নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ধানখেত থেকে রুবেল মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া ও ছনধরা গ্রামের মাঝামাঝি বেহি নামক বিলের পাশের ধানখেত থেকে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রুবেল মিয়া উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের বুধি পূর্বপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টার দিকে যাত্রীর সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান রুবেল। রাতে আর ফেরেননি তিনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বেহি নামক বিলের পাশের ধানখেতে রুবেলের গলাকাটা লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের ধারণা, মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই যাত্রী বেশে থাকা ছিনতাইকারীরা রুবেলকে হত্যা করেছে।
উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. হীরা মিয়া জানান, ‘আজ দুপুরের দিকে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ওই বিলের পাশে মাছ ধরতে গিয়ে লাশটি দেখতে পেয়ে আমাকে খবর দেয়। স্থানীয় লোকজন নিয়ে গিয়ে দেখি গলাকাটা লাশটি খেতে পড়ে রয়েছে। তবে তাঁর পা দুটি বস্তা দিয়ে বাঁধা ছিল।
নিহতের বাবা আবুল কাশেম বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ৮টায় আমার ছেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। আমি সারা রাত খুঁজেছি। আজ বিকেলে শুনি ধানের জমিতে আমার ছেলের লাশ পাওয়া গেছে।’
পূর্বধলা থানার ওসি বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য সকালে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ধানখেত থেকে রুবেল মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের নওয়াপাড়া ও ছনধরা গ্রামের মাঝামাঝি বেহি নামক বিলের পাশের ধানখেত থেকে ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নূরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রুবেল মিয়া উপজেলার আগিয়া ইউনিয়নের বুধি পূর্বপাড়া গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাত ৮টার দিকে যাত্রীর সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান রুবেল। রাতে আর ফেরেননি তিনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বেহি নামক বিলের পাশের ধানখেতে রুবেলের গলাকাটা লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন গিয়ে লাশ শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। তবে তাঁর ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের ধারণা, মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নেওয়ার জন্যই যাত্রী বেশে থাকা ছিনতাইকারীরা রুবেলকে হত্যা করেছে।
উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. হীরা মিয়া জানান, ‘আজ দুপুরের দিকে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা ওই বিলের পাশে মাছ ধরতে গিয়ে লাশটি দেখতে পেয়ে আমাকে খবর দেয়। স্থানীয় লোকজন নিয়ে গিয়ে দেখি গলাকাটা লাশটি খেতে পড়ে রয়েছে। তবে তাঁর পা দুটি বস্তা দিয়ে বাঁধা ছিল।
নিহতের বাবা আবুল কাশেম বলেন, ‘গতকাল রাত সাড়ে ৮টায় আমার ছেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। আমি সারা রাত খুঁজেছি। আজ বিকেলে শুনি ধানের জমিতে আমার ছেলের লাশ পাওয়া গেছে।’
পূর্বধলা থানার ওসি বলেন, লাশ উদ্ধার করে থানায় রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য সকালে নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৫ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে