প্রতিনিধি, নেত্রকোনা

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৩০ এপ্রিল মারা যান পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। এর পর থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে ও পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলের সব আশা আর ভরসার জায়গা হয়ে ওঠেন হাবিবুর (৪০)। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে মা-হারা সেই সন্তানদের আশার শেষ আলোটুকুও নিভে গেল। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন হাবিবুর রহমান। চার মাসের মধ্যে বাবা-মা হারাল দুই শিশু।
গত বৃহস্পতিবার রাতে নেত্রকোনা সদর উপজেলার নেত্রকোনা-বারহাট্টা সড়কের সতরশ্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেল ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন এসআই হাবিবুর।
নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা থানায় কর্মরত ছিলেন হাবিবুর। তাঁর গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার বেতগাছিয়া এলাকায়। এক বছর আগে তিনি এসআই হিসেবে বারহাট্টা থানায় যোগ দেন। ২০০০ সালে কনস্টেবল হিসেবে চাকরিজীবন শুরু করেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, দাপ্তরিক কাজ শেষ করে হাবিবুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতে নেত্রকোনা থেকে মোটরসাইকেলে করে বারহাট্টা থানায় আসছিলেন। রাত আটটার দিকে নেত্রকোনা-বারহাট্টা সড়কের সতরশ্রী এলাকায় এলে বিপরীত দিক থেকে আসা ইঞ্জিনচালিত একটি ভ্যানগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে এসআই হাবিবুর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার চিকিৎসক রাত ১০টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এসআই হাবিবুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে পুলিশের একটি দল তাঁর মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ি ধোবাউড়ার বেতগাছিয়া গ্রামের দিকে রওনা হয়। সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৩০ এপ্রিল মারা যান পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) হাবিবুর রহমানের স্ত্রী। এর পর থেকে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে ও পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলের সব আশা আর ভরসার জায়গা হয়ে ওঠেন হাবিবুর (৪০)। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাতে মা-হারা সেই সন্তানদের আশার শেষ আলোটুকুও নিভে গেল। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন হাবিবুর রহমান। চার মাসের মধ্যে বাবা-মা হারাল দুই শিশু।
গত বৃহস্পতিবার রাতে নেত্রকোনা সদর উপজেলার নেত্রকোনা-বারহাট্টা সড়কের সতরশ্রী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে মোটরসাইকেল ও ইঞ্জিনচালিত ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন এসআই হাবিবুর।
নেত্রকোনা জেলার বারহাট্টা থানায় কর্মরত ছিলেন হাবিবুর। তাঁর গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলার বেতগাছিয়া এলাকায়। এক বছর আগে তিনি এসআই হিসেবে বারহাট্টা থানায় যোগ দেন। ২০০০ সালে কনস্টেবল হিসেবে চাকরিজীবন শুরু করেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, দাপ্তরিক কাজ শেষ করে হাবিবুর রহমান বৃহস্পতিবার রাতে নেত্রকোনা থেকে মোটরসাইকেলে করে বারহাট্টা থানায় আসছিলেন। রাত আটটার দিকে নেত্রকোনা-বারহাট্টা সড়কের সতরশ্রী এলাকায় এলে বিপরীত দিক থেকে আসা ইঞ্জিনচালিত একটি ভ্যানগাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে এসআই হাবিবুর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার চিকিৎসক রাত ১০টার দিকে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, গতকাল বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এসআই হাবিবুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন হয়। পরে পুলিশের একটি দল তাঁর মরদেহ নিয়ে গ্রামের বাড়ি ধোবাউড়ার বেতগাছিয়া গ্রামের দিকে রওনা হয়। সেখানেই পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হবে।

ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১৮ মিনিট আগে
দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় এর আগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শেরপুর-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফাহিম চৌধুরীর মনোনয়ন বাতিল করেন। পরে নির্বাচন কমিশনে আপিল করলে ওই রায় এখনো অপেক্ষমাণ রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামের এক তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
১ ঘণ্টা আগে