নেত্রকোনা প্রতিনিধি

‘জলদস্যুরা আমাদের জাহাজে ঢুকে পড়েছে, আমার জন্য দোয়া কর। আর মনে হয় কথা হবে না’ এসব কথা স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে বলেন সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়া মো. রোকন উদ্দিন নামের একজন বাংলাদেশি প্রকৌশলী। এরপর তাঁদের মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে যায়।
ভারত মহাসাগরে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়েছে। কেএসআরএম কোম্পানির এই জাহাজে রোকন উদ্দিনসহ ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক জলদস্যুদের হাতে জিম্মি রয়েছেন।
রোকন উদ্দিন এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের তৃতীয় প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। তিনি নেত্রকোনার সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা ইউনিয়নের বাঘরুয়া গ্রামের মো. মিরাজ আলীর ছেলে। তাঁর জন্ম ১৯৯১ সালে। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তৃতীয় রোকন। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা শেষে ২০১৫ সালে জাহাজে চাকরি নেন তিনি। ২০২৩ সালের ২০ মার্চ ছুটিতে বাড়িতে এসে বিয়ে করেন তিনি। নভেম্বরে ছুটি শেষে চাকরিতে যোগ দেন রোকন। তাঁর স্ত্রী তানিয়া আক্তার অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ভারত মহাসাগরে এমভি আবদুল্লাহসহ ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে জিম্মি হওয়ার খবর প্রচারের পর রোকন উদ্দিনের বাড়িতে মাতম শুরু হয়। বিকেলে স্ত্রী তানিয়া আক্তারের সঙ্গে শুধুমাত্র একবার মোবাইল ফোনে কথা বলতে পেরেছেন রোকন। এ সময় তিনি ফোনে স্ত্রীকে বলেন, ‘জলদস্যুরা জাহাজে ঢুকে পড়েছে, আমার জন্য দোয়া করো, আর মনে হয় কথা হবে না’। এসব কথা বলার পর সংযোগ কেটে যায়।
এদিকে ছেলের জন্য কেঁদে কেঁদে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন মা লুৎফুন্নাহার। সেই সঙ্গে স্ত্রী তানিয়া আক্তারও বারবার কেঁদে উঠছেন।
রোকন উদ্দিনের বড় বোন শাহমিনা আক্তার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘গতকাল বিকেলে রোকন তাঁর স্ত্রী তানিয়াকে মোবাইল ফোনে কল করে জানান জলদস্যুরা তাঁদের জাহাজে ঢুকে পড়েছে। এই খবর শোনার পর আমাদের বাড়িতে কান্নাকাটি শুরু হয়ে যায়। রাতেও রোকনের ফোন চালু ছিল। আমরা কথা বলার চেষ্টা করেছিলাম। কল হচ্ছিল কিন্তু কেউ রিসিভ করেনি। এরপর থেকে আর কোনো খবর পাচ্ছি না।
শাহমিনা আক্তার বলেন, ‘রোকনের জিম্মি হওয়ার খবরে চিন্তায়-শঙ্কায় আমাদের পরিবারের সবার অবস্থা খুব খারাপ। বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ। রোকন সুস্থভাবে ফিরে আসুক এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। এ জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করছি।’
রোকন উদ্দিনের বড় ভাই সাইদুর রহমানের স্ত্রী পপি আক্তার বলেন, ‘রোকন জলদস্যুদের কবলে পড়েছে এই কথা শোনার পর তার মা লুৎফন্নাহার বারবার কেঁদে জ্ঞান হারাচ্ছেন। এদিকে স্ত্রী তানিয়ারও একই অবস্থা। বাড়িতে কান্নাকাটি, কারও খাওয়া-দাওয়া ঘুম কিছুই নেই। আমরা খুব আতঙ্কে আছি তাঁকে (রোকন) নিয়ে।’

‘জলদস্যুরা আমাদের জাহাজে ঢুকে পড়েছে, আমার জন্য দোয়া কর। আর মনে হয় কথা হবে না’ এসব কথা স্ত্রী তানিয়া আক্তারকে বলেন সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়া মো. রোকন উদ্দিন নামের একজন বাংলাদেশি প্রকৌশলী। এরপর তাঁদের মোবাইল ফোনের সংযোগ কেটে যায়।
ভারত মহাসাগরে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়েছে। কেএসআরএম কোম্পানির এই জাহাজে রোকন উদ্দিনসহ ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক জলদস্যুদের হাতে জিম্মি রয়েছেন।
রোকন উদ্দিন এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের তৃতীয় প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। তিনি নেত্রকোনার সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা ইউনিয়নের বাঘরুয়া গ্রামের মো. মিরাজ আলীর ছেলে। তাঁর জন্ম ১৯৯১ সালে। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তৃতীয় রোকন। মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা শেষে ২০১৫ সালে জাহাজে চাকরি নেন তিনি। ২০২৩ সালের ২০ মার্চ ছুটিতে বাড়িতে এসে বিয়ে করেন তিনি। নভেম্বরে ছুটি শেষে চাকরিতে যোগ দেন রোকন। তাঁর স্ত্রী তানিয়া আক্তার অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা গেছে।
গতকাল মঙ্গলবার দুপুরের দিকে ভারত মহাসাগরে এমভি আবদুল্লাহসহ ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিক সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে জিম্মি হওয়ার খবর প্রচারের পর রোকন উদ্দিনের বাড়িতে মাতম শুরু হয়। বিকেলে স্ত্রী তানিয়া আক্তারের সঙ্গে শুধুমাত্র একবার মোবাইল ফোনে কথা বলতে পেরেছেন রোকন। এ সময় তিনি ফোনে স্ত্রীকে বলেন, ‘জলদস্যুরা জাহাজে ঢুকে পড়েছে, আমার জন্য দোয়া করো, আর মনে হয় কথা হবে না’। এসব কথা বলার পর সংযোগ কেটে যায়।
এদিকে ছেলের জন্য কেঁদে কেঁদে বারবার জ্ঞান হারাচ্ছেন মা লুৎফুন্নাহার। সেই সঙ্গে স্ত্রী তানিয়া আক্তারও বারবার কেঁদে উঠছেন।
রোকন উদ্দিনের বড় বোন শাহমিনা আক্তার এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ‘গতকাল বিকেলে রোকন তাঁর স্ত্রী তানিয়াকে মোবাইল ফোনে কল করে জানান জলদস্যুরা তাঁদের জাহাজে ঢুকে পড়েছে। এই খবর শোনার পর আমাদের বাড়িতে কান্নাকাটি শুরু হয়ে যায়। রাতেও রোকনের ফোন চালু ছিল। আমরা কথা বলার চেষ্টা করেছিলাম। কল হচ্ছিল কিন্তু কেউ রিসিভ করেনি। এরপর থেকে আর কোনো খবর পাচ্ছি না।
শাহমিনা আক্তার বলেন, ‘রোকনের জিম্মি হওয়ার খবরে চিন্তায়-শঙ্কায় আমাদের পরিবারের সবার অবস্থা খুব খারাপ। বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ। রোকন সুস্থভাবে ফিরে আসুক এটাই আমাদের একমাত্র দাবি। এ জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে বলে আশা করছি।’
রোকন উদ্দিনের বড় ভাই সাইদুর রহমানের স্ত্রী পপি আক্তার বলেন, ‘রোকন জলদস্যুদের কবলে পড়েছে এই কথা শোনার পর তার মা লুৎফন্নাহার বারবার কেঁদে জ্ঞান হারাচ্ছেন। এদিকে স্ত্রী তানিয়ারও একই অবস্থা। বাড়িতে কান্নাকাটি, কারও খাওয়া-দাওয়া ঘুম কিছুই নেই। আমরা খুব আতঙ্কে আছি তাঁকে (রোকন) নিয়ে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে