কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের সদর ইউনিয়নের রুপালি কেশবা গ্রামের চকচকার ঘাটে ধাইজান নদীর ওপর একটি সেতুর অভাবে দুই ইউনিয়নের প্রায় ২০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। বিকল্প পথ দীর্ঘ হওয়ায় বাঁশের চাটাই বিছানো সেতুতে যাতায়াত করতে হয় তাদের। অনেক সময় বাঁশের সেতু ভেঙে দুর্ঘটনায় পড়তে হয়; আবার নদীতে পানি বাড়লে ভেঙে যায় সেটি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে চলাচলের জন্য প্রতিবছর একটি বাঁশের সেতু নির্মাণ করা হয়। শুষ্ক মৌসুমে সেটি দিয়ে কিছুদিন চলাচল করা যায়। তবে বর্ষাকালে নেমে আসে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেশবাসহ কয়েকটি গ্রামের কোল ঘেঁষে বহমান ধাইজান নদী ওই এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার একমাত্র ফসলি জমি মূল ভূখণ্ড থেকে বিভক্ত করেছে। সেতু না থাকায় জমি চাষ, উৎপাদিত কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া, মালপত্র বহনে ভোগান্তি এবং অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে এই এলাকার মানুষকে। তা ছাড়া প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে ওই এলাকার মানুষের যাতায়াত করতে হয়।
কয়েকটি গ্রামের মানুষ, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও স্কুল-কলেজপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ওই ঘাট দিয়ে চলাচল সহজ হয়। তাই জনগুরুত্বপূর্ণ ওই ঘাটের নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি এলাকাবাসীর।
কেশবা গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন বলেন, ‘উত্তর পারে জনগুরুত্বপূর্ণ থানা, মেডিকেল, স্কুল-কলেজ, কেজি স্কুল, সরকারি ব্যাংক, বিমা, এনজিও, মাদ্রাসা, হাটবাজার রয়েছে। এপারেও মানুষের বসতি রয়েছে। কিন্তু আজও সেতু নির্মিত না হওয়ায় এই এলাকায় আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি।’
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মাহামুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সেখানে সেতু নির্মাণের বিষয়টি নজরে রয়েছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, বরাদ্দ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের সদর ইউনিয়নের রুপালি কেশবা গ্রামের চকচকার ঘাটে ধাইজান নদীর ওপর একটি সেতুর অভাবে দুই ইউনিয়নের প্রায় ২০ গ্রামের ৫০ হাজার মানুষ দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। বিকল্প পথ দীর্ঘ হওয়ায় বাঁশের চাটাই বিছানো সেতুতে যাতায়াত করতে হয় তাদের। অনেক সময় বাঁশের সেতু ভেঙে দুর্ঘটনায় পড়তে হয়; আবার নদীতে পানি বাড়লে ভেঙে যায় সেটি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে চলাচলের জন্য প্রতিবছর একটি বাঁশের সেতু নির্মাণ করা হয়। শুষ্ক মৌসুমে সেটি দিয়ে কিছুদিন চলাচল করা যায়। তবে বর্ষাকালে নেমে আসে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেশবাসহ কয়েকটি গ্রামের কোল ঘেঁষে বহমান ধাইজান নদী ওই এলাকার বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকার একমাত্র ফসলি জমি মূল ভূখণ্ড থেকে বিভক্ত করেছে। সেতু না থাকায় জমি চাষ, উৎপাদিত কৃষিপণ্য আনা-নেওয়া, মালপত্র বহনে ভোগান্তি এবং অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে এই এলাকার মানুষকে। তা ছাড়া প্রায় ৫ কিলোমিটার পথ ঘুরে ওই এলাকার মানুষের যাতায়াত করতে হয়।
কয়েকটি গ্রামের মানুষ, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী ও স্কুল-কলেজপড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীদের ওই ঘাট দিয়ে চলাচল সহজ হয়। তাই জনগুরুত্বপূর্ণ ওই ঘাটের নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি এলাকাবাসীর।
কেশবা গ্রামের বাসিন্দা আলাউদ্দিন বলেন, ‘উত্তর পারে জনগুরুত্বপূর্ণ থানা, মেডিকেল, স্কুল-কলেজ, কেজি স্কুল, সরকারি ব্যাংক, বিমা, এনজিও, মাদ্রাসা, হাটবাজার রয়েছে। এপারেও মানুষের বসতি রয়েছে। কিন্তু আজও সেতু নির্মিত না হওয়ায় এই এলাকায় আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি।’
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মাহামুদুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সেখানে সেতু নির্মাণের বিষয়টি নজরে রয়েছে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি, বরাদ্দ এলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৮ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৬ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩৩ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৩৯ মিনিট আগে