার ছিল, যাদের কোনো সদস্যই আর বেঁচে ফেরেনি।
গোলাহাট বধ্যভূমিতে গড়ে তোলা হয়েছে একটি স্মৃতিস্তম্ভ, যেখানে প্রতিবছর ১৩ জুন গণহত্যা দিবস পালিত হয়। এদিন শহীদদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
সৈয়দপুর হিন্দু কল্যাণ সমিতি ও স্মরণিকা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে এবারও দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ও স্মরণিকা পরিষদের সভাপতি সুমিত কুমার আগরওয়াল জানান, কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে পূজা-অর্চনা ও গীতা পাঠ, শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ, মোমবাতি প্রজ্বালন, দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ, প্রার্থনা, ভোজন-কীর্তন ও প্রসাদ বিতরণ।
দিনটি সৈয়দপুরবাসীর জন্য শুধু স্মরণ নয়, হৃদয়ের গভীর থেকে শ্রদ্ধা নিবেদনের দিন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এটি একটি রক্তাক্ত অধ্যায়, যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বয়ে চলেছে বেদনার উত্তরাধিকার হয়ে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে